স্ট্রোক প্রতিরোধের উপায়ঃ
উচ্চ রক্তচাপ সর্ম্পকে জানা, রক্তনালীর কোন ধরনের সমস্যা থাকলে তার চিকিৎসা করা, ধূমপান বন্ধ করা, কোলস্টেরল, সোডিয়াম এবং ফ্যাটের পরিমান নিয়ন্ত্রনে রাখা, চর্বি ও শর্করা জাতীয় খাবার (যেমন: ফাষ্টফুড, মাখন, ঘি, মিষ্টি, পোলাও, গরু-খাশির গোশত, চিংড়ি, ডিমের কুসুম ইত্যাদি) কম খাওয়া, অ্যালকোহল সেবন থেকে বিরত থাকা, ডায়াবেটিস এর সঠিক চিকিৎসা করা, নিয়মিত ৪৫ মিনিট হাঁটা বা ব্যায়াম করা, অতিরিক্ত ঔষধ সেবন না করা।
চিকিৎসা পদ্ধতিঃ
ঔষধ স্ট্রোক রোগীকে মেডিকেলি ষ্ট্যাবল করতে পারলেও তার শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে পারে না | স্ট্রোক পরবর্তী সমস্যাগুলো দূর করে শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজন সঠিক ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা | তাই রোগী স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাবেন এবং ২৪ ঘন্টার ভেতরে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা শুরু নিশ্চিত করবেন |
মনে রাখবেন, স্ট্রোকের পর যত দ্রুত ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা শুরু করা যাবে, রোগীর কার্যক্ষমতা ফিরে আসার সম্ভাবনা তত বেশি থাকে | ফিজিওথেরাপি দৈনিক ৩/৪ বার কওে দিতে হতে পারে। বাসায় ১ বার করে ফজিওিথরোপি চিকিৎসা নিয়ে তেমন কোন ফল আসে না। তার জন্য রোগীকে ক্লিনিক বা হাসপাতালে ভর্তি রেখে ফিজিওথেরাপি চালিয়ে যাওয়াই উত্তম। শুরু থেকে ফিজিওথেরাপি চালু থাকলে ২/৩ মাসে রোগী আবার স্বাভাবিক জিবনে ফিরে আসে।
পেইন প্যারালাইসিস ও রিহেব-ফিজিও বিশেষজ্ঞ
যোগাযোগ:- ডিপিআরসি হাসপাতাল লি: (১২/১ রিং-রোড, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭)
শ্যামলী ক্লাব মাঠ সমবায় বাজারের উল্টো দিকে
সিরিয়ালের জন্য ফোন: ০১৯৯-৭৭০২০০১-২ অথবা ০৯ ৬৬৬ ৭৭ ৪৪ ১১
medicalbd সাস্থের সকল খবর।

