খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী দ্বিগুণ

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  • 8
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
    8
    Shares

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী দ্বিগুণ

এম.পলাশ শরীফ, খুলনা: খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অতিরিক্ত রোগীর চাপে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা। কাগজে-কলমে ৫শ শয্যার হাসপাতালটিতে বর্তমানে রোগী ভর্তি থাকছে ১ হাজারের বেশি। রোগীর ভিড়ে স্থান মিলছে না বারান্দাতেও। ফলে চাপ সামলাতে চার একর জমিতে হাসপাতালের আলাদা ইউনিট তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

খুলনা মেডিকেল কলেজ, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও খুলনা গণপূর্ত বিভাগের যৌথ বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আলাদা ইউনিট করার প্রস্তাবনা দু’একদিনের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হচ্ছে।

জানা যায়, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অবকাঠামো সমস্যা দিনদিন প্রকট আকার ধারণ করেছে। হাসপাতালের কয়েকটি ভবনকে ঊর্ধ্বমুখি সম্প্রসারণ করেও রোগীর পর্যাপ্ত ধারণ ক্ষমতা বাড়ানো যায়নি। রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হয় চিকিৎসকসহ হাসপাতালের কর্মীদের।

খুমেক হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ এটিএম মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, ৫শ বেড কাগজে কলমে থাকলেও সেই পুরনো অবকাঠামো ও লোকবল নিয়ে হাসপাতালটি পরিচালনা করা হচ্ছে। অনেক সময় রোগীর জায়গা দিতেই হিমশিম খেতে হয়। তিনি বলেন, হাসপাতালের কাছেই সোনাডাঙ্গা-বয়রা রোডে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ২০ একর জমি রয়েছে। সেখানে নার্সিং কলেজ, আইএইচটি ভবন ও কয়েকটি আবাসন স্থাপনা রয়েছে। একই বাউন্ডারিতে  ৪ একর জমিতে হাসপাতালের আলাদা ইউনিট করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখানে হাসপাতালের ভবন নির্মাণ করে কয়েকটি স্বাস্থ্য বিভাগ চালু করা সম্ভব হবে।

এদিকে গত ১ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. মোশতাক হাসান সরেজমিনে আলাদা ইউনিট করার ওই স্থান পরিদর্শন করেন। খুলনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. আব্দুল আহাদ বলেন, হাসপাতালের আলাদা ইউনিট করার বিষয়টি একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ের সিদ্ধান্ত। খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ওই জমির মধ্যে চার একর জমি নেওয়ার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আগে থেকেই চেষ্টা করছে। কিন্তু আর্থিক সঙ্কটে জমি নেওয়া সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, খুলনার বয়রা এলাকায় মেডিকেল কলেজ, চিকিৎসক ও ছাত্রদের আবাসিক ভবন, হাসপাতাল, নার্সিং কলেজ সব মিলিয়ে সুন্দর পরিবেশ রয়েছে। হাসপাতালের এত কাছাকাছি জমি আর পাওয়া যাবে না। এ কারণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরামর্শে সম্মিলিতভাবে এখানে হাসপাতালের আলাদা ইউনিট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

খুলনা গণপূর্ত বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী জাকির হোসেন জানান, ইতোমধ্যে ৫শ বেডের হাসপাতালটিকে এক হাজার বেডে উন্নীতকরণের দাবি উঠেছে। একই সাথে খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। কিন্তু হাসপাতালের ভবনগুলোকে ঊর্ধ্বমুখি সম্প্রসারণের সুযোগ নেই। এ কারণে হাসপাতালের কাছাকাছি আলাদা ইউনিট করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে সেক্ষেত্রে অবশ্যই মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পরই চূড়ান্ত কার্যক্রম শুরু হবে।

আরও পড়ুন: এক ভুয়া ডাক্তারকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

5 × 4 =