কলেরা রোগের কারন ও প্রতিকার

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  • 44
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
    44
    Shares

কলেরা রোগের কারন ও প্রতিকার

কলেরা Vibrio cholerae নামক জীবাণু ঘটিত ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রদাহ জনিত সংক্রামক ব্যাধি। এ রোগে শরীর থেকে ঘনঘন চাল ধোয়া পানির মত মলত্যাগের সহিত প্রচুর পানি ও লবণ (Electrolytes) বের হয়ে যায়। এটি একটি কমা (,) আকৃতির  ব্যাকটেরিয়া যা কলেরা আক্রান্ত রোগীর মলে দূষিত পানির মাধ্যমে ছড়ায়। শরীরের অভ্যন্তরে প্রবেশের পর এ জীবাণু ক্ষুদ্রান্ত্রের গায়ে লেগে যায় এবং সেখানে দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে। এ সময় জীবাণু বিষ (Toxin) উৎপন্ন করে।

এ বিষ রিসেপ্টরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গ্যাংলিওসাইড (ganglioside) নামে ক্ষুদ্রান্ত্রের ভিলাইগুলিতে অবস্থান করে। এর ফলে জীবাণুর বসবাসের স্থানে ব্যাপকভাবে এডেনাইলেট সাইক্লেজ এনজাইমের (adenylate cyclase) কার্যক্রম বৃদ্ধি পায়। এ এনজাইম মূলত সাইক্লিক এএমপি (cAMP) তৈরির জন্য দায়ী যেটি ভয়ঙ্করভাবে অন্ত্রের নাড়াচাড়া বৃদ্ধি করে যার ফলে প্রচুর পাতলা পায়খানা হয়।

প্রাথমিকভাবে কলেরা রোগে দেহের প্রচুর তরল পদার্থ ও Electrolytes হারিয়ে যায়। কলেরা আক্রান্ত রোগী একদিনেই ৩০ লিটারের মতো তরল পদার্থ (মল) ত্যাগ করতে পারে। কলেরা রোগের কারণে হারিয়ে যাওয়া তরলের জন্য শরীরে যে পানিশূন্যতা দেখা দেয় তা নিয়ন্ত্রণ করা যায় রক্তনালিকার মাধ্যমে বা মুখে শরীরে তরল পদার্থ প্রবিষ্ট করিয়ে, যাতে থাকে সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ক্লোরাইড আয়ন, গ্লুকোজ এবং অল্প পরিমাণ বাইকার্বনেট।

আরও পড়ুনঃ ম্যালেরিয়া রোগে করণীয়।

গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

11 − seven =