
নিশ্চিয় অবাক হচ্ছেন এ কেমন কথা আবার। হয়তো ইতিপূর্বে কোনদিন শুনেননি তাই অবাক হচ্ছেন। আর হ্যাঁ অবাক হবারই কথা। কারণ রাতে ঘুমাতে গেলে সারাজীবন কাপড় চোপড় পড়ে ঘুমিয়েছেন কিন্তু কাপড় না পড়ে উলঙ্গ অবস্থায় কিভাবে সম্ভব। হ্যাঁ, এটাও সম্ভব। আপনি তাই করবেন আজকে যদি এর উপকারিতাগুলো জানতে পারেন। তো চলুন আমরা জেনে নিই গবেষকরা কি বলেন কাপড় ছাড়া ঘুমানোর ব্যাপারে।
সুনিদ্রার জন্য
তাহলে কি যাঁরা কাপড় পরে ঘুমান তাঁদের কি ঘুম ভালো হয় না? না, এমন কথা নয়৷ তবে ২০০৪ সালের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, শরীরের তাপমাত্রা ঘুমের ওপর প্রভাব ফেলে৷ তাই গরমে কাপড় পরে ঘুমালে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়, তাতে ঘুম ভালো হয় না৷ সে অবস্থায় শরীরে কোনো কাপড় না থাকলে ক্ষতি নেই, বরং লাভই বেশি, কেন না ঘুম হবে দারুণ!
দাম্পত্য জীবনে সুখী হতে:
গবেষণা বলছে, দাম্পত্য জীবনে স্বামী-স্ত্রী নগ্ন হয়ে ঘুমানো নাকি ভালো৷ ইউএসএ কটন ২০১৪ সালে এক জরিপ চালিয়ে দেখেছে, জরিপে অংশ নেয়াদের মধ্য যাঁরা নগ্ন হয়ে ঘুমাতে অভ্যস্ত, তাঁদের মধ্যে শতকরা ৫৭ ভাগই মনে করেন যে তাঁরা সুখী৷ পাজামা পরে যাঁরা ঘুমান তাঁদের মধ্যে সুখী যুগল ছিল শতকরা ৪৮ ভাগ৷
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে:
মাইক ডট কম নামের একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে বলা হয়, শরীরে ত্বক যদি ত্বকের সরাসরি সংস্পর্শে থাকে, তাহলে স্ট্রেস হরমোন ‘কর্টিসল’ হ্রাস পায়৷ ফলে কর্টিসল যে কারণে রোগপ্রতিরোধ বাধাগ্রস্থ করে, সে সমস্যাটা কমে যায়৷ শরীরের এক অংশের ত্বক অন্য অংশের ত্বকের সংস্পর্শে থাকলে ‘অক্সিটোসিন’-এর মাত্রা বেড়ে যায়, যাতে উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের উপকার হয়৷
নারীদের জন্য ভালো:
ডাক্তার জেনিফার লান্ডা কসমোপোলিটান ম্যাগাজিনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, সব সময় কাপড় পরে ঘুমালে মেয়েদের বিশেষ কিছু রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়৷ তিনি জানান, কাপড় পরার ফলে শরীরের তাপমাত্রা একটু বেশি থাকে আর তাপমাত্রা খুব বেশি হলে মেয়েদের যোনিপথের আশপাশে খুব তাড়াতাড়ি ছত্রাক বা ব্যাক্টেরিয়া বাড়তে থাকে৷
গুহাবাসীদের মতো জীবনযাপন:
দু’বছর আগেই নিউরোলজিস্ট ব়্যাচেল সালাস ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেছিলেন, গুহামানবদের মতো আধুনিক, ফ্যাশন সচেতন মানুষেরও গায়ে সুতা না রেখে ঘুমানো ভালো৷ তিনি বলেন, ‘‘আমাদের পূর্বসূরীরা একসময় নগ্নই ঘুমাতেন৷ মাংসাসী প্রাণীদের হাত থেকে বাঁচার জন্য তাঁরা মূলত গুহায় ঘুমাতেন এবং তা নগ্ন হয়ে৷ তাই নগ্ন হয়ে ঘুমালে আজও আমরা কিছুটা নিরাপদ বোধ করি৷’’
ডাঃ এম এম জালাল উদ্দিন
মানসিক রোগ, মাথা ব্যথা ও মৃগীরোগ বিশেষজ্ঞ
চেম্বার: ডিপিআরসি হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনোস্টিক ল্যাব লি:
(১২/১ রিং রোড, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭)
ফোনঃ ০৯৬৬৬ ৭৭ ৪৪ ১১
সক্ষাতের সময়: রাত ৮টা- রাত ১০ টা
(শনি থেকে বুধবার)
medicalbd সাস্থের সকল খবর।
