
রক্তবমি হচ্ছে পেটের সচরাচর ঘটা সবচেয়ে জররি অবস্থা এবং এ ধরণের রোগী ভর্তি হলে শতকরা ১০ ভাগ খারাপ হয়ে যায়। তবে বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা করলে এই হার কমে যায়।
রক্তবমির প্রধান কারণ কি কি?
০১. খাদ্যনালীতে প্রদাহ ১০%
০২. পেপটিক আলসার ৩৫-৫০%| অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধ বা এইচ পাইলরি জীবাণু সংক্রমণে হতে পারে।
০৩. পাকস্থলী বা খাদ্যনালীর ক্যান্সার ২%
০৪. পাকস্থলীর ঘা (১০%-২০%) অ্যালকোহল বা অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধ সেবনে
০৫. রক্তনালীর অস্বাভাবিকতা ৫%
০৬. বমির কারণে মেলরি উইস টিয়ার ৫%
আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক যেকোন তথ্য জানতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে সাথেই থাকুন
রক্তবমির লক্ষণ কি কি?
০১. বেশি দ্রুত রক্তবমি হলে জমাট বাঁধ ও লাল রঙ হয় অথবা কালো বর্ণের হয় যখন বমি কম হয়।
০২. রক্তচাপ কমে যায় এবং ফলে মাথা ঘুরে পড়ে যেতে পারে।
০৩. রক্তশূণ্যতা- যদি অনেক দিন ধরে বা বেশি পরিমাণে রক্তক্ষরণ হয়।
০৪. মাঝে মাঝে কালো পায়খানা হয়।
০৫. খুব বেশি রক্তক্ষরণ হলে দ্রুত নিচে নেমে লাল বর্ণের আসতে পারে।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা
০১. রক্তের হিমোগ্লোবিন, প্লাটিলেট ও শ্বেতকণিকা দেখা।
০২. রক্তের ইউরিয়া এবং ইলেকট্রোলাইট দেখা- কিডনী ফেইলিউর বেশি রক্তক্ষরণ হলে ব্লাড ইউরিয়া বেশি পাওয়া যেতে পারে।
০৩. লিভার ফাংশন পরীক্ষা-ক্রনিক লিভার অসুখের অবস্থা জানার জন্য এটি সহায়ক হতে পারে।
০৪. রক্তের গ্রুপ করে প্রয়োজনে রক্ত দেয়ার জন্য ব্যবস্থা নেয়া
০৫. রোগীর প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নতি হলে এন্ডোসকপি করা- যা ২৪ ঘন্টার মধ্যে করলে ভালো। এভাবে শতকরা ৮০ ভাগ ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয় সম্ভব হয় এবং একই সাথে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়াও সম্ভব হয়।
রক্তবমির রোগী অবশ্যই হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা প্রদান করতে হবে। যেখানে প্রয়োজনে প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর, অক্সিজেন দেয়া, রক্ত দেয়া, স্যালাইন দেয়া, মনিটরিং করা যায়। তা ছাড়া এন্ডোসকপির মাধ্যমে আলসার ও খাদ্যনালীর ভেরিসেসের চিকিৎসা করা সম্ভব হয়, সাথে প্রয়োজনীয় স্টিলামিন ইনজেকশন, রক্ত দেয়া হলে রোগী ভালো হতে পারে।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।
