দুর্ঘটনায় হতাহত, অস্থায়ী বা স্থায়ী পঙ্গুত্বের একটি অন্যতম প্রধান কারণ। সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাপ্ত আঘাত সাধারণত মারাত্মক ধরনের হয়ে থাকে। একই ব্যক্তির একাধিক অস্থি ভঙ্গসহ অঙ্গহানি ও দেহের অন্যান্য অত্যাবশ্যক অংশ বা যন্ত্র আঘাতের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে মৃত্যু হতে পারে। একসঙ্গে বহু ব্যক্তি একই সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে। সড়ক দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। সড়ক দুর্ঘটনার মারাত্মক পরিণতির প্রতিচ্ছবি ও ক্রমাগত বৃদ্ধিপ্রাপ্ত সংখ্যা সম্যক উপলব্ধি করলে যে কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের লোক ভয়ে আৎকে উঠবেন।
এ ধরনের রোগীর চিকিৎসা জটিল, ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ। ফলে এদের আরোগ্য করার জন্য স্বল্পসংখ্যক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা হিমশিম খাচ্ছেন। আক্রান্ত ব্যক্তির পরিবারের ওপর বিরাট বোঝা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। পরিবার ও জাতির অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে। পুনর্বাসন সমস্যা প্রকট হচ্ছে। তাই সবাইকে আজ কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে হবে। ট্রাফিক আইন মেনে চলার জোর আওয়াজ তুলবে হবে। সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সড়ক দুর্ঘটনার কারণগুলোর প্রতিবিধান করতে পারলে এ ধরনের মারাত্মক অবস্থার উন্নতি ও এতে সৃষ্ট পঙ্গুর সংখ্যা হ্রাস করা সম্ভব।
সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণগুলোঃ
১. যানবাহন চালকদের অনুপযুক্ততা, অজ্ঞতা, স্বেচ্ছাচারিতা, গতির প্রতিযোগিতা ও নেশাগ্রস্থ থাকা।
২. ত্রুটিযুক্ত যানবাহন।
৩. পথচারীদের অজ্ঞতা ও অন্যমনষ্কতা।
৪. ত্রুটিযুক্ত ও সংস্কারবিহীন সড়কপথ।
৫. ট্রাফিক আইন লংঘন করার ও ফাঁকি দেয়ার প্রবণতা এবং এগুলোর সুযোগ থাকা।
৬. অবাধে সড়কপথে গবাদিপশুর চলাফেরা দ্বারা গতিসম্পন্ন বাহনের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা।
৭. আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কার্যকরী পদক্ষেপের অপূর্ণতা।
৮. যানবাহনের গতি মাল ও যাত্রীবহনের ওপর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকা।
দুর্ঘটনা স্থলে কর্তব্যঃ
১. আর্তের সেবায় এগিয়ে আসা উচিত। সামান্য সাহায্যে অমূল্য প্রাণ রক্ষা পেয়ে যেতে পারে।
২. অকুস্থলের সার্বিক অবস্থা আয়ত্বে রাখা প্রয়োজন। বিজ্ঞ একজনের নেতৃত্বে কাজ করা আবশ্যক।
৩. দুর্ঘটনাকবলিত যানের ভেতরের ও নিচের আহতদের উদ্ধার এবং মুহুর্তের মধ্যে রোগীর রোগীদের অবস্থা নিরূপণ ও ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৪. আহতদের মুখগহ্বর, শ্বাসনালী পরিষ্কার এবং শ্বাসক্রিয়া স্বাভাবিক রাখার জন্য মাথা ও ঘাড় টান অবস্থায় কাত করে রাখা প্রয়োজন হতে পারে। প্রয়োজন হলে কৃত্রিম উপায়ে শ্বাসপ্রশ্বাস চালু রাখতে হবে। ঘাড়ে আঘাত থাকলে ঘাড় পেছনের দিকে বা কাত করা নিষেধ।
৫. রক্তপাত হলে চেপে ধরে কাছে যে কাপড় আছে তা দিয়েই চাপ দিয়ে বাধা প্রয়োজন।
৬. প্রয়োজন হলে কারডিয়াক ম্যাসেজ দিতে হবে।
৭. অস্থি ভঙ্গের জন্য কাপড়, কাঠ, বাশ, লাঠি বা ছাতা স্পিন্ট হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
৮. অতিসত্ত্বর নিকটবর্তী হাসপাতালে রোগী নেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
৯. আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী সংস্থাকে খরব দিতে হবে।
পেইন প্যারালাইসিস ও রিহেব-ফিজিও বিশেষজ্ঞ
যোগাযোগ:- ডিপিআরসি হাসপাতাল লি: (১২/১ রিং-রোড, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭)
শ্যামলী ক্লাব মাঠ সমবায় বাজারের উল্টো দিকে
সিরিয়ালের জন্য ফোন: ০১৯৯-৭৭০২০০১-২ অথবা ০৯ ৬৬৬ ৭৭ ৪৪ ১১
medicalbd সাস্থের সকল খবর।

