ফিজিওথেরাপি আইন পাস হওয়ায় বন্ধ হচ্ছে ফিজিওথেরাপি অপচিকিৎসা ও সেন্টার

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  • 581
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
    581
    Shares

বাংলাদেশ স্বাধীনের দীর্ঘ ৪৭ বছর পর পুনর্বাসন চিকিৎসা সেবার উন্নয়নকল্পে বাংলাদেশ “রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল আইন ২০১৮“ বাস্তবায়ন-  আঘাতজনিত, বাথব্যথা, আর্থরাইটিস, স্নায়ুবিক কারণে, নন কমিউনিকেবল ডিজিস থেকে বা যে কোনো কারণে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি বা প্রতিবন্ধিতার ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের চিকিৎসার মাধ্যমে ব্যবহারিক জীবন মান উন্নয়ন ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার জন্য পাস হয়েছে ‘বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন আইন-২০১৮’ বিল নামে নতুন একটি আইন। এই কাউন্সিল চিকিৎসক, টেকনিশিয়ান, টেকনোলজিস্ট ও

পেশাজীবীদের নিবন্ধন, সনদ প্রদান এবং চিকিৎসার মান নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করবে। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের ২৩ তম  অধিবেশনের ২৯ অক্টোবর ২০১৮ সালে এই বিলটি পাস হয়। বিলটি পাস করার প্রস্তাব করেন, সমাজ কল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। এর আগে বিলের ওপর আনীত একটি সংশোধনী গৃহীত হয়। অপর সংশোধনীসহ জনমত যাচাই, বছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাবসমূহ কন্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। আইনে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবকে সভাপতি করে ৩৩ সদস্য নিয়ে বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। বিলে রিহ্যাবিলিটেশন পেশাজীবীরা নামের আগে বা পরে কী ধরনের পদবি, চিহ্ন, ডিগ্রি ব্যবহার করবেন। নিবন্ধিতদের জন্য তা কাউন্সিল নির্ধারণ করে দেবে।

কিন্তু অনিবন্ধিত কেউ এসব পদবি, চিহ্ন, ডিগ্রি ব্যবহার করলে কমপক্ষে সাত বছরের কারাদণ্ড বা দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে। আইনটি পাশ হবার ফলে দেশের ব্যাপক সংখ্যক দুর্ঘটনা কবলিত মানুষ উপকৃত হবে বলে সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন সংসদে জানিয়েছেন এবং আইনটির সাথে প্রতিবন্ধী অসহায় মানুষের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া জড়িত বলে আইনটি পাশে সকলের আকুণ্ঠ সমর্থনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি এসোসিয়েশন এর প্রতিষ্ঠাতা ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ঢাকা পেইন ফিজিওথেরাপি এন্ড রিহেবলিটেশন সেন্টার (ডিপিআরসি) হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ডা. মো. সফিউল্ল্যাহ্ প্রধান বলেন, এ আইন পাশ হবার কারণে ফিজিওথেরাপি স্বীকৃত ডিগ্রীবিহীন কেউ আর ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা দিতে পারবে না। পাশাপাশি ফিজিওথেরাপি চিকিৎসক, ফিজিওথেরাপি, টেকনোলজি-টেকনেশিয়ানকে তা এ আইনের মাধ্যমে পরিষ্কার হল। এতে করে কোনো ভুয়া ফিজিওথেরাপিস্ট আর জনগণের সাথে প্রতারণা করতে পারবে না। এইজন্য তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছেন।

বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি সোসাইটি, চট্টগ্রাম বিভাগের সভাপতি ডা.কামরুজ্জামান ( পিটি) বলেন এই কাউন্সিল বাস্তবায়ন হলে ফিজিওথেরাপি পেশায় অপচিকিৎসা বন্ধ হবে।বি আর সি আইন ২০১৮ এর অধিনে যত্র তত্র ব্যাংগের ছাতার মত ফিজিওথেরাপি সেন্টার গজালে মোবাইল কোটের মাধ্যমে অভিযান চালাবে সরকার। এতে পরিস্কার বলা যায় ফিজিও পেশায় মেডিকেল টেকনোলোজিস্ট ( ফিজিওথেরাপি) এবং ফিজিওথেরাপি টেকনিশিয়ান গন অবশ্যই ফিজিওথেরাপিস্ট এর তত্তাবধানে কাজ করবেন। ফিজিওথেরাপি টেকনিশিয়ান অথবা টেকনোলোজিস্ট গন কোন ভাবেই অন্য প্রফেশনাল দের তত্তাবধানে ছাড়া কাজ করতে পারবেন না। আমি আশা করি সাধারন রুগিগন এখন থেকে সঠিক নিয়মে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা সেবা পাবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

two × 3 =