খাদ্যাভাসে পরিবর্তন আনুন ওজন কমান

খাদ্যাভাসে পরিবর্তন আনুন ওজন কমান

খাদ্যাভাস পরিবর্তন করুনঃ

গরু, খাসির মাংস, ডালজাতীয় খাবার মিষ্টিজাতীয় খাবার, তৈলাক্ত খাবার খাদ্য তালিকা থেকে কমিয়ে শাকসবজি, তরিতরকারি, ফলমূল খাদ্য তালিকায় বেশি করে রাখুন। নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করুন এাবং যাদের দুপুরে ঘুমানো অভ্যাস আছে, তা বন্ধ করে রাতে শিগারিরই শুয়ে পড়েন

কোমর, হাটু ও ঘাড় ব্যথা রোগীদের জন্য ডাঃ প্রধানের উপদের্শঃ

১. ব্যথা বেশী হলে ৭ দিন সম্পূর্ণ বিশ্রাম নিবেন।

২. বিশেষজ্ঞ ফিজিওতেরাপি চিকিৎসকের নির্দেশমত ফিজিওথেরাপি নিতে হবে, প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিতে হবে।

৩. ব্যথার জায়গায় গরম/ঠান্ডা স্যাক দিবেন ১০-১৫ মিনিট। নতুন আঘাত প্রাপ্ত স্থানে গরম সেক দেয়া নিষেধ।

৪. বিছানায় শোয়া ও ওঠার সময় যে কোন একদিকে কাত হয়ে হাতের উপর ভর দিয়ে শোবেন ও উঠবেন।

৫. মেরুদন্ড ও ঘাড় নীচু করে কোন কাজ করবেন না।

৬. নীচু জিনিস যেমন- পিড়া, মোড়া বা ফ্লোওে না বসে চেয়ারে পীঠ সাপোর্ট দিয়ে সোজা করে বসবেন।

৭. ফোম ও জাজিমে না শুয়ে উঁচু শক্ত সমান বিছানায় শোবেন। ১-২ ইঞ্চি পুরুপ্ত তোষক মেট্রেস ব্যবহার করবেন।

৮. মাথায় বা হাতে ভারী ওজন/বোঝা বহন করা নিষেধ।

৯. দাঁড়িয়ে বা চেয়ারে বসে রান্না করবেন। ঘর ঝাড়/মোছার সময় দাড়িয়ে করবেন।

১০. ব্যথা না থাকলে স্বাভাবিক নিয়মে নামাজ পরবেন।

১১. ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকের নির্দেশমত দেখানো ব্যায়াম নিয়মিত করবেন, ব্যথা বেড়ে গেলে ব্যায়াম বন্ধ রাখবেন।

১২. শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন, পেট ভরে খাওয়া নিষেধ, অল্প অল্প করে বার বার খাবেন আগের চেয়ে অর্ধেক কম খাবেন।

১৩. লাল মাংস (চার পা পশুর মাংস) ডাল জাতীয় খাবার, মিষ্টি, ঘি, ডালডা, চর্বি, ফাষ্টফুড, সামুদ্রিক মাছ পুইশাক নিষেধ।

১৪. সিঁড়িতে ওঠার সময় ধীরে ধীরে হাতল ধরে উঠবেন। ঝরনায় বা চেয়ারে বসে গোসল করবেন।

১৫. মেরুদন্ড সব সময় সোজা রাখবেন, সেলুন বা ম্যাসেজ পার্লারের গিয়ে ম্যাসেজ করবেন বা কাউকে দিয়ে কোন প্রকার মালিশ করা নিষেধ।

১৬. দীর্ঘক্ষণ এক বসে বা দাঁড়িয়ে থাকবেন না, ১ ঘন্টা পর পর অবস্থান বদলাবেন।

১৭. শোবার সময় একটি পাতলা নরম বালিশ ব্যবহার করবেন। প্রয়োজনে সারভাইকেল পিলো ব্যবহার করবেন।

১৮. বাহিরে চলাফেরা করার সময় কোমরের বেল্ট ব্যবহার করবেন, শোবার সময় ও ব্যায়াম করার সময় অবশ্যই বেল্ট খুলে রাখবেন। ৩ মাসের বেশী একটানা কোমরের বেল্ট ব্যবহার করা যাবে না।

১৯. হাই হিল যুক্ত জুতা ব্যবহার করবেন না, নরম সোলের জুতা ব্যবহার করবেন, খালি পায়ে হাঁটবেন না।

২০. ব্যথা তীব্র হলে উঁচু কমোডে বসে টয়লেট করবেন।

২১. চলাফেরায় ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহন ও রাস্তা চলবেন ও সামনের বা মাঝামাঝি আসনে বসবেন।

২২. ব্যথা কমে গেলে নিয়মিত সমতল জায়গায় কমপক্ষে ২ ঘন্টা হাটুন।

ডা. মো: সফিউল্যাহ্ প্রধান

পেইন প্যারালাইসিস ও রিহেব-ফিজিও বিশেষজ্ঞ
যোগাযোগ:- ডিপিআরসি হাসপাতাল লি: (১২/১ রিং-রোড, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭)
শ্যামলী ক্লাব মাঠ সমবায় বাজারের উল্টো দিকে
সিরিয়ালের জন্য ফোন: ০১৯৯-৭৭০২০০১-২ অথবা ০৯ ৬৬৬ ৭৭ ৪৪ ১১

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*