
বুকের জ্বালা যায় না বলা
আমি আমার ৭৫তম জন্মদিন পেরিয়ে ৭৬ বছরে পা দিয়েছি। পেশায় আমি ডাক্তার। এক দিন গোসলের আগে আমি আমার বুকের কাপড় ফেলে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে স্তন পরীক্ষা করছি। কারণ এ বয়সে মহিলারা স্তন ক্যান্সার আক্রান্ত হয়, এটি আমি জানি। ওই দিন হাতের চেটো দিয়ে স্তন পরীক্ষার সময় হাতে একটা গোটা অনুভব করি। সাথে সাথে আমার বুকের ভেতর স্পন্দন বেড়ে গেল। আমি হাতের চেটো দিয়ে গোটাটা টিপ দেয়ার সাথে সাথে সেটি উধাও হয়ে গেল। আমি বুঝতে পারি আমার সমস্যা কী? এটি হয়তো ম্যলিগন্যান্টের দিকে এগোচ্ছে। কিছুদিন আগে আমার এক বান্ধবী স্তন ক্যান্সারে মারা গেল। যা হোক আমি আয়নার সামনে হাত ওপর দিকে তুলাম। দেখলাম আমার স্তনের বোঁটা ভেতরে ঢুকে গেছে। ওটা দেখে আমি নিশ্চিত হই আমার কী হয়েছে। আমার সন্দেহ সঠিক। তবে বুঝতে পারলাম না, এটি আমার কেন হলো? কারণ আমার বাবা-মা বা মাতৃকুলে কোনো মেয়ে এ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়নি। তাহলে আমার কেন? বাথরুমে আয়নার সামনে অনেকক্ষণ স্থির দাঁড়িয়ে রইলাম। বুঝতে পারছিলা না কী করব। আমার স্বামী বা ছেলেমেয়েদের এ খবর কী করে বলব। আর এ খবর শুনে তারা কী আচরণ করবে কে জানে। বাথরুম থেকে যখন বের হলাম, তখন আমার ছোট ছেলে কম্পিউটারে কাজ করছিল। আমি তাকে রোগের নাম না বলে জানালাম আমার স্তনে কেন জানি ব্যথা করছে। এ কথা শোনার সাথে সাথে সে অবিলম্বে একজন গাইনোকোলজিস্টের সাথে পরামর্শ করতে বলল। আমার দুই ছেলেই আমার মতো সুদর্শন। তারা যেকোনো সমস্যা মোকাবেলার মতো মানসিক শক্তি রাখে। তারা দু’জনই বলল- মা, তুমি মোটেই সময় নষ্ট নাা করে চলে যাও। চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ কর। আমার বেঁচে থাকার সংগ্রাম শুরু হলো।
চিকিৎসা পরিকল্পনা:
গাইনোকোলজিস্ট আমার এক বান্ধবী। সে বুঝতে পারল, আমি এ রোগের প্রাথমিক পর্যায় জেনে স্বাভাবিক নেই। তবু সে সান্তনা দিয়ে বলল, তুমি দুশ্চিন্ত করো না। আরো বলল- শোনো, যদি এটি কোনো টিউমার বা সিস্টও হয়, ক্যান্সার ম্যালিগন্যান্ট হবে খুব ধীরে ধীরে। কারণ তোমার এখন বার্ধক্য।
পরদিন একটি মেমোগ্রাম ও একটা সেনোগ্রাম করানো হলো। এ দুটোর রিপোর্ট দেখে স্তন ক্যান্সার নিশ্চিত হওয়া গেল। তবে সুসংবাদ হলো, Lymph gland আক্রান্ত হয়নি। বর্তমান ওটা দ্বিতীয় পর্যায়ের ম্যালিগন্যান্সি। নিশ্চিত হওয়ার পর আমার স্বামীকে ডেকে বলা হলো। উনি প্রতিক্রিয়া দেখালেন না। বোঝা গেল উনি চিন্তিত ও উদ্বিগ্ন।
অবশেষে এক ডার্ক সাইটে ক্যান্সার সার্জনের শরণাপন্ন। তিনি সব কথা শুনে ও কাগজপত্র দেখে Lumpectomy (Removal of the lump) করার পরামর্শ দিলেন। সেই সাথে Mammectomy (Removal of the whole breast) করার অনুমতি চাইলেন। শেষেরটা করার প্রয়োজন হতেও পারে অপারেশন চলাকালে আমি বললাম, আপনার ওপর আমার গভীর আস্থা রয়েছে। আপনি যা প্রয়োজন করতে পারেন।
সার্জন বললেন, আপনার রোগ রয়েছে প্রাথমিক পর্যায়ে। এতে আমার মনে হচ্ছে অপারেশনের পর কোনো রেডিয়েশন প্রয়োজন হবে না। আর কেমোথেরাপির প্রশ্নই ওঠে না। কারণ আপনার বয়স এখন ৭০-ঊর্ধ্বে। আপনাকে কোনো অ্যান্টিক্যান্সার ওষুধ দেয়া হবে। একটি বড়ি প্রতিদিন সকালে ঠান্ডা দুধসহ খেতে হবে। এটি চলবে সার্জারির পর তিন বছর। এখন থেকে আর অ্যাসপিরিন নেয়া চলবে না। এ কথা বলে তিনি এক সপ্তাহের জন্য বিদেশ চলে গেলেন। একজন মানুষের এমন রোগ যখন ধরা পড়ে তখন তার প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া কী হয় তা সবার জন্যা। আমি চিকিৎসক। তাই সার্জনের অনুপস্থিতিতে খুব সতর্কতার সাথে পর্যালোচনা করতে থাকি।
একদিন সার্জনকে ই-মেইলে জিজ্ঞেস করি, আমি কি শিরার মাধ্যমে একটি অ্যানেসথেসিয়া ইনজেকশন নেব, নাকি ইনহেলিশান? কারণ আমার মাথা ঘুরছে। আবার বর্তমান অবস্থার অবনতির আশঙ্কা করছি। নাকি অ্যান্টি ভাটিগো ওষুধ খাব? পরামর্শ চাই। আমি আরো জানতে চাইলাম ক্যান্সারাস টিউমার অপসারণের পর আমার স্তনের আকার আগের মতো রাখতে কি অন্য কোনো জায়গা থেকে টিসু এনে ওখানে ব্যবহার করা হবে? এই ৭৫ বছর বয়সে আমি নির্লজ্জভাবে এসব প্রশ্ন করলাম। কারণ চিকিৎসার পর আমাকে অস্বাভাবিক দৈহিক অধিকারী মনে না হয়। আরো জানতে চাই অপারেশনে কত সময় লাগতে পারে।
অতি দ্রুত উত্তর পেলাম। ২০০৮ সালের ৩ জানুয়ারি সকাল ৮টায় আমার অপারেশন হবে বলে নির্ধারিত হলো। অপারেশন করতে দেড় ঘণ্টা লাগে। বিকেলের দিকে জ্ঞান ফিরে এলেও অ্যানেসথেসিয়ার ঘোর কাটতে সারা দিন গেল। রাতে ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়ানোর ফলে ভালো ঘুম হলো। আমি প্রায় স্বাভাবিক। আমাকে যখন হাসপাতাল থেকে ছুটি দেয়া হলো তখন আমার ডান বাহু কিছুটা ভারী বোধ হলো। পরে ওই বাহুতে ব্যথা হতে থাকে এবং নাড়ানো-চাড়ানো কষ্টকর হয়।
অপারেশনের পর:
ঊাড়িতে ফিরে আমাকে পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ, সঠিক সময়ে ওষুধ খাওয়া ও পর্যাপ্ত বিশ্রামের একটি রুটিন করা হলো। আমি তা মেনে চলি। গোসলের সময় কোমর থেকে নিচে ধোয়া যায়। ওপরের দিকে ভেজা কাপড়ের স্পঞ্জ করতে হয়। সার্জনের পরামর্শ মোতাবেক প্রতিদিন আমি হাতের ব্যায়াম করি। এর ফলে ধীরে ধীরে হাত নাড়ানো সহ জ হতে থাকে। ব্যথা কমতে থাকে।
এখন আমার সামনে স্তরে পুনর্গঠনের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। প্রথমত, ইমপ্লান্ট নিজের দৈহিক টিসু ব্যবহার অথবা দু’টির সমন্বয়। অপরটি হলো তলপেট থেকে মাংস, চর্বি ও চামড়া কেটে এনে স্তন গঠন অথবা শরীরের অন্য কোনো জায়গা থেকেও নেয়া যেতে পারে।
আমি বললাম, আমার অপারেশন করা স্তন সম্পূর্ণ ফেলে দিন। সবচেয়ে বড় সমস্যা আমার দর্শনার্থী। এত লোকজন আসা-যাওয়া করলে সংক্রমণের আশঙ্কা অধিক। কারণ এটি একটা বড় রকমের সার্জারি। দর্শনার্থীদের প্রশ্নের উত্তর দেয়া বিব্রতকর। তাদের প্রশ্ন পুরো স্তন কি ফেলা দেয়া হয়েছে? স্তন ক্যান্সার রোগীরা এ প্রশ্নে মানসিকভাবে আরো দুর্বল হয়ে পড়ে। আরো মানসিক চাপে থাকে। মেয়েরা বার্ধক্যেও তাদের চুল ও স্তন সম্পর্কে সচেতন থাকে। তারা স্বাভাবিক থাকতে চায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, এ বয়সে এমন রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা কোনোটাই স্বাভাবিক রাখতে পারেন না। ডাক্তার দর্শনার্থীদের বিব্রতকর প্রশ্ন করতে নিষেধ করেন। শুধু দ্রুত রোগমুক্ত হওয়ার প্রার্থনা করতে বলেন। সুস্বাস্থ্য কামনা করতে বলেন।
একদিন একটা বায়োপসি রিপোর্ট এলো ১০ দিন পর। রিপোর্টটা নৈরাশ্যজনক। রিপোর্ট বলছে Axilla বা বগলের ১০টি গ্লান্ডের ছয়টি অপসারণ করা হয়েছে। ১০টিতেই ক্যান্সার সেল ছিল। সার্জন এই অপ্রত্যাশিত ঘটনার জন্য রেডিয়েশন প্রয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। কাজেই আমাকে ওই রেডিয়েশন হাসপাতালে পাঠানো হলো। আমি ডাক্তার। তাই এ খবরে মোটেই নিরাশ হলাম না। আমি গভীর বিশ্বাসী – রোগমুক্ত হবো। আমি সর্বদা ইতিবাচক চিন্তাভাবনা করি। আমার বড় ছেলে যুক্তরাষ্ট্রে Carcinogens- এর ওপর গবেষণা করছে। প্রতিদিনই আমার খবর নেয়। আমাকে ছয় সপ্তাহ ধরে প্রতি সপ্তাহে পাঁচ দিন রেডিয়েশন নিতে হবে। ৩০টি Exposures নিতে হবে।
একদিন আমার ডান হাতে চেটোর পাশে ব্যথা শুরু হলো। ও দিন ছিল শনিবার। শনিবার ও রোববার রেডিয়েশন বন্ধ এখন কী করি? সপ্তাহের ছুটির দিনে ডাক্তারকে ডাকতে চাই না। কাজেই নিজ অভিজ্ঞতা নিয়ে ব্যথার জায়গায় অ্যান্টিসেপটিক ক্রিম লাগালাম। পরদিন ব্যথা ও জ্বালা চলে গেল।
প্রথম সপ্তাহে রেডিয়েশন নেয়ার পর আমার গলায় এমন ব্যথা হলো যে, ঢোক গিলতে পারি না। খাওয়া-দাওয়া বন্ধ হয়ে গেল। গিলতে পারি না। আমাকে ব্যথানাশক ওষুধ দেয়া হলো। এতে ধীরে ধীরে আমার গলার ব্যথা কমলো এক সপ্তাহে। কিন্তু চূড়ান্ত অবসাদ চলে এলো। সব সময় শুয়ে ঘুময়ে কাটতে হয়। এটি দূর করতে আমাকে পুষ্টিকর খাবার প্রোটিন বড়ি এবং অতিরিক্ত টনিক দেয়া হলো। বেশি বেশি পানি পান করতে বলা হলো। ধীরে ধীরে অবসাদ কেটে গেল। দেহে শক্তি ফিরে পেলাম। এখন প্রত্যহ সকালে কুসুম গরম পানি সারা শরীরে ঢেলে গোসল করতে থাকি। রেডিয়েশনে সারা শীরের ত্বক যেন পুড়ে গেছে। হাত দিলে ব্যথা পাই। ডাক্তার নিষেধ করেছেন, শরীরে কোনো ট্যালকাম পাউডার বা ক্রিম ব্যবহার করা চলবে না। রেডিয়েশন নিয়ে আমার শরীরের ত্বক বিবর্ণ হয়ে গেছে। সর্বদা শুষ্ক থাকে ত্বক। যা হোক রেডিয়েশন নেয়ার পর আমি সুস্থবোধ করতে থাকি। আমি আমার দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজ করতে শুরু করি।
ক্যান্সার গবেষণা:
আমার অবসর সময় আমি ভাবি, কিভাবে আমার এ সমস্যার সূচনা আবিষ্কার করতে পারতাম। আমার অবশ্য কোনো ঘুসঘুসে জর, জ্বালা যন্ত্রণা, ক্ষুধামন্দা অথবা দুর্বলতা ছিল না। এগলো থাকলে তো আমি আঁচ করতে পারতাম। কিন্তু অন্যান্য কিচু লক্ষণ ছিলো যেগুলো আমাকে সতর্ক করতে পারত। মনে হয় আমার বিভিন্ন সিস্টেমে এগুলোর প্রতিক্রিয়া হয়নি। তবে কিছু উপসর্গ অবশ্যই ছিল যা আমি ভ্রুক্ষেপ করিনি। যেমন মাঝে মধ্যে মাথার চুল গুচ্ছ গুচ্ছ উঠে যেত। তখনো ক্যান্সার ধরা পড়েনি। আমি ভাবতাম বেশি বয়সে এমন চুল ওঠে। কিন্তু ওটা যে ক্যান্সারের সূচনা, তা বুঝিনি। আবার মাঝে মধ্যে মুখের ভেতর ক্ষত হতো। জিহ্বায়ও আলসার হতো। এসব ক্ষত ও আলসার সারতে বহু দিন লাগতো, ওষুধ খেলেও। সেরে যেত এসব ক্ষত। আবার আসত। এরপর দাঁতের সংক্রমণ; যার ফলে দাঁত ফেলে দিতে হয়। দাঁত ফেলে দেয়ার পর দীর্ঘদিন লাগত ক্ষত শুকাতে। দাঁতের এই সংক্রমণ দেখে ডেনটিস্ট সন্দেহ করতো। এগুলো হওয়ার কোনো কারণ খুঁজে পেতাম না। প্রস্রাব, মল, রক্ত পরীক্ষায় কোনো অস্বাভাবিকতা পাওয়া যেত না। আমার কোনো রক্তস্বল্পতা বা হজমের কোনো গোলযোগ ছিল না।
অবশেষে কথা হলো, শৈশব থেকে আমি মিষ্টি পছন্দ করতোম না। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, ৭০ বছরে পা দিয়েই মিষ্টান্ন দ্রব্যের অস্বাভাবিক আকর্ষণ বেড়ে গেল। আমি তখন জাম, চকলেট ও অন্যান্য মিষ্টন্ন দ্রব্য খেতে শুরু করি। ফলে ৭০ বছর বয়স থেকে আমার ওজন বাড়তে থাকে। আগে আমি হালকা পাতলা ছিলাম।
আমার স্তনে গোটা অনুভব করার অনেক আগে এসব পরিবর্তন হচ্ছিল। এখন বুঝতে পারছি ওগুলোই ছিলো ক্যান্সার আসার পূর্ব লক্ষণ। ক্যান্সার থেরাপি দেয়ার পর ওই সব উপসর্গ আর রইলো না। উঠে গেল। মিষ্টির প্রতি আকর্ষণ কমলেও সম্পূর্ণ গেল না। আমার মনে হয়, এসব লক্ষণ কোনো চিকিৎসাগ্রন্থে উল্লেখ নেই। হয়তো চিকিৎসকরা আমার এসব উপসর্গ মানবেন না। তবে একটি কথা সত্য যে, যার শরীর সে তার দেহকে যেমন জানে, ডাক্তার তা জানে না। এসব বিষয় ও ঘটনা ডাক্তারদের লিখে রাখলে ভবিষ্যতে রোগ চিকিৎসায় সহায়ক হতে পারে। এ জন্য পাঠকদের উদ্দেশে বলি, শরীরের অস্বাভাবিক কোনো পরিবর্তনকে অবহেলা করবেন না। সে পরিবর্তন সামান্য হোক আর বড় হোক। কোনো অস্বাভাবিক শারীরিক পরিবর্তন লিখে রাখবেন। এমন সামান্য পরিবর্তন যেমন মুখের ভেতর কোনো পরিবর্তণ। স্বাদের পরিবর্তন। এমন কোনো পরিবর্তন লক্ষ করলে সাথে সাথে চিকিৎসককে বলে পরামর্শ নেবেন। আপনার দেয়া তথ্য ডক্তারকে চিকিৎসা দিতে সহায়ক হবে। আজকাল ইন্টরনেটে এসব তথ্য সহজে পাওয়া যায়।
আমার অপারেশনের পর তিন বছর অতীত হয়। আমি তিনচার মাস অন্তর চেকআপ করাতে যাই। এখন আট মাস পর একবার যাই। প্রতি বছর একবার মেমোগ্রাম করাই। ব্রেস্ট সার্জারির পর তিন বছর খুব ঝুঁকিপূর্ণ। এর মধ্যে আবার আক্রমণের সম্ভাবনা থাকে। কাজেই ঘন ঘন চেকআপ করাতে হয়। রোগ কখন কিভাবে আসে আগেই অনুমান করা সম্ভব নয়।
আমার সর্বশেষ মেমোগ্রামে একটা লাল সঙ্কেত পাওয়া যায়। কিন্তু সার্জন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কিছু না পেয়ে ২০১১ সালের মার্চে আরেকটি মেমোগ্রাম করাতে বলেন- সন্দেহ দূর করার জন্য।
আমি ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবনাকে বোকামি মনে করি। দুর্ভোগ ও মৃত্যু নিয়ে নিয়ে চিন্তা করে কোনো লাভ নেই। যা হওয়ার তা হবেই। এগুলো স্রষ্টা আগেই নির্ধারিত করে রেখেছেন। বর্তমান সমস্যাকে নিয়ে ভাবতে হবে। সাহসের সাথে সমস্যার মোকাবেলা করতে হবে। সব সময় ইতিবাচক চিন্তাভাবনা করা উচিত ভুলে গেলে চলবে না জীবনের পথ ফুল বিছানো নয়, কণ্টকাকীর্ণ। স্রষ্টা সব কিছুর নিয়ন্ত্রক।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।
