
এসডি রিপন মাহমুদ, পিরোজপুর: পিরোজপুর সদর হাসপাতালে একদল সুযোগ সন্ধা্নী চিহ্নিত বহিরাগতদের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফের চোঁখে পড়ার মতো হাসপাতালের বাইরে ভিতরে ও বহিরাগতদের আনা-গোনা, প্রত্যাশিত সুবিধা আদায়ের চেষ্টা চিকিৎসা প্রার্থীদের অতিষ্ট করে তুলেছে । সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় প্রতিদিন সকাল হতে না হতেই হাসপাতালের আশ-পাশের সবার উপস্থিতি থাকা বেশ কয়েকজন বহিরাগত হোমরা-চোমরারা নিজেদের ইচ্ছেমতো হাসপাতালের অভ্যান্তরে ঢুকছেন আর বের হচ্ছেন। এখানকার আন্তঃ বিভাগ ও বর্হিঃ বিভাগের যে কোন কক্ষে তাদের বে-পরোয়া কর্মকান্ড অপ্রতির্যোধ্য গতিতে করেই জাচ্ছেন। বর্হি: বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা অপেক্ষামান চিকিৎসা প্রার্থীদের সাথে বহিরাগতরা ঢুকে পড়ে রোগীদের তাদের পছন্দের প্রতিষ্ঠানে ভাগিয়ে নিতে যে যার মত কথাবার্তা বলছেন আলাপ চারিতায় মেতে ওঠা দৃশ্য এখন ওপেন সিক্রেট।
একাধিক সূত্রে খোঁজ নিয়ে জানাগেছে এসব বহিরাগতরা কোন না কোন ডায়াগনাস্টিক, ক্লিনিক, বেসরকারী চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্ট ব্যবসার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত এদের কে ঐসব প্রতিষ্ঠান অলিখিত মৌখিক চুক্তিতে তাদের স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা রক্ষায় নিয়োগ করে থাকেন । তারা যে যত রোগীদের চিকিৎসা সংক্রান্তে চিকিৎসক , পরীক্ষা-নীরিক্ষা এবং ঔষধ বিক্রির প্রতিষ্ঠানে নিয়ে আসতে পারবেন হিসেব অনুযায়ী পার্সেন্টিস পেয়ে থাকেন ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানিয়েছেন এসব বহিরাগতরা তাদের কথামতো পছন্দের প্রতিষ্ঠানে না যেতে চাইলে চিকিৎসা প্রার্থীদের সাথে খারাপ আচরণ করে থাকেন । এমনকি ঐসব চিকিৎসা প্রার্থীর কারো কারো সাথে থাকা পাঁর্চ ব্যগ ,ব্যবহৃরিত মোবাইল ফোন , নগদ টাকা খোয়া জায় । এ ব্যপারে পিরোজপুর সদর হাসপাতালের তত্তাবধায়ক ও সিভিল সার্জন ডাঃ ফারুক আলম বলেন, বগিরাগতদের বিরুদ্ধে কয়েক বার ব্যাবস্থা নিয়েছি কিন্তু আবারও তারা সক্রিয়। এ বিষয় আমি পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করেছি। অপরদিকে সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আর এমও) ডাঃ ননী গোপাল রায় বলেন আমার উর্ধতন কর্মকর্তা সিভিল সার্জন সাহেবকে জানানো হয়েছে তিনিই এ ব্যপারে ব্যবস্থা নিবেন।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।
