
সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে পানির বিকল্প নেই। সুস্বাস্থ্য, অধিক কর্মদক্ষতা, ভালো ত্বক, ওজন কমানো এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে খাবারের পানির বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে । সময়ের ব্যবধানে এখন মানুষের বিশুদ্ধ পানি পানের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এই চাহিদা থেকেই হয়তো একদিন বিশুদ্ধ পানির জন্য পৃথিবীবাসীর যুদ্ধে লিপ্ত হওয়াটা কোনো অসম্ভব ব্যাপার না। পানি পান করাটা যতটা জরুরি ঠিক ততটা জরুরি পরিমিত পরিমাণ পানি পান করা। পানি পান করা উপকারী বলেই যদি আপনি মাত্রাতিরিক্ত পানি পান সেটা ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে এটা কিন্তু আপনাকে মনে রাখতে হবে।
পরিমিত পানি পানের ক্ষেতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হচ্ছে প্রতিদিন ২৪০ মিলিলিটার মাপের ৮ গ্লাস পানি পান করা উচিত, যা কিনা গড়ে দুই লিটারের মতো হতে পারে। পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশুদ্ধ পানি পানের সুবিধার জন্য সঙ্গে পানির বোতল বহনের পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষার্থীদের। তাছাড়াও অফিসে কাজের ফাঁকে পানি পানের ব্যবস্থা থাকা জরুরি।
পরিমিত পানি পান করা নিয়ে সচেতনতা তৈরি হলেও আসলে সঠিক পরিমাণ পানি পানের হিসেবটা কিন্তু বহু বছর আগেই করে আসছেন পশ্চিমা বিশ্বের চিকিৎসকরা। একটি জরিপে এ দেখা যায়, একজন নারীর প্রতি এক হাজার ক্যালরির জন্য শরীরে এক লিটার পানি প্রবেশ করা প্রয়োজন। একইভাবে ২ হাজার ক্যালরি পরিমাণ খাবার গ্রহণ করলে দুই লিটার পানি এবং ২৫০০ ক্যালরি খাবারের জন্য আড়াই লিটার পানি প্রবেশ করা অত্যাবশ্যক। এক্ষেত্রে এর পুরোটা যে সরাসরি পানি পানের মাধ্যমে হতে হবে তেমন নয়, যেসব ফলমূল এবং সবজিতে প্রচুর পানি আছে সেগুলোও পানির বিকল্প উৎস হতে পারে।
পুষ্টি বিষয়ক একটি বই ‘নিউট্রেশন ফর গুড হেলথ’ বইয়ে তারা লেখা হয় একজন সুস্থ ব্যক্তির প্রতিদিন গড়ে ৬ থেকে ৮ গ্লাস পানি পান করা উচিত। এবং একই সাথে বলা হয়- এই ৬ থেকে ৮ লিটার পানির মধ্যে সবজি, কোমল পানীয়ও অন্তর্ভুক্ত। গবেষকরা বলেন, পান করা এই পানি শরীর থেকে ঘাম, মূত্র এবং নি:শ্বাসের সঙ্গে বের হয়ে আসে। আমাদের শরীরের পানির পরিমাণ ১ থেকে ২ শতাংশ কমে গেলে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। তাই পরিমিত পানি পান করুন সুস্থ থাকুন, পানি পান করা জরুরি কিন্তু অতিরিক্ত নয় এটা অবশ্যই মনে রাখবেন।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।
