বাতের ব্যথা নিরাময়ে করনীয়

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  • 4.9K
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
    4.9K
    Shares

বাতের ব্যথা নিরাময়ে খাবারের দিকে নজর দিন

বাতের ব্যথায় বহু মানুষ কষ্ট পান। মহিলারা চল্লিশ বছর বয়সের পর ও পরুষেরা পঞ্চাশ বছরের পর থেকেই বাতের ব্যথায় ভুগতে থাকেন। সাধারণভাবে যে কোন ধরণের জয়েন্টের ব্যথাকে বাতের ব্যথা বলা হয়। আসলে বাতের ব্যথা হল ক্ষয়জনিত রোগ। ক্ষয় জীবনের ধর্ম, ক্ষয় হবেই। ডাক্তারদের সেখানেই চ্যালেঞ্জ- ক্ষয়ের হার কীভাবে কমানো যায়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় মৃত্যু তো হবেই, কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞানের সঙ্গে মৃত্যুর হার কমানোটাই চ্যালেঞ্জ।

একটু সহজ করে বুঝিয়ে বলি, দুটো হাড়ের মধ্যে একটা জেলির মতো নরম কার্টিলেজ থাকে। একে শক অ্যাবজর্ভারের কাজ করে। অনেকটা কাঁচের জিনিস প্যাকিং করার সময় যে কারণে থার্মোকল বা খড় দেওয়া হয় সেরকম। এখন বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কার্টিলেজ ফেটে ফেটে যায় ও ভঙ্গুর হয়ে যায়। ফলে অল্প আঘাতেই কার্টিলেজ ভেঙ্গে যায় বা ক্ষয়ে যায়। এখান থেকেই বাতের ব্যথা শুরু হয়। উঠতে-বসতে বা বেশি চলাফেরা করতে গেলে ব্যথা হয়। পরবর্তীকালে কার্টিলেজের যত ক্ষয় হতে থাকে হাড়গুলো একে অপরের কাছাকাছি চলে আসে।

হাড়ে হাড়ে ঘর্ষণ হয়। ফলে ব্যথার তীব্যতা বাড়তে থাকে ও হাড়ের ক্ষয় শুরু হয়। হাড়ের স্মুথ সারফেস ক্ষয় হয়ে যায় ও অমসৃণ স্থানে ক্যালসিয়াম ডিপজিশন হয়ে তৈরি করে অস্টিওফাইট। অ্যানাটমিক্যালি এই পরিবর্তন ফলে জয়েন্টের চারপাশের মাংসপেশি দুর্বল হয়ে যায়, জয়েন্টের বাঁধন আলগা রয়ে যায়। জয়েন্টের জোর কমে যায়, জয়েন্ট বেঁকে যায়। সুতরাং বাতের ব্যথা সরাতে হাঁড়ের ও মাংসপেশির চিকিৎসা এক সঙ্গে করতে হবে।

বাতের ব্যথা নিয়ে কষ্ট না পেয়ে যতদ্রুত সম্ভব চিকিৎসা নিতে হবে এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যাহারা বাতের ব্যথায় ভূগছেন তারা একজন বিশেষজ্ঞ  চিকিৎসকের চিকিৎসা ও পরামর্শে ভাল থাকতে পারেন। থেরাপি চিকিৎসা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বিহীন অত্যান্ত আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি। চিকিৎসক আপনার রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা ও পরামর্শ দিলে আপনি অবশ্যই বাতের কষ্ট থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন।

যে সব রোগগুলো এই বিশেষ পদ্ধতিতে সাফল্যের সঙ্গে চিকিৎসা করা হয় সেগুলো হল অস্ট্রিওআর্থ্রাইটিস (হাঁটু ব্যথা), স্পন্ডাইলোসিস (ঘাড় ও কোমর ব্যথা), সয়াটিকা, ফ্লোজেন সোলডার, ক্যালকেনিয়ান স্পার বা গোড়ালির হাড় বাড়া, রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস, গাউট, ফেসিয়াল পালসি, প্যারালাইসিস, মোটোর নিউরোন ডিজিজ ইত্যাদি।

ডা. মো: সফিউল্যাহ্ প্রধান

পেইন প্যারালাইসিস ও রিহেব-ফিজিও বিশেষজ্ঞ
যোগাযোগ:- ডিপিআরসি হাসপাতাল লি: (১২/১ রিং-রোড, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭)
শ্যামলী ক্লাব মাঠ সমবায় বাজারের উল্টো দিকে
সিরিয়ালের জন্য ফোন: ০১৯৯-৭৭০২০০১-২ অথবা ০৯ ৬৬৬ ৭৭ ৪৪ ১১

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

3 × two =