১. ঘাড়ের ওপর ভারি বস্তুর পতন।
২. অগভীর পানিতে মাথা নিচু করে ঝাঁপ (Diving) দিলে গ্রীবাদেশীয় কশেরুকায় আঘাত লেগে
কোয়াড্রি প্লেজিয়া হতে পারে।
৩. উচু স্থান থেকে লম্বালম্বি ভাবে শক্ত কিছুর উপর পতন মাথা নিচে থাকলে ঘাড়ের অংশে ও উপরে থাকলে কটি বক্ষ দেশে আক্রান্ত হয়।
৪. যানবাহন দুর্ঘটনা।
৫. ক্রীড়া ও শরীরচর্চার সময়।
৬. আগ্নেয়াস্ত্রের গুলি অন্যান্য আঘাত।
আঘাতের ফলে পক্ষাঘাতসহ মেরুদন্ডে ও কশেরুকায় সাধারনত রঞ্জনরশ্মিতে নিন্ম লিখিত অবস্থা দেখা দিতে পারে।
১. কীলক- গোঁজ সদৃশ সঞ্চাপিত ভঙন (wedge compression fracture)
২. কশেরুকার দেহের বিদীর্ন ভঙন (Burst fracture)
৩. আন্তঃকশেরুকার সন্ধির শিথিলতা ও স্বল্প স্থানচ্যুতি (Subluxation)
৪. কাশেরুকার স্থানচ্যুতি (Dislocation)
৫. কাশেরুকার ভঙন ও স্থানচ্যুতি (Fracture-dislocation)
আঘাতের ফলে চারটি অঙ্গের অবশ ও অসাড়তা (Quadriplegia) ও নিন্মাঙ্গে অবশ ও অসাড়তা (Paraplegia) হয়ে থাকে। মেরুরজ্জু সম্পূর্ণ ছেদন হলে ছেদনের নিন্মাংশ স্থায়ীভাবে অবশ ও অসাড় হয়ে যায়। গ্রীবার কাশেরুকা ১-২ অঞ্চলে মেরু রজ্জু ছেদন হলে রোগীর তাৎক্ষণিক মৃত্যু হতে পারে। গ্রীবার কশেরুকা-৪ অঞ্চলের আক্রান্তের ফলে মধ্যচ্ছদা ও আন্তপিঞ্জরাস্থির মাংসপেশিগুলো আক্রান্ত হলে অচিরে রোগীর মৃত্যু হয়। গ্রীবা কাশেরুকা ৫-৬ অঞ্চলের আঘাতে মধ্যচ্ছদা রক্ষা পেলেও বক্ষস্থিত শ্বাস-প্রশ্বাসের মাংসপেশি আক্রান্ত হয় ও পরিণতি ভালো নয়।
মেরুদন্ডে আঘাতপ্রাপ্ত রোগীর স্থানান্তরের সময় রোগীকে সোজা ও সমান্তরাল রেখে বিশেষভাবে সাবধানতা অবলম্বন করে স্ট্রেকচারে ও বিছানায় উঠাতে ও নামাতে হবে। মেরুদন্ডে আঘাতপ্রাপ্ত হলে মেরুরজ্জু মেরুগুচ্ছ আঘাতপ্রাপ্ত নাও হতে পারে। এ অবস্থায় অজ্ঞতার ফলে স্থানান্তরের সময় অনাক্রান্ত মেরুরজ্জু মেরুগুচ্ছ আক্রান্ত হয়ে প্যারালাইসিস হয়ে যেতে পারে (আঘাত ছাড়া অন্যান্য রোগেও প্যারালাইসিস হতে পারে), অসম্পূর্ণ ছেদন মেরুরুজ্জু সম্পূর্ণ ছেদন হয়ে স্থায়ী স্নায়ুবিক অক্ষমতার সৃষ্টি হতে পারে। রোগী স্থানান্তরের নিয়মঃ
১. রোগীকে সোজা রেখে শোয়া অবস্থায় স্থানান্তর করতে হবে।
২. মেরুদন্ডে আঘাতপ্রাপ্ত রোগী সোজা রেখে স্থানান্তর করতে হবে।
৩. কোনো অবস্থাতেই মেরুদন্ড পেছনের দিকে বাঁকা করে স্থানান্তর করা যাবে না।
৪. গ্রীবাস্থলের আঘাতে দুই পার্শ্বে বালিশ-বালির থলি দিয়ে ঘাড় ও মাথা সোজা রাখতে হবে।
৫. যথেচ্ছা স্থানান্তর করা চলবে না নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে করতে হবে।
পেইন প্যারালাইসিস ও রিহেব-ফিজিও বিশেষজ্ঞ
যোগাযোগ:- ডিপিআরসি হাসপাতাল লি: (১২/১ রিং-রোড, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭)
শ্যামলী ক্লাব মাঠ সমবায় বাজারের উল্টো দিকে
সিরিয়ালের জন্য ফোন: ০১৯৯-৭৭০২০০১-২ অথবা ০৯ ৬৬৬ ৭৭ ৪৪ ১১
medicalbd সাস্থের সকল খবর।

