
আজকাল লক্ষ্য করলে হরমাশাই দেখা যায় সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে ডেলিভারি করানোর হার নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কথা অনস্বীকার্য, কতিপয় ক্ষেত্রে সি-সেকশন প্রসূতি ও সন্তানের জীবন রক্ষায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। এর ব্যবহার বিশ্বজুড়ে প্রায় রুটিন ও সচরাচর হয়ে উঠেছে। সিজারিয়ান বাচ্চার দৈহিক, মনোবিকাশ ও ভাবাবেগ অনুভূতির দীর্ঘমেয়াদি প্রতিক্রিয়া এখনো ভালোভাবে জানা হয়নি।
শিশু জন্মদানের তিন পদ্ধতি অনুসৃত হয়ে থাকে—
০১. নরমাল,
০২. অ্যাসিসট্যাড নরমাল যেমন ফরসেপ
০৩. সিজারিয়ান।
—) যে মায়েরা নরমাল ডেলিভারি চান,তাদের জন্য… নিম্নোক্ত করণীগুলো:
==) মানসিক ভাবে প্রস্তুতি এবং ধৈর্য্য এর প্রথম শর্ত।
==) পর্যাপ্ত পুস্টিকর খাদ্য গ্রহন, যা রক্তশুন্যতা ও বাচ্চার IUGR(স্বাভাবিকের চেয়ে ছোট বাচ্চা) হওয়া থেকে রোধ করবে।
==) নিয়মিত ডাক্তারের কাছে চেক-আপ, যাতে অন্যান্য সমস্যা যেমন ডায়াবেটি, প্রেশার যাতে কন্ট্রোলে থাকে।
==) কোন কম্পলিকেশন না থাকলে দৈনন্দিন কাজ- কর্ম স্বাভাবিক ভাবে চালিয়ে যাওয়া।
==) শরীরের ওজন প্রেগন্যান্সির ডেট অনুযায়ী স্বাভাবিক রাখা।
==) কোয়াক বা দালাল দের এড়িয়ে চলুন। সুপ্রতিষ্ঠিত হাসপাতালে ডেলিভারি করুন যেখানে প্রতারিত হবার সম্ভাবনা কম থাকবে।
ডাঃ নুসরাত জাহান
সহযোগী অধ্যাপক ( অবস গাইনী)
বন্ধ্যাত্ব বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত( ইন্ডিয়া), ল্যাপারোস্কপিক সার্জন
চেম্বার: ডিপিআরসি হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক ল্যাব,
(১২/১, রিং-রোড, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭)
সিরিয়ালের জন্য ফোনঃ- +8801997702001, +8801997702002,
09666774411, 029101369, 0258154875
medicalbd সাস্থের সকল খবর।
