ক্লাবফুট বা বক্র পাঃ
জন্মগত বিকৃতিগুলোর মধ্যে ক্লাবফুট বা বক্র পা অন্যতম। সঠিক কারণ অজ্ঞাত। এক বা উভয় পা আক্রান্ত হতে পারে। সঠিক ব্যবস্থা না নিলে রোগীকে খুঁড়িয়ে চলতে হয়। জন্মের পর থেকেই এ ধরনের বিকৃতির ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ব্যবস্থাধীনে এ ধরনের বিকৃতি সারিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় আনা সম্ভব।
ক্লাব ফুটঃ
১. জন্মের পর ৭ থেকে ১০দিন থেকে আস্তে আস্তে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করতে হয়।
২. পুনঃ পুনঃ প্লাস্টার দ্বারা প্রচেষ্টা।
৩. অপারেশন।
৪. বিশেষভাবে তৈরি জুতা।
রিকেটঃ
এ রোগ ভিটামিন ডির অভাবে কেলসিয়াম সঠিকভাবে হাড়ে জমা না হওয়ার ফলে, হাড় নরম ও ভঙ্গর হয়, স্বাভাবিক গঠন ও বৃদ্ধি বিগ্নিত হয় এবং যার ফলে বিভিন্ন বিকৃতি দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে নিম্নাঙ্গের বিকৃতি চলাফেরাকে ব্যাবহত করে এবং দেহের সৌন্দর্য হানি হয়। রিকেটের সঙ্গে অন্যান রোগ থাকতে পারে।
রিকেট রোগীর সাধারণত নিম্নাঙ্গে এ ধরনের বিকৃতি দেখা যায়।
ব্যবস্থাঃ
১. কারণ নিরূপণ ও সঠিকভাবে ভিটামিন ‘ডি’-র ব্যবস্থা।
২. সহায়ক উপকরণ।
৩. প্রয়োজন হলে বিকৃতির জন্য অপারেশন।
বি.দ্র. বৃদ্ধ বয়সে ভিটামিন ‘ডি’র অভাবে অস্টেওমেলেশিয়া (Osteo malacia)
পেইন প্যারালাইসিস ও রিহেব-ফিজিও বিশেষজ্ঞ
যোগাযোগ:- ডিপিআরসি হাসপাতাল লি: (১২/১ রিং-রোড, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭)
শ্যামলী ক্লাব মাঠ সমবায় বাজারের উল্টো দিকে
সিরিয়ালের জন্য ফোন: ০১৯৯-৭৭০২০০১-২ অথবা ০৯ ৬৬৬ ৭৭ ৪৪ ১১
medicalbd সাস্থের সকল খবর।

