
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সিন্ডিকেট করে সীমাহীন দুর্নীতির মাধ্যমে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে শত কোটি টাকা অর্জনের অভিযোগে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির আরো পাঁচজনকে ২২ জানুয়ারি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে । গত বুধবার দুদকের উপ-পরিচালক শামসুল আলম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে। যাদেরকে তলব করা হয়েছে তারা হলেন- ফরিদপুর টিবি হাসপাতালের ল্যাব এটেনডেন্ট বেলায়েত হোসেন, জাতীয় অ্যাজমা সেন্টারের হিসাবরক্ষক লিয়াকত হোসেন,
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের গাড়িচালক রকিবুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উচ্চমান সহকারী বুলবুল ইসলাম ও খুলনা মেডিকেল কলেজের অফিস সহকারী শরিফুল ইসলাম। ১৬ জানুয়ারি (বুধবার) দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয় থেকে সংস্থাটির উপপরিচালক শামছুসুল আলম স্বাক্ষরিত এক তলবি নোটিশে তাদেরকে আগামি ২২ জানুয়ারি হাজির থাকতে বলা হয়েছে।
এছাড়া ১৪ জানুয়ারি তলবকৃত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ও লাইন ডিরেক্টর ড. কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন ও লাইন ডিরেক্টর (চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি) অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুর রশিদ সময় চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখানো হয়। দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে একটি সিন্ডিকেট করে সীমাহীন দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে।
এ ছাড়া বিদেশে অর্থ পাচার ও জ্ঞাত আয়বহির্ভুত অর্জনের অভিযোগ রয়েছে উল্লিখিতদের বিরুদ্ধে। ২০১৮ সালের প্রথম দিকে অভিযোগ অনুসন্ধানে নামে দুদক। দুদকের উপ-পরিচালক মো. সামছুল আলমের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল অনুসন্ধান করছে। এর আগে গত ১০ জানুয়ারি শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব কর্মকর্তা আবজাল হোসেন ও ১৪ জানুয়ারি সহকারি পরিচালক ডা. আনিসুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আনিসুর রহমান নিজেকে নির্দোষ দাবি করে টেন্ডার প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত নন বলে জানালেও ফেঁসে যান হিসাব কর্মকর্তা আবজাল হোসেন। দুর্নীতির দায়ে গত ১৩ জানুয়ারি তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।
