আজ “বিশ্ব শিশু অধিকার দিবস”

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  • 6
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
    6
    Shares

আজ বিশ্ব শিশু অধিকার দিবস। প্রতিটি বছরই এই দিনটিতে দেশে শিশুদের উন্নয়নের আলোচনা করা হলেও প্রকৃত শ্রমজীবী বা খেটে খাওয়া শিশুদের ভাগ্যের তেমন একটা পরিবর্তন খুব একটা হয় না। জীবন-জীবিকার তাগিদে বিভিন্ন ডাম্পিং স্টেশনে কাজ করা এসব শিশু-কিশোররা চরম  স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে জীবন যাপন করে থাকে। দীর্ঘসময় ধরে ময়লা-আবর্জনা বা পঁচা জায়গায় ঘাঁটাঘাঁটি করার ফলে এদের অনেকে চুলকানিসহ নানা ধরনের চর্মরোগসহ বিভিন্ন রোগে ভোগে। পাশাপাশি শিশু ও কিশোরদের লেখাপড়া ব্যাহত হয়। আবার অনেকে মাদকাসক্তও হয়ে পড়ে ।

আমরা বলে থাকি ‘আজকের শিশুরাই দেশ ও জাতির ভবিষ্যতের কর্ণধার’, ‘শিশুদের হাতেই আগামীর পৃথিবীর ভার’ ইত্যাদি নানা কথা কিন্তু তা শুনতে শুনতে তোমাদের কান হয়তো ভারী হয়ে গেছে। কান ভারী হোক আর যাই হোক কথাগুলো কিন্তু প্রকৃতপক্ষে মিথ্যে নয়। আর তাই তোমাদের কথা চিন্তা করেই আমাদের সমাজের বিজ্ঞ জ্ঞানী গুণীরা একটি দিনকে আন্তর্জাতিক শিশু দিবস বা বিশ্ব শিশু অধিকার দিবস হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে । শুধুমাত্র একটি দিনই যে তোমাদের জন্য নির্ধারিত তা কিন্তু পুরোপুরি ঠিক নয় । কারণ প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিশু অধিকার সপ্তাহ,‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’, কন্যা শিশু দিবস এসবও পালন করা হয়ে থাকে। তোমরা লক্ষ করে থাকবে যে, বছরের প্রতিটি দিনই কিন্তু তোমাদের (শিশুদের) দিন, প্রতিটি দিনই শিশু দিবস।

কারণ শিশুদেরকে আদর্শ নাগরিক ও শিক্ষিত নাগরিক হিসেবে এবং জাতির কর্ণধার হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিটি বাবা-মা -ই প্রতিটি দিনই কঠোর পরিশ্রম করে থাকেন। শুধুমাত্র অভিবাবকরাই নয় বরং তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন সমাজকল্যাণ মূলক সংগঠনও সারা বিশ্বে নানাভাবে শিশুদেরকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে অবিরত । তার উদাহরণ হিসেবে বাংলাদেশে রয়েছে ইউনিসেফ বাংলাদেশ।

এসকল সংগঠনের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই প্রতি বছরের একটি নির্ধারিত  দিনকে বিশ্ব অধিকার শিশু দিবস বা বিশ্ব শিশু দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে । আমাদের বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকই শিশু। এই শিশুরাই ভবিষ্যতে বিশ্বের প্রতিনিধিত্ব করবে । শিশুদের সংরক্ষণ, কল্যাণ ও শিক্ষার উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার জন্যে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ ও আন্তর্জাতিক সংগঠন কাজ করে যাচ্ছে।। সুস্থ থাকুক প্রতিটি শিশু।।

আরো পড়ুন: ভারিয়ান সিস্ট নাকি টিউমার? কখন কি করা উচিত….

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

12 + 4 =