
রমজানে একজন ডায়াবেটিস রোগী বেশ নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে চলা উচিত। কারণ এই সময় খাবারের এবং লাইফ স্টাইলের মাঝে অনেক পরিবর্তন চলে আসে। আর তাই রমজানে ডায়াবেটিস রোগীর কিছুটা অতিরিক্ত যত্ন নেওয়া উচিত । রজমানে ডায়াবেটিস রোগীর যেসব সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে যেমন:
- রক্তের শর্করা অতিরিক্ত কমে যাওয়া
- রক্তের শর্করা অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়া
- রক্তের অম্লত্ব বেড়ে যাওয়া
- পাণিশুন্যতা
আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক যেকোন তথ্য জানতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে সাথেই থাকুন
রমজানে খাওয়া-দাওয়া
ডায়াবেটিস রোগীর রমজানে খাওয়া দাওয়ার বিষয়ে কিছু নিয়ম মেনে চলা জরুরি।রমজানে সাধারণত তিনবার খাওয়া হয়। তা হলো
- ইফতার
- রাতের খাবার
- সেহেরী।
ইফতার
পাণিশুন্যতা রোধ এবং শরীরে বিভিন্ন ক্রিয়ার জন্য শরবত একটি অপরিহার্য পানীয়। বিকল্প চিনি দিয়ে
- ইসুবগুল
- তোকমা
- লিচু
- কাঁচা আম
- কদবেল
- তেঁতুলের শরবত খাওয়া যেতে পারে।
অথবা একটি কচি ডাব খাওয়া যেতে পারে। ইফতারের খাবারের পরিমাণ পরিমাণ হবে সকালের নাস্তার সমপরিমাণ।
- ছোলা ভাজা – ১/২ কাপ
- পেঁয়াজু -২ টা
- বেগুনি – ২ টা
- মুড়ি দেড় কাপ
- খেজুর ১টা
- পানি পরিমাণ পর্যাপ্ত।
- শসা, খিড়া, গাজর, কাঁচা পেয়ারা- ইচ্ছামতো
সন্ধ্যারাতে যা খাওয়া যেতে পারে
- সন্ধ্যার খাবার একেবারেই বাদ দেওয়া উচিত নয়।
- সন্ধ্যারাতে হালকা মসলায় রান্না করা যে কোনো ছোট-বড় মাছ এবং সবজি থাকলে ভালো হয়।
- অন্যান্য সময়ের রাতের খাবারের সমপরিমাণ হবে এ খাবার।
- সন্ধ্যারাতে ভাত খাওয়া যাবে।
- তবে নিজ নিজ বরাদ্দ অনুযায়ী খাবারের পরিমাণের দিকে খেয়াল রাখা জরুরি।
সেহেরী
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সেহরীর কিছু পূর্বে খাওয়া, সেহেরী খাওয়ার উপযুক্ত সময়। এতে দিন শেষে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি কমবে।
- সেহরীতে রুটি অথবা ভাত পছন্দ অনুযায়ী গ্রহণ করা যাবে।
- সেহেরীতে খেতে হবে অন্যান্য দিনের দুপুরের খাবারের সমপরিমাণ খাবার।
- মাংসের পরিবর্তে ডিমও খাওয়া যেতে পারে।
- সেহরীতে এক কাপ দুধ খাওয়া যাবে।
- ভাত, মাছ, মাংস, ডাল, শাকসবজি, ফলও খাওয়া যেতে পারে।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।
