স্টেরয়েড দেয়া পশু চেনার ৫টি সহজ কৌশল

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  • 545
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
    545
    Shares

স্টেরয়েড দেয়া পশু চেনার ৫টি সহজ কৌশল

ঈদ উল আযহার মূল কাজ হলো ভালো দেখে একটি কোরবানির পশু কেনা। কিন্তু সে কাজটিই এখন কঠিন হয়ে পড়েছে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে। কোরবানির পশুকে স্টেরয়েড প্রয়োগ করে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে নিয়ে আসা হয়ে হাটে আর সেই বিষাক্ত মাংস শেষ পর্যন্ত যায় নিরীহ মানুষের পেটে। স্টেরয়েড ব্যবহার করে খুব কম সময়ে পশুকে মোটাতাজা করে ফেলা যায়। আমাদের কাছে মনে হয় পশুটি স্বাস্থ্যবান। কিন্তু এসব ওষুধে পশুটি হয়ে পড়ে অসুস্থ আর অসুস্থ পশুকে কোরবানি না দেওয়াই উচিত। তার পাশাপাশি এই পশুর মাংস খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে চলে আসে এসব ওষুধ। ফলশ্রুতিতে এসব রাসায়নিক জমা হয় আমাদের ফুসফুসে। অকেজো করে দিতে পারে আমাদের কিডনি এবং হৃৎপিণ্ডের ক্ষতিও করতে পারে। এত সব ক্ষতি এড়াতে জেনে নেওয়া দরকার স্টেরয়েড দেওয়া পশুর কিছু বৈশিষ্ট্য যা বাইরে থেকে দেখেই বোঝা যেতে পারে।

১) পশু খাওয়া দাওয়ায় অনীহা দেখাবে সুস্থ পশু দেখতে যেমনি হোক না কেন তার মুখের সামনে খাবার ধরলে সে বেশ উৎসাহ নিয়েই খাবে। কিন্তু স্টেরয়েড দেওয়া পশু অসুস্থ থাকার কারণে সে খাওয়া দাওয়া করতে চায় না।

২) পশুর শরীরে পানি আসে- সুস্থ পশুর স্বাস্থ্য ভালো হবার কারণ হলো সুগঠিত পেশি এবং চর্বির উপস্থিতি। কিন্তু স্টেরয়েড দিলে পশুর শরীরে পানি এসে একে মোটা দেখায়। পশুর শরীরে আঙ্গুল দিয়ে চাপ দিলে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন তা কি পেশি নাকি চামড়ার নিচে জমে থাকা পানি।

৩) পশু শান্ত থাকে এবং নড়াচড়া করে না- কুরবানির হাটে থাকা পশু বেশিরভাগ সময়েই অস্থির হয়ে থাকে। হাটের হট্টগোলের মাঝে তারা বারবার দরি ছিঁড়ে ফেলার চেষ্টা করে, এদিক ওদিক তাকায় এবং সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু স্টেরয়েড দেওয়া অসুস্থ পশু একটা ঘোরের মধ্যে থাকে। হাটে আসলেও সে শান্ত থাকে। খুব একটা নড়াচড়া না করে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকে একই জায়গায়।

৪) মুত্রত্যাগ কম করবে- স্বাভাবিক পশুকে যে পরিমাণ পানি দেওয়া হয় তার ওপর নির্ভর করে দিনে বেশ কয়েকবার সে মূত্রত্যাগ করে। কিন্তু স্টেরয়েড দেওয়া পশু দিনে মাত্র একবার বা দুইবার মূত্রত্যাগ করবে।

৫) স্বাভাবিকের চাইতে অনেক বেশি মোটা উরু- যেহেতু পশুর উরুর ওপরের দিকেই ইনজেকশন দিয়ে স্টেরয়েড প্রয়োগ করা  হয়, ফলে সে এলাকাটি বেশি ফুলে থাকে এবং মোটা দেখা যায়।

আরও পড়ুনঃ ডালের পুষ্টিগুণ ব্যবহার জেনে নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

four × four =