অ্যাড্রেনাল গ্ল্যান্ড বা অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি আমদের বেঁচে থাকার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ

অ্যাড্রেনাল গ্ল্যান্ড

অ্যাড্রেনাল গ্ল্যান্ড

অ্যাড্রেনাল গ্ল্যান্ড বা অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি 

অ্যাড্রেনাল গ্ল্যান্ড বা অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি আমদের বেঁচে থাকার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটির আরেক নাম আছে। সুপ্রারেনাল গ্ল্যান্ড। আমাদের প্রত্যেকের শরীরে ২টি কিডনী থাকে। কিডনীর মাথার উপর থাকে এই সুপ্রারেনাল বা অ্যাড্রেনাল গ্ল্যান্ড। ২ কিডনির উপরে ২টি গ্ল্যান্ড থাকে। যদিও ২ুট গ্ল্যান্ড দেখতে কিন্তু আবার একই রকম নয়।ডানদিকেরটি ক্রিকোনাকৃতির আর বামদিকের গ্ল্যান্ডটি অর্ধচন্দ্রের মতো। অ্যান্ড্রোনাল গ্ল্যান্ড ২.৫ ইঞ্চি লম্বা এবং ১ ইঞ্চি চওড়া হয়। দেখতে হলুদাভ এই গ্রন্থির শরীরে ভূমিকা অপরিসীম।

অ্যান্ড্রোনাল গ্ল্যান্ডের ৩টি অংশ থাকে। সবার বাইরে থাকে ক্যাপসুল। ক্যাপুসলের নিচে থাকে কর্টেক্স এবং একদম ভেতরের দিকে থাকে মেডুলা। কর্টেক্সে আবার ৩টি স্তর থাকে। সবার বাইরে থাকে জোনো গ্লোমেরুলোসা সেখান থেকে এলডোস্টেরন বের হয় ইট পানি এবং মিনারেলে ভারসাম্য রক্ষা করে। মাঝের স্তরের নাম ‘জোনা ফ্যাসিকুলাট’। এখান থেকে; বের হয় কর্টিসল। কর্টিসলে কাজ ব্যাপক। এটি প্রদাহ কমায়, শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রেণেও সহায়তা করে। সবচেয়ে ভেতরের স্তরের নাম ‘জোনো রেটিকুলারিস’। সেখান থেকে বের হয় সেক্স হরমোন। যৌনতার এই হরমোনের প্রভাব রয়েছে।

অ্যাড্রেনাল গ্ল্যান্ডের মেডুলা থেকে ৩টি হরমোন বের হয়। এপিনেফ্রিন, নর এপিনেফ্রিন এবং ডোপামিন। এপিনেফ্রিনকে এড্রিনালিন এবং নরএপিনেফ্যিনকে নর এড্রেনালিনও বলা হয়। এগুলোকে স্ট্রেস হরমোন বলা হয়। বিভিন্ন স্ট্রেসে এই হরমোনগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অ্যান্ড্রোনাল গ্ল্যান্ড যদি ঠিকমতো হরমোন তৈরি করতে না পারে তবে এডিসন’স ডিজিজ হয়। এড্রিনাল গ্ল্যান্ডের বিভিন্ন অংশ অনেক সময় বেশি বেশি হরমোন তৈরি করে। তখন আবার বিভিন্ন সমস্যা হয়। অ্যান্ড্রোনাল গ্ল্যান্ডে বিভিন্ন টিউমারও হয়।
অ্যাড্রেনাল গ্ল্যান্ড খুব বড় নয় কিন্তু আমাদের বেঁচে থাকার জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।

আরও পড়ুন : দেহের জন্য ক্ষতিকর কোলেস্টেরল থেকে সাবধান হোন

গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*