অ্যানিউরিজম বা স্ফীত রক্তনালী

অ্যানিউরিজম বা স্ফীত রক্তনালী অপারেশন চিত্র

অ্যানিউরিজম বা স্ফীত রক্তনালী 

ধমনির কোথাও কোথাও অস্বাভাবিকভাবে ফুলে অ্যানিউরিজম রোগের সৃষ্ঠি হয়। ফোলা স্থানে রক্ত জমাট বেঁধে নতুন নতুন জটিলতা সৃষ্ঠি করতে পারে। বুক ও পেটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত মহাধমনি থেকে শুরু করে শরীরে অন্যান্য অংশেও এই রোগ হতে পারে। যেমন- কুঁচকি, হাঁটুর পেছনে, বগলের নিচে ও ঘাড়ের রক্তনালীতে। এসব ক্ষেত্রে কৃত্রিম রক্তনালী ছাড়াও পা থেকে শিরা তুলে নিয়ে বাইপাস অপারেশনের মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। অপারেশন না করে কসমেটিক উপায়েও (অন্ডোভাসকুলার) মাধ্যমে এই রোগের চিকিৎসা করা যায়। কৃত্রিমভাবে প্রস্তুত রিং বা স্টেন্ট অথবা আংটি স্টেন্ট গ্রাফট) আক্রান্ত রক্তনালীর ভেতর স্থাপন করে রোগীকে অল্প সময়েই হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফেরত পাঠানো যায়। এ ক্ষেত্রে কাটাছেঁড়া না করেই চিকিৎসা করা সম্ভব।

এনজিওগ্রাম

পরবর্তী জটিলতায় কারো কারো শরীরে কুঁচকির রক্তনালীতে এক ধরনের কম্পন অনুভ’ত হয় ( সিউডো-অ্যানিউরিজম)। বিলম্বে চিকিৎসায় অনেক জটিলতা তৈরি হয়। প্রাথমিকভঅবে ডপলার পরীক্ষার (কম্পিউটার পরীক্ষা) মাধ্যমে অপারেশন ছাড়াই চাপ থেরাপির মাধ্যমে এ রোগের চিকিৎসা করা যায়।

কারো কারো ঘাড়ের এক বা উভয় দিকে অতিরিক্ত হাড় থাকে, যাকে বলা হয় সার্ভিক্যাল রিব। এতে বেশির ভাগ সময় কোনো সমস্যা সৃষ্ঠি হয় না, কিন্তু কখনো হাতের রক্তনালী বা নার্ভের ওপর চাপ পড়ে হাতে ব্যথা হয়। রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধে। পরবর্তীকালে জমাট রক্ত ছুটে গিয়ে হাতের দূরবর্তী রক্তনালীতে আটকে ( থ্রোম্বো এম্বোলিজম) হাতে প্রচন্ড ব্যথা হয়, হাত ঠান্ডা ও কালো হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে জরুরিভিত্তিতে কালো হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে জরুরিভিত্তিতে অপারেশন দরকার হয়। যাদের ক্ষেত্রে সার্ভিক্যাল রিব উপসর্গ তৈরি করে তাদের বেলায় অপারেশনের মাধ্যমে এই অতিরিক্ত হাড় কেটে ফেলে দিতে হয়।

আরও পড়ুনঃ হরমোন রোগ-হাইপোথাইরয়ডিজম কি একবারে ভাল হয় ?

গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*