
চুলপাকা একটি বিড়ম্বনা আবার তা যদি হয় অল্প বয়সেই। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে চুল পাকবেই এটা কিন্তু ঠিকই মানা যায় কিন্তু তা বলে অল্প বয়সেই চুল পেকে গেলে তা অনেকেরই অস্বস্তির কারণ হয়। নানাবিধ কারণে চুল পেকে যেতে পারে। বার্ধক্য এবং জিনগত কারণ ছাড়াও অতিরিক্ত স্ট্রেস এবং শরীরে পুষ্টির অভাব থেকেও চুল পেকে যেতে পারে দ্রুত। অল্প বয়সে চুল পাকা প্রতিরোধে কিছু খাবার আছে যেগুলো নিয়মিত খাওয়ার চেষ্টা করলে বা বেশি বেশি খেলে তাহলে খুব ভাল ফল পাওয়া যায়।
তো চলুন জেনে নিই তেমনি কিছু খাবারের তালিকা। এগুলি পাকা চুল রোধ করে যেমন পাশাপাশি স্ক্যাল্প ভাল রাখে এবং নতুন চুল গজাতেও ভূমিকা রাখে।
আপনার স্বাস্থ্য বিষয়ক যেকোন তথ্য জানতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে সাথেই থাকুন
শেলফিশ
যে কোনও খোলাযুক্ত সামুদ্রিক প্রাণী যেমন, অয়স্টার, চিংড়ি বা কাঁকড়ায় থাকে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। ওমেগা-৩ চুলে পাক ধরা আটকায়।
আখরোট
আখরোটে থাকে প্রচুর পরিমাণ কপার বা তামা। এই তামাই চুলে মেলানিন উৎপন্ন করে, যার জেরে চুল থাকে কালো।
লিভার
প্রাণীজ লিভার বা মেটে ভিটামিন বি ১২ সমৃদ্ধ হয়। এই ভিটামিনটি যেমন রক্তাল্পতা দূর করে তেমনই চুল পেকে যাওয়া প্রতিরোধ করে।
ব্রকোলি
চুলে পাক ধরা আটকাতে শরীরে প্রয়োজন পরিমিত পরিমাণ ফোলিক অ্যাসিড যা প্রচুর অনুপাতে পাওয়া যায় ব্রকোলিতে।
সূর্যমুখী বীজ
সূর্যমুখী বীজের তেলে ভিটামিন ই, আয়রন, জিঙ্ক এবং ভিটামিন বি৬ রয়েছে। রান্নায় তাই সানফ্লাওয়ার অয়েল ব্যবহার করা ভাল। এছাড়া এই তেল দিয়ে বাদামের পেস্ট তৈরি করে স্ক্যাল্পে লাগালেও অনেক উপকার পাওয়া যায়।
সামুদ্রিক মাছ
স্যামন, টুনা ইত্যাদি সামুদ্রিক মাছেও প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। এগুলি প্রতিদিন বাজারে না পেলেও পমফ্রেট, ভেটকি, পারশে ইত্যাদি খেলেই চলেন।
ডাল
ডালেও রয়েছে প্রচুর ভিটামিন বি১২ এবং বি৯। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় একবাটি ডাল রাখা খুবই জরুরি।
কাবলি ছোলা
কাবলি ছোলা ভিটামিন বি সমৃদ্ধ একটি খাবার। রোজ না হলেও সপ্তাহে দু’তিনদিন খেলেও উপকার হবে।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।
