“নতুন জায়গায় ঘুম আসে না কেন”- জেনে নিন কি করবেন?

নতুন জায়গায় ঘুম না আসলে কি করবেন?

আমরা প্রায়ই আত্নীয় স্বজনদের বাড়িতে বেড়াতে যাই। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রেই আমরা দেখি যে  জায়গার পরিবর্তন হওয়ার ফলে ঘুম আসে না বা ভালোভাবে ঘুমাতে পারে না। কখনোও কি ভেবে দেখেছেন ঠিক কি কারণে জায়গার পরিবর্তন হলে ঘুম আসে না? আমরা আজকের এই আর্টিকেলটিতে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব এবং কিভাবে নতুন জায়গায় ঘুমাতে পারেন তাও জানবো।

আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক যেকোন তথ্য জানতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে সাথেই থাকুন

কেন নতুন জায়গায় ঘুম হয় না?

প্রথমেই জেনে নিই কেন নতুন জায়গায় আমাদের ঘুম আসে না বা ঘুমাতে সমস্যা হয়। প্রায়ই শোনা যায় ‘নতুন জায়গা, তাই ভালো ঘুম হয়নি৷’ কিন্তু এর আসল কারণ কী? এ সম্পর্কে জাপানের নিউরোলজিস্টরা জানান, অপরিচিত জায়গা বা বিছানায় ঘুমালে মস্তিষ্কের এক পাশ, অন্যপাশের চেয়ে বেশি সতর্ক হয়ে থাকে যে কোনো শব্দের ক্ষেত্রেই৷ প্রথমদিন অচেনা পরিবেশে মস্তিষ্ক পুরোপুরি বিশ্রাম নিতে পারে না৷ তবে পরের দিন দু’পাশই আবার একই রকম শান্ত হয়ে যায়৷

টিভি কম দেখুন

সারাদিন সোফায় আরাম করে বসে টিভি দেখেন?  হাঁচা-চলা করতে ভালো লাগে না? তাহলে কিন্তু আপনাকে সত্যিই সাবধান হতে হবে৷ বেশিক্ষণ টিভি দেখলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা হ্রাস পায়।  একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যাঁরা বসে বসে বেশিক্ষণ টিভি দেখেন, তাঁদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা অন্যদের তুলনায় অনেক দুর্বল৷

কঠিন কাজটি দিনের শুরুতেই করুন

সবচেয়ে কঠিন কাজটি সকালে করার পরামর্শ দিয়েছেন ডেনমার্কের এক গবেষকদল৷ তাঁরা মোট ৫৭০, ০০০ জন ছাত্র-ছাত্রীর মধ্যে একটি গবেষণা করে দেখিয়েছে যে, পরীক্ষা যত সকালে হয় তার ফলাফলও তত ইতিবাচক হয়৷ এমনকি পরীক্ষার আগে যারা আধঘণ্টার বিশ্রাম নেয়, তাদের মধ্যেও মনোযোগ বেশি হয়৷ অর্থাৎ সকালেই মানুষ থাকে তার সেরা ফর্মে তাই সকালেই সেরে ফেলুন আপনার গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো।

ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমছে

সাধারণত বিশ্বে শিল্পোন্নত দেশেগুলোতে মানুষের আয়ু যত বাড়ে, আলৎসহাইমা রোগের ঝুঁকিও ততটাই বাড়ে৷ বিশেষজ্ঞরা এতদিন বলতেন এমনটাই৷ কিন্তু সম্প্রতি ‘নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিসিন’-এ প্রকাশ করে যে, ৮-এর দশকে ডিমেনশিয়ার আক্রান্ত হয়েছেন বিশ্বের শতকরা ৩,৬ ভাগ মানুষ৷ আর ২০১০ সালের হিসেবে সংখ্যাটি হলো ২,২ ভাগ৷

খেলাধুলা মগজকে প্রসারিত করে

খেলাধুলা বা ফিটনেসের সাথে মস্তিষ্কের রয়েছে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক৷ খেলাধুলা বা হাঁটা-চলা কম হলে আপনার মস্তিষ্ক বা মগজ তাড়াতাড়ি সংকুচিত হয়ে যায়৷ তাই নিয়মিত খেলাধুলা বা শরীর চর্চা করা উচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*