সবথেকে বেশি ও মারাত্নক এলার্জির জন্য দায়ী যে ৭টি খাবার

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  • 65
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
    65
    Shares

খাবার-দাবারে অ্যালার্জি খুবই সাধারণ কিন্তু বিরক্তিকর একটি সমস্যা।বিশ্বের প্রায় প্রতিটি পরিবারেই অ্যালার্জিতে আক্রান্ত রোগীর পাওয়া যায়। এলার্জি হলে সাধারণত শরীর চুলকায়, শরীরের বিভিন্ন স্থানে চাকা চাকা হয়ে ফুলে যায়।আবার অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় লাল গোটার মত এবং চুলকানির তীব্রতা এতই মারাত্নক হয় যে, আক্রান্ত ব্যক্তিটির সহ্যের ক্ষমতা ছাড়িয়ে যায়। অনেকেরই বিভিন্ন খাবার খেলে অ্যালার্জি হয়। কারও দুধে এলার্জি, কারও ডিমে, আবার কারও বিশেষ কোন সবজি কিংবা ফলে এলার্জি হয়ে থাকে। একজনের যে খাবারে অ্যালার্জি হয়ে, অন্যজনের সেই খাবারে হতেও পারে বা আবার নাও হতে পারে। তো চলুন জেনে নিই- যে ৮টি বিশেষ খাবার সম্পর্কে বিশ্বের সবচেয়ে বেশী মানুষ অ্যালার্জিতে ভুগে থাকেন-

০১. চিনা বাদাম – চিনাবাদাম থেকে এলার্জি খুব গুরুতর একটি ব্যাপার এবং সম্ভাব্য মারাত্মক এলার্জিও হতে পারে। বাচ্চাদের মধ্যে প্রায়ই চিনা বাদামে অ্যালার্জি দেখা যায়। গবেষণায় দেখা গেছে চিনাবাদাম এলার্জি ৪-৮% শিশু এবং ১-২% বয়স্কদের উপর প্রভাব ফেলে।

০২. দুধ – আমরা জানি যে দুধে এলার্জি থাকে। বিশেষ করে গরুর দুধে বেশি এলার্জি থাকে। ৩  বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে প্রায় আড়াই শতাংশ শিশুর গরুর দুধে অ্যালার্জি নামক চর্ম রোগটি হয়ে থাকে। তবে দুধে অ্যালার্জি থাকা আর ল্যাক্টোজ ইনটলারেন্স, এক বিষয় নয়। তবে ৩ বছরের উপরে এই এলার্জি কমতে থাকে এবং প্রাপ্ত বয়স্কদের মাঝে খুবই কমই দেখা যায়।

০৩. ডিম – বিভিন্ন বয়সের মানুষের মধ্যে দেখা দেয় ডিম থেকে এলার্জির । কিন্তু অধিকাংশ শিশুই দুধের মতোই ডিমের অ্যালার্জিতেও ভোগে থাকে। ডিমের সাদা অংশে থাকা প্রোটিন থেকে এই অ্যালার্জি হয় সবথেকে বেশি। তাই যাদের সাধারণত ডিম খাওয়ার ফলে শরীরে এলার্জির হয়, তাদের ডিম খাওয়া থেকে বিরত থাকাই উত্তম।

০৪. শেল ফিশ – শেল ফিশ মানে সেই ধরনের মাছ কে বুঝায় যে মাছ শক্ত খোসা বা আবরন দ্বারা ঢাকা থাকে। শেল ফিশে অ্যালার্জি খুবই কমন একটি অ্যালার্জি। বিভিন্ন প্রকারের শেল ফিশ যেমন চিংড়ি, কাঁকড়া, ওয়েস্টার, শামুক জাতীয় খাবার যার শক্ত খোল রয়েছে তার থেকেই অ্যালার্জি হয় বিশ্বের প্রায় ৬০% মানুষের।

০৫. সয়াবিন জাতীয় খাবার – সাধারণত শিশুদের ক্ষেত্রেই সয়াবিন জাতীয় খাবার থেকে অ্যালার্জি দেখা যায়। সাধারণত সয় বিনস, সয়া মিট এবং সয়া মিল্কে অ্যালার্জি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ১০ বছর বয়সের পর থেকে কমে আসে।

০৬. মাছ – অনেকের কোনও এক বিশেষ প্রকার মাছে অ্যালার্জি থাকে, আবার অনেকের স্যালমন, টুনা, ম্যাকরলে জাতীয় সামুদ্রিক মাছ খেলে অ্যালার্জি হয়।

০৭. ট্রি নাটস – আমন্ড, কাজু, পেস্তা, আখরোট, ব্রাজিল নাট, এই ধরনের বাদামগুলোতে সাধারণত অনেকেরই অ্যালার্জি হয়ে থাকে। তবে কোনও এক ধরনের বাদামে অ্যালার্জি থাকা মানেই অন্য বাদামেও অ্যালার্জি হবে এমনটা নাও হতে পারে।

ডাঃ সাঈদা শারমিনা রহমান
চর্ম ও যৌন রোগ ইউনিট। চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ
চেম্বার: ডিপিআরসিহাসপাতাল এন্ড ডায়াগনোস্টিক ল্যাব
(১২/১ রিং রোড, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭)
ফোনঃ ০৯৬৬৬ ৭৭ ৪৪ ১১
সক্ষাতের সময়: রাত ৮টা – রাত ৯টা
(শনি, সোম, মঙ্গল, বুধ)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

5 × five =