রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সমাবেশ

রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সমাবেশ

সুপ্রিয় চাকমা (শুভ), রাঙ্গামাটি: রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজে স্থায়ী ক্যাম্পাসের দাবিতে রাঙ্গামাটি সরকারি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসকরের কার্যালয়ের সামনে রাঙ্গামাটি চট্টগ্রাম সড়ক ঘেঁষে বিক্ষোভ মিছিলসহ সমাবেশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি না মানা পর্যন্ত তারা তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষনা দিয়েছেন। এছাড়াওগত বুধবার সকালে স্থায়ী ক্যাম্পাসের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলসহ অনশন করে শিক্ষার্থীরা।

স্থায়ী ক্যাম্পাসের দাবিতে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে রাজপথের মানববন্ধনে মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীও কলেজ ছাত্রলীগ আহবায়ক স্নেহাশীষ চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, তৃতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. ইসমাইল হোসেন,পঞ্চম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাবিলা,আকিবুল,মুন্না,ইরফান হোসেন ও মো. কাউসারসহ আরো অনেকে।

শিক্ষার্থীদের মৌলিক দাবি উল্লেখ করে তারা বলেন, দ্রুত স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ, স্থায়ী হোস্টেল নির্মাণ, মেডিকেল কলেজকে ২৫০ বেডে উন্নতি করা,প্যাক্টিকেল করার সরঞ্জামাদি ক্রয় ও শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের ইন্টানি করার সরঞ্জামাদি ক্রয় করা। এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান করা না হলে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন আরো বেগবান হবে। তারা বলেন, রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজের সাথে সারা দেশে মোট ৫টি মেডিকেল কলেজ স্থাপিত হয়েছে। রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজ ছাড়া বাকি সব কটি মেডিকেল কলেজে স্থায়ী ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীরা ক্লাস করছে কিন্তু রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা এখনো স্থায়ী ক্যাম্পাসে উঠতে পারেনি।

স্বাস্থ্যের খবর জানুন

তাই আমরা শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি নিয়ে আজ বাধ্য হয়ে রাজপথে দাঁড়াতে হয়েছে। আমাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের ক্লাস রুম সমস্যা, ছেলে মেয়েদের হোস্টেল সমস্যা,শিক্ষার্থী ছেলে মেয়েদের আলাদা কোন কমন রুম নেই। আরো অনেক জটিল সমস্যা রয়েছে। বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে শিক্ষার্থীরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে তাদের সমস্যাবলী নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে একটি স্বারকলিপি প্রদান করেন।

রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজ অধ্যক্ষ ডা.টিপু সুলতান বলেন, ডিপিপি অনুমোদনের পরে মেডিকেল কলেজের স্থায়ী ভবন নির্মাণে নকশা ড্রয়িং গণপূর্ত বিভাগকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গণপূর্ত তাদের কাজ শেষ করে জমা দিলে সেটি একনেকে পাস হবে। একনেকে পাস হলেই স্থায়ী ক্যাম্পাসের কার্যক্রম শুরু হবে। তবে তাদের আন্দোলন করাটা যুক্তি আছে বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন এসব ব্যাপারে ভাল জানবেন মেডিকেল কলেজ প্রকল্প পরিচালক ডা. শহীদ তালুকদার। এ ব্যাপারে কথা বলতে মেডিকেল কলেজের প্রকল্প পরিচালক ও রাঙামাটি সিভিল সার্জন ডা.শহীদ তালুকদারকে বার বার ফোন করেও পাওয়া যায়নি। মেডিকেলবিডি /এএনবি/ ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*