হাতের কব্জি কয়েকটি হাড়ের সমন্বয়ে গঠিত। এখানে রেডিয়াস নামক হাড্ডিটি তার নিচের তিনটি হাড় যথা-স্কাফয়েড, লুনেট ও ট্রাইকুয়েট্রাল হাড়গুলোর সাথে জোড়া তৈরি করে। এখানে বোঝা যায়, জোড়াটি একটু কমপ্লেক্স। নানা কারণে হাতের কব্জিতে ব্যথা হতে পারে, যেমন আঘাত পাওয়া, দীর্ঘক্ষন কব্জির মাধ্যমে কোনো কাজ করা। ডিকোয়ারবেইনস ডিজিজ, রিউমাটয়েড আর্ত্রাইটিস, গাঁউট ও অন্যান্য বাত জাতীয় রোগ।
এসব রোগে কব্জিতে ব্যথা ছাড়াও অন্য জোড়ায় ব্যথা হতে পারে। ডান হাতারে কব্জি ব্যথা হলে লিখতে, এমনকি খেতেও অসুবিধা হয়। বাতজাতীয় রোগ হাতের কব্জিতে হলে তা সাধারণত বিশ্রাম নিলেও সকালে বেড়ে যায়, কাজ করলে কিছুটা কমে আসে। এ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বাত রোগটি নির্ণয় করা জরুরি ও সে অনুযায়ী চিকিৎসা করা দরকার। কিছু কছিু ক্ষেত্রে কব্জি ব্যথা হলে তা সাধারণত বিশ্রাম নিলে কমে যায়, কাজ করলে বেড়ে যায়। সব ক্ষেত্রেই কারণ নির্ণয় করে চিকিৎসা দিতে হবে। তবে সাধারণত নিম্নলিখিত চিকিৎসা দেয়া যেতে পারে:
প্রথমত, আক্রান্ত হাতের কব্জিকে বিশ্রামে রাখতে হবে। যদি কোনো নির্দিষ্ট রোগের কারণে কব্জিতে ব্যথানাশক ওষুধ যেমন- প্যারাসিটামল বা এনএসএআইড দেয়া যেতে পারে। এনএসএআইডি ট্যাবলেট হিসেবে মুখে খাওয়া ছাড়াও আক্রান্ত স্থানে জেল লাগানো যেতে পারে। তবে কোনোভাবেই এনএসএআইডি জেল দিয়ে মালিশ করা যাবে না।
ফিজিক্যাল থেরাপি হিসেবে আল্ট্রাসাউন্ড থেরাপি বা ফোনোফরোসিস ব্যবহার করলে বেশ উপকার পাওয়া যায়। অল্প গরম পানিতে হাতের কব্জিকে ডুবিয়ে নির্দিষ্ট নিয়মে নড়াচড়া করলেও বেশ উপকার হয়। আক্রান্ত কব্জির সাহায্যে কাপড় ধোয়া বা মোচড়ানো, হাতপাখা দিয়ে বাতাস করা, টেনিস খেলা ইত্যাদি কাজ, অর্থাৎ যে কোজ করতে হলে হাতের কব্জিকে নড়াচড়া করতে হয়, সেগুলো করা থেকে বিরত থাকা। নড়াচড়া করা থেকে কিছুটা রক্ষা করার জন্য রিস্টব্যান্ড ব্যবহার করা যেতে পারে।
এভাবে চিকিৎসা করালে ও নিয়ম মেনে চললে হাতের কব্জির ব্যথা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সহজ হবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজ নিজের হাতে ব্যথাহীন ভাবে করা সম্ভব হবে।
পেইন প্যারালাইসিস ও রিহেব-ফিজিও বিশেষজ্ঞ
যোগাযোগ:- ডিপিআরসি হাসপাতাল লি: (১২/১ রিং-রোড, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭)
শ্যামলী ক্লাব মাঠ সমবায় বাজারের উল্টো দিকে
সিরিয়ালের জন্য ফোন: ০১৯৯-৭৭০২০০১-২ অথবা ০৯ ৬৬৬ ৭৭ ৪৪ ১১
medicalbd সাস্থের সকল খবর।

