
গতকার বৃহঃস্পতিবার দুদকের (দুর্নীতি দমন কমিশন) উপপরিচালক মো. মাহমুদ হাসানের নেতৃত্বে একটি দল বাংলাদেশ চিকিৎসকদের যোগ্যতা সনদ বা রেজিস্ট্রেশন প্রদানে জালিয়াতির অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য (বিএমডিসি) বা বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিলের- কার্যালয়ে হঠাৎ অভিযান চালায়।
দুদক (দুর্নীতি দমন কমিশন) অভিযোগ কেন্দ্রে মোট ১২ জন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে “তাইসান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (চীন)” এরজাল সনদের ভিত্তিতে বিএমডিসি থেকে(বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল) রেজিস্ট্রেশন নেয়ার অভিযোগ আসে। এই ঘটনার পর তাৎক্ষণিক তদন্ত ও অভিযানের নির্দেশ দেন দুদক মহাপরিচালক মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী । চীনের তাইসান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোন ডিগ্রিই ঐ সকল ভূয়া ডাক্তারা অর্জন করেনি বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে পরিষ্কার হয় দুদকের কাছে।
এরপর দুদক বিএমডিসি বা বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল কার্যালয়ে সাত জন চিকিৎসকের কাগজপত্র যাচাই করেন এবং ঐ সাত জন চিকিৎসকের কাগজপত্রে মারাত্মক অসঙ্গতি ও জালিয়াতির প্রমাণ পায়। এদিকে এদের মধ্যে তিনজন “গণস্বাস্থ্য মেডিকেল কলেজ”এ ইন্টার্নশিপ করছে বলে অনুসন্ধান থেকে স্পষ্ট হয়। বিএমডিসি- এর কর্তৃপক্ষ এই সকল অনিয়ম/জালিয়াতির কোন ব্যাখ্যা দিতে পারেননি যখন তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়।
বিএমডিসি (বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল) এভাবে যাচাই-বাছাই ছাড়া সনদ/রেজিস্ট্রেশন দিতে পারে না বলে মন্তব্য করেন দুদকের মহাপরিচালক (প্রশাসন) । তিনি আরো জানান, দুদক যথা সম্ভব দ্রুত এ ঘটনার উপর অভিযান চালাবে এবং অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।
