অফিসে কাজ করেও ফিট থাকবেন যেভাবে

অফিসে কাজ করেও ফিট

চাকুরিজীবিদের দৈনন্দিন জীবনের বেশিরভাগ সমসয়টাই অফিসে কাটে কেউ কেউ আছেন যারা ঘন্টার পর ঘন্টা একটানা কাজ করে যান। কিন্তু এটি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কেননা, একটানা বসে থাকলে স্বাস্থ্যগত নানা সমস্যার দেখা দিতে পারে। এর ফলে একসময় যে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। কিন্তু তাই বলে তো আর চাকরি বাদ দেয়া যায় না। কাজেই স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আগে থেকেই সতর্ক থাকুন। এ সময় এমন কিছু কাজ করুন যাতে অফিসে ৬/৭ ঘন্টা বসে থেকেও আপনি একবাবেই ফিট থাকতে পারেন।

এক্ষেত্রে ফিট থাকতে কাজের ফাঁকে যা করবেন-

কাজের ফাঁকেই কিছুক্ষণের জন্য দাঁড়ান দীর্ঘক্ষণ দরে কাজের মধ্যে ডুবে থাকলে শরীরের উপর এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে। কাজেই স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজের ফাঁকেই কিছুক্ষণের জন্য দাঁড়িয়ে পড়েন। চাইলে সুযোগ পেলে একটু হাঁটাহাঁটি করতে পারেন। এয়াড়া দুপুরের খাবার বিরতিতে একটু হাঁটাচলার চেষ্ঠা করুন। ইংল্যান্ডের নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন অফিস চলাকালীন সময়ে কমপক্ষে দুই তিন ঘন্টা দাঁড়িয়ে কাটানো উচিত। তাহলে অফিসে ফিট থাকা সহজ হয়।

ডেস্ক পরিষ্কার রাখুন:

অফিসে ফিট থাকতে প্রতিদিন কাজের আগেই কী বোর্ড, মাউস এবং ফোন পরিষ্কার করে নিন। কেননা এগুলোতে প্রচুর জীবাণু ছড়িয়ে থাকতে পারে। যা আপনার অসুস্থতার কারণ হতে পারে।

চোখের যত্ন নিন:

একটানা কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপের মনিটরের দিকে তাকিয়ে তাকলেও চোখে ঝাঁপসা হওয়াসহ আরও নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। কাজেই ফিট থাকতে চোখ থেকে এক হাত দুরত্বে মনিটর রাখতে পারলে বেশি ভালো হয়। কারও কারও ক্ষেত্রে এ অবস্থান দেখতে সমস্যা হলে তারা ফ্রন্ট বড় করে নিতে পারেন।

স্বাস্থ্যকর খাদ্যভ্যাস বজায় রাখুন:

অফিসে ফিট থাকতে দুপুরের খাবার বিরতিতে স্নাক্স, জাঙ্ক ফুড একেবারেই এড়িয়ে চলুন। এর পরিবর্তে সবসময় স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। এ সময় ফলজতীয় কোন খাবার থেকে পারলে আরও বেশি ভালো হয়। লাঞ্চে স্বাস্থ্যকর খাবার খেলে তা দীর্ঘসময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। ফলে আপনিও ভালো বোধ করবেন। তবে এ সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করাও কিন্তু সমান জরুরি।

কাজে বিরতি নিন:

জরিুরি কোন কাজও একটানা করা ভালো নয়। এতে স্বাস্থ্যের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে। এর বদলে বরং ছোট ছোট কাজ করুন। তাহলে দেখবেন কাজটি কেমন ভালোভাবে সম্পূর্ণ হয়েছে এবং মেজাজটাও ফুরফুরে আছে। গবেষকরা বলেছেন, প্রতি ২০ মিনিট পর পর এশবার উঠে দাঁড়াতে পারলে কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পূর্ণ হওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যও ভালো থাকে।

ঘাড়ের ব্যায়াম করুন:

একটানা একই স্থানে বসে থাকলে ঘাড় ও কাঁধে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। কাজেই স্বাস্থ্যগত নান জটিলতা এড়াতে কাজের ফাঁকেই ঘাড়ের ব্যায়াম করে নিন। চাইলে ঘাড়টাকে এদিক-সেদিকও ঘোড়াতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ হাই হিল সাস্থের অনেক ক্ষতিকর।

গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*