আকর্ষণীয় ফিগারের জন্য ব্যায়াম

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  • 71
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
    71
    Shares

আকর্ষণীয় ফিগারের জন্য ব্যায়াম

একথা সত্য যে মেয়েদের সৌন্দর্য তার ফিগারে। এই ফিগারটাই নষ্ট হয়ে যায় পেটে যদি মেদ জমে। এ এক বিড়ম্বনা। অনেক কারণেই পেটে মেদ জমতে পারে যেমন: সাম্প্রতিক বাচ্চাদান, অতিরিক্ত মদ্য পান, অতিরিক্ত সময় সোফায় বসে থাকা, বেশি খাবার গ্রহণের সাথে কম শারীরিক পরিশ্রম ইত্যাদি। তবে যে কারণেই পেটে মেদ জমুক না কেন ব্যায়ামের মাধ্যমে আপনি আপনার ফিগারটাকে ঠিক করতে পারেন। সপ্তাহে তিন কিংবা চারবার এ ধরনের ব্যায়াম করলে আপনার পেশি টানটান হবে। আজ থেকেই শুরু করুন। এ ব্যায়াম তেমন কঠিন কিছুই নয়। দিনে মাত্র ১০ মিনিট সময় দিন, দেখবেন কেমন স্লিম, আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে আপনার শরীর।

”ফেসবুক পেজ লাইক করুন”

ব্যায়াম নম্বর এক

ম্যাট কিংবা কার্পেট বিছানো মেঝের ওপর শুয়ে পড়ুন। আপনার হাত দু’টো আলতোভাবে মাথার পেছনে নিন। হাঁটু দু’টো বাঁকা করুন এবং পায়ের পাস দু’টো মেঝের ওপর রাখুন। এবার আপনার পেটটাকে ব্যবহার করে ম্যাট থেকে ধীরে ধীরে আপনার মাথা, দু’কাঁধ এবং পিঠের ওপরের অংশ তুলতে থাকুন। এ সময়ে আপনার পেটটাকে শক্ত রাখুন এবং নিশ্বাসের সাথে বাতাস বের করে দিন। এভাবে কিছুক্ষণ থাকুন, তারপর আবার শুয়ে পড়ুন। ব্যায়ামটা ১০- ১৫ বার করুন।

ব্যায়াম নম্বর দুই

আগের মতোই শুরু করুন অর্থাৎ মেঝের ওপর শুয়ে পড়ুন। হাত দু’টো আলতোভাবে মাথার পেছনে নিন, হাঁটু বাঁকা করুন এবং পায়ের পাস দু’টো মেঝের ওপর রাখুন। শরীরের ওপরের অংশ ম্যাট থেকে ধীরে ধীরে তুলুন। এবার আপনার শরীরটাকে ঘোরান, আপনার বাম কাঁধটাকে ডান হাঁটুর দিকে টানুনন। এভাবে কিছুক্ষণ থেকে আবার আগের অবস্থায় ফিরে যান, তারপর একইভাবে অন্য দিকে শরীরটাকে ঘোরান, ডান কাঁধটাকে বাম হাঁটুর দিকে নিন। ব্যায়ামটি প্রতিদিনে ১০-১৫ বার করুন।

ফেসবুক গ্রপ জয়েন করুন

ভালো ফলের জন্য ধীরে চলুন

তাড়াহুড়ো করবেন না। এক শ’ বার এ ধরনের ব্যায়াম করার প্রয়োজন নেই। ভালো ফল লাভের জন্য ধীর নীতি মেনে চলুন। যদি ধীরে চলতে পারেন তাহলে দ্রুত আপনার পেটের মেদ কমে যাবে, আপনার পেট হয়ে উঠবে আসলে যা তার চেয়ে আরও সুন্দর। কতক্ষণ ব্যয়াম করবেন? দিনে ১০ মিনিট? সেটাই যথেষ্ট। ছয় থেকে আট সেকেন্ড আপনি একটি ব্যায়াম সম্পূর্ণ করতে পারেন। করার সময় ধীরে ধীরে গুণতে থাকবেন। যেমন : এক, দুই, তিন, চার….। শরীর ওঠানোর সময় এভাবে গুণবেন। তারপর আবার যখন শুয়ে পড়বেন তখন পাঁচ, ছয়, সাত, আট এভাবে গুণতে গুণতে শোবেন।

আরও পড়ুনঃ ব্রণ, এক পরিচিত সমস্যা।

গণসচেতনায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

two × 1 =