কিডনি ও মূত্রনালীর সংক্রমণ

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  • 466
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
    466
    Shares

কিডনি ও মূত্রনালীর সংক্রমণ

কিডনি ও মূত্রনালীর রোগজীবাণুজনিত সংক্রমণকে ইউরিনারি ট্রাষ্ক ইনফেকশন বা ইউটিআই বলে। কিডনি ও পেলভিসের ইনফেকশনকে ওপরের মূত্রনালীর ইনফেকশন বরে। একে একিউট পাইলোনেফ্রাইটিসও বলা হয়। যখন কিডনিতে স্থায়ীভাবে দাগ পড়ে তখন তাকে ক্রনিক পাইলোনেফ্রাইটিস বলে। নিচের মূত্রনালীর ইনফেকশনকে সিস্টাইটিস বলা হয়। এ ধরনের মূত্রনালীর ইনফেকশন প্রতিরোধ করা যায়। মেডিক্যাল প্র্যাকটিসে যেসব জীবাণুঘটিত রোগ দেখা যায়, ইউরিনারি ট্রক্ট ইনফেকশন এদের মধ্যে অন্যতম।

ইপিডেমিওলজি:

পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের মধ্যে এ রোগের প্রবণতা চারগুণ বেশি। ১৫ থেকে ৬০ বছরের মহিলারাই এতে বেশি ভোগে। মহিলাদের মধ্যে এর প্রকোপ শতকরা ২০ ভাগ। শৈশবের প্রথম দিকে এ রোগ এ রোগ বালকদের মধ্যে বেশি দেখা দেয়। তার কারণ হলো মূত্রনালীতে জন্মগত বৈকল্য ইউরেথ্রার ভাল্ব এবং ব্ল্যাডার নেক অবস্ট্রাকশন ইত্যাদি। বয়ঃবৃদ্ধির সাথে সাথে মেয়েদের মধ্যে এ রোগের প্রকোপ দেখা দেয় এবং স্কুলের মেয়েদের মধ্যে গিয়ে দাঁড়ায় শতকরা ১ থেকে ২ ভাগ। বয়স যখন ৪০ বছরের বেশি হয় তখন আবার পুরুষদের প্রস্টেট গ্ল্যান্ড বড় হয়ে প্রস্রাবে বাধার সৃষ্টি হয়, ফলে বয়স্ক পুরুষদের এ রোগের মাত্রা বেড়ে যায়।

প্যাথজেনেসিস:

ইসকেরেসিয়া কোলাই এ রোগের অন্যতম প্রধান জীবাণু।  শতকরা ৮-৯০ ভাগ ক্ষেত্রে বাইরের রোগীর তুলনায় হাসপাতালের রোগীদের মধ্যে স্ট্রেপটো ফিকালিস, প্রোটিয়াস, স্টেফ অরিয়স, ক্লেবসিরা এরোজেনস ও সিডোমোনাস-জনিত ইউরিনারি ট্রাক্ট ইনফেকশনের (ইউটিআর) প্রকোপ বেশি। ব্যাকটেরিয়াল কলোনাইজেশনের (ঊর্ধ্ববাহী ইনফেকশন) এটাই ক্রমাগত প্রমাণিত হচ্ছে, ইউরিনারি ট্রআক্ট ইনফেকশনের বিশেষ করে বারবার ইনফেকশনের প্যাথজেনিসিসের বেলায় পেরিনিয়াল এবং ইউরিনারি ব্লাডার রোগজীবাণুর সংযুক্তক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এতে ‘এ’, ‘বি’ ও ‘ও’ ব্লাড গ্রুপ, সিক্রেটর স্ট্যাটাস এবং পি ব্লাড জানায় যায়। এটা পরিষ্কারভাবে দেখানো হয়েছে, পি ব্লাড গ্রুপের যারা ইনফেকশনে আক্রান্ত হয় তাদের মূত্রনালীতে ফ্রিমব্রিয়েটেড ‘ই কলাই’- এর লেগে থাকার স্থান রয়েছে।

রোগজীবাণুর পেরিনিয়াম থেকে মহিলাদের ছোট মূত্রনালীতে (ইউরেথ্রা) দিয়ে ব্লাডারে প্রবেশ করে এবং সংক্রমণ শুরু হয়। যৌন সক্রিয় মহিলাদের ইউরেথ্রাল ইনজুরিই হল প্রধান কারণ যা কোনো রোগজীবাণু ওপর দিকে প্রবশ করতে সাহায্য করে। ব্লাডার থেকে ভেসাইকো ইউরেটারিক রিফ্লাক্সের ফলে জীবাণুর ওপর দিকে প্রবেশের ফলে কিডনির সংক্রমণ হয়। যদিও এ ধরনের সংক্রমণই সাধারণত হয়ে থাকে, তবে রক্তবাহিত জীবাণু দ্বারাও কিডনি সংক্রমণ হয়। বিশেষ করে যখন কিডনিতে আগের কোনো অসুখ বিদ্যমান থাকে এবং মূত্রনালীতে বাধা বা অবস্ট্রাকশন থাকে।

ক্রনিক পাইলোনেফ্রাইটিস

প্রথমে কিডনিতে ছোট ছোট  দাগ হয়, পরে ওয়েজের মতো বড় একটা দাগ হয়, যার মাথার দিকে মেডালার মতো থাকে। শিশুদের ভেসিকো ইউরেটারিক রিফ্লাক্সের বেলায় ক্রনিক পায়লোনেফ্রাইটিসও বারবার হয়। ইউরিনারি ইনফেকশনের সম্পর্কে পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়। সেটা বয়স্কদের বেলায় ভালো বোঝা যায় না।

ন্যাচারাল হিস্ট্রি

শতকরা প্রায় পঞ্চাশ ভাগ মহিলা বিশেষ করে যৌন সক্রিয় বয়সে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের (ইউটিআই)  উপসর্গে ভুগতে থাকে ( যেমন- প্রস্রাবে কষ্ট, ঘন ঘন প্রস্রাব, প্রস্রাব করার সময় জ্বালা ইত্যাদি)। কিন্তু শিশুর বেলায় যদি চিকিৎসকেরা সচেতন না থাকেন তবে রোগ নির্ণয়ে ভুল হতে পারে। কেননা শিশুরা উপসর্গ বলতে পারে না।

সাধারণ উপসর্গগুলো হলো:

০১. দুর্বলতা ০২. খাওয়ার অরুচি ০৩. বারবার জ্বর হওয়া ০৪. বিছানায় প্রস্রাব করা ০৫. শিশুরা ঠিকমতো বেড়ে না ওঠা ০৬. পেটের পীড়া (অজীর্ণ ডায়রিয়া প্রভৃতি)।

রিবারেন্স বা বারবার ইনফেকশন হওয়া ইউরিনারি ট্যাক্ট ইনফেকশনের সবচেয়ে বিরক্তিকর দিক হলো এটার পুনরাগমন বা রিকায়েন্স। যেসব মহিলার ইউরিনারি ইনফেকশন হয়েছে তাদের শতকরা ৫ ভাগের প্রথম এক বছরের মধ্যে পুনরায় ইনফেকশন হয়। যখন একই জীবাণু দ্বারা সংক্রমণ হয় তখন রিকারেন্সকে রিলাক্স বলে।

উপসর্গহীন জীবানু নিঃসরণ

যখন উপসর্গ ছাড়া কোনো ব্যক্তির প্রস্রাবের সাথে সুনির্দিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ মাত্রায় জীবাণু বের হতে থাকে ১ ও ১০ প্রতি মিলিলিটারের ফলাফল কী হতে পারে এ নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে।

শৈশবকাল

এ বয়সে উপসর্গহীন জীবানু নিঃসরণকে অতি গুরুত্বসহকারে চেনা উতি। কারণ এক সময় এটা ক্রনিক পাইলোনেফ্রাইটিসে রুপ নিতে পারে।

স্কুলে পড়া মেয়েরা

শতকরা ১ থেকে ২ ভাগ স্কুলের মেয়েরা উপসর্গহীন জীবানু নিঃসরণ করত থাকে যদি এসব মেয়েরা চিকিৎসা করা না হয়, তবে তারা ভবিষ্যতে ক্রনিক পাইলোনেফ্রাইটিস রোগে ভুগতে পারে। এসব মেয়েদের ভেসিকো ইউরেটারিক রিফ্লাক্সে ভোগার প্রবণতাও থাকে।

গর্ভাবস্থায়

প্রায় শতকরা ৫ ভাগ উপসর্গহীন নিঃসরণ ভুগতে থাকে এবং এদের মধ্যে শতকরা ১৫ থেকে ৫০ ভাগের একটু পাইলোনেফ্রাইটিসে ভোগার ঝুঁকি থেকে যায়। গবেষণায় দেকা গেছে, গর্ভবস্তায় ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন মা ও শিশুর ওপর হুমকি হিসেবে দেখা দেয়। এতে প্রিম্যাচিউর ডেলিভারি, নিউনেটাল ডেথ, স্টিলবার্থ ও অ্যাবরশন বেশি হয়। আবার যেসব মহিলা গর্ভাবস্থায় ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন ভুগছে তাদের প্রসূত সন্তানেরা বুদ্ধিবৃত্তি ও পেশিশক্তিতে দুর্বল হয়ে থাকে। মায়েদের উচ্চ চাপ ও প্রি-এক্লামটিস টক্সিমিয়া হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে।

জটিলতার হার

নিম্নলিখিত শ্রেণীর রোগীরা ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনে জটিলতা হতে পারে-

যেকোনো বয়সে রোগী যাদের মূত্রনালীতে অবস্ট্রাকশন থাকে।

যেসব শিশুর ভেসিকো মূত্রনালির প্যারালাইসিস বিশেষ করে মেরুদন্ডে আঘাতপ্রাপ্ত রোগীরা।

রোগ নির্ণয়

উপসর্গ থাকরে এ রোগ নির্ণয় খুব সহজ, কিন্তু ভুলও হতে পারে। কোনো কোনো রোগীর উপসর্গ ছাড়াই ইনফেকশন থাকতে পারে । সুতরাং এ রোগ সঠিক নির্ণয়ের জন্য ল্যাবরেটরি পরীক্ষা নিরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে।

প্রস্রাবের শ্বেতকণিকা

যদি প্রস্রাবের পরীক্ষা করে মাইক্রোস্কোপের নিচে হাইপাওয়ারে ৫-এর আধিক পুঁজ সেল পাওয়া যায় তবে তা ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের ইঙ্গিত দেয়। যেসব রোগীদের প্রস্রাবের সাথে পুঁজ সেল বের হয় অথচ সাধারণ কালচার করে কোনো রোগীজীবাণু পাওয়া যায় না, এদের বেলায় টিউবারটিসের অনুসন্ধান চালানো হয়েছে। সুতরাং পাইওরিয়া অন্যান্য কেমিক্যাল টেস্টের মতো ইউটিআই নির্ণয়ের এককভাবে সঠিক নয়। এর সঠিক রোগ নির্ণয় জীবাণু কালচারের মাধ্যমে হয়।

ইউরিন কালচার

পঞ্চাশ শতকের সূচিত পদ্ধতি- প্রস্রাবের স্রোতের মধ্যভাগ থেকে প্রস্রাব নিয়ে কালচার করা এবং রোগজীবাণু পরিমাণ করা ইউটিআই নির্ণয়ের অনেক সাহায্য করেছিল। অফিসে বসেই স্লাইড বা ফিস্টার পেপারে ইউরিন দিয়ে ডি ইনকালেকশন করে কালচার করা হয়। সঠিক পদ্ধতিতে মিউকাস স্টিম ইউরিন সংগ্রহ করে দ্রুত ল্যাবরেটরিতে ট্রান্সফার করে কালচার করলে ভুল রিপোর্ট পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

প্রতি মিলিমিটারে ইউরিন ১ লাখ বা ততোধিক রোগজীবাণু পাওয়া গেলে তাকে যোগ্য ইউরিন ইনফেকশন বলে। ইউটিআই-কে স্থানীয়ভুত করার উদ্দেশ্য হলো উপরি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনকে পৃথকীকরণ করায়। যাতে করে ওপরে ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা দ্বারা ক্ষয় রোধ করা যায়। প্রচলিত ক্লিনিক্যাল যথা জ্বর, কোমরে ব্যথা হলে ইউরেটার থেকে প্রস্রাবের স্যাম্পল সংগ্রহ করা হয়। এই পরীক্ষা অত্যন্ত সেনসেটিভ ও স্পেসিফিক। কিন্তু এতে বিশেষ ধরনের যন্ত্রের সাহায্যে ইউরিন সংগ্রহ করা হয় এবং এটা শিশুদের ভেসিকো ইউরেটারিক রিফ্লাক্সের বেলায় উপকারী নয়।

ফেরারি টেস্ট

এটা ব্লাডার ওয়াস আউট টেস্ট, একটা ইনডুয়েলিং ফলিস ক্যাথেটারের সাহায্যে স্টেরাইল নরমাল স্যালাইনের দ্বারা ব্লাডার পরিষ্কার (ওয়াশ) করা হয়। ব্লাডার পরিষ্কার করা স্যালাইনে শেষ অংশটুকু কালচারের জন্য সংগ্রহ করা হয়। তারপর ১০ মিলিগ্রাম ফ্রুসেমাইড ইনট্রাভেনাস ইনজেকশন দেয়া হয় এবং ২০, ৩০, ও ৬০ মিনিট পর ইউরিন স্যাম্পল সংগ্রহ করে কালচার করা হয়। জিরো সময়ে স্যাম্পল জীবাণু কলোনি কাউন্ট থাকবে শতকরা ১ ভাগের কম এবং পরবর্তী স্যাম্পলগুলোতে শতকরা ১০ ভাগের বেশি জীবাণু কলোনি কাউন্ট বাড়লে তবে ওপরের ট্র্যাক্ট ইনফেকশন নির্ণয় করা হবে।

অ্যান্টিবডি আবৃত জীবাণু দিয়ে পরীক্ষা

এই পরীক্ষার যৌক্তিকতা হলো যখন জীবাণু কিডনিকে আক্রমণ করে এর বিরুদ্ধে শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়, সেটা রোগ জীবাণুর সাথে লেগে যায়। ফ্লোরেসেন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করে এটাকে শনাক্ত করা যায়। সাধারণত ১ শতাংশ ফ্লোরেসন্ট জীবাণুকে কাট-অফ পয়েন্ট হিসেবে ধরা হয়। তবে এই পরীক্ষায় ফলস পজিটিভ ও নেগেটিভ রেজাল্ট আসে এবং নিয়মিত ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে এটা ব্যবহার করা হয় না। ওপর-নিচের ট্রাক্ট ইনফেকশনকে পৃথকীকরণ করার জন্য আরো বিভিন্ন টেস্ট ব্যবহার করা হয় যেমন: বিটা-২ মাইক্রোগ্লোবুলিন এক্সক্রিসান, ইউরিনারি লেকটিক ডি হাইড্রোজিনেস (এলডিএইচ) আইসো এনজাইম ৪ এবং ৫ এবং সিঙ্গল ডোজ এন্ডি মাইক্রোবিয়ার টেস্ট ইত্যাদি।

রেডিওলজিক মেথড

ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত ইন্ট্রাভেনাস ইউরোগ্রাম/(আইভিইউ) প্রায় কিনডিতে জখম নির্ণয়ে সাহায্য করে। অস্ট্রাকটিভ পাইলোনেফ্রাইটিসের ১/৩ ভাগ ক্ষেত্রে আইভিইউতে কোনো দোষ ধরা যায় না।

ব্যবস্থাপত্র

সাধারণ ব্যবস্থা: সব ইউটিআই-এর রোগীদের বেশি পরিমাণ পানীয় পান করতে এবং ঘন ঘন প্রস্রাব করতে বলা হয়। প্রস্রাবের পিএইচ পরিবর্তন করার সাধারণ দরকার হয় না। তবে এলকালোসিস হলে ইউরিনের এসিডিটি কমে এবং কিছু উপসর্গ কমে যায়। তা ছাড়া এতে সালফোনোমাইড ও এমাইনোগ্লাইকোসাইডসের কাজও ভালো হয়।

 

একুইট পাইলোনেফ্রাইটিস

ইউরিন কালচারের পর ওষুধের কার্যকারিতা দেখে ওষুধ প্রেসক্রিপশন করাই হলো আদর্শ চিকিৎসা। যেসব ওষুধ প্রস্রাবের যথেষ্ট ঘনত্বে বের হয় সেসব ওষুধই বেশি পছন্দনীয়। বেশি ব্যবহৃত ওষুধ হলো ট্রাইমিথোপ্রিম, সালফামিথোক্সজল, এমপিসিলিন, এমোক্সিসিলিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন এবং সেফালোস্পোরিন। ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন দূর করতে চিকিৎসার সময়কাল ৩ থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত হয়। যেসব ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন উল্লেখিত ওষুধের প্রতি জীবাণুর রেজিস্ট্যান্স ডেভেলপ করে বিশেষ করে যেসব ক্ষেত্রে মূত্রনালীতে অবস্ট্রাকশন, সেসব ক্ষেত্রে অ্যামাইনোগ্লাকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিকসের প্রয়োজন পড়ে, যেমন- ইনজেকশন জেন্টামাইসিন। এসব অ্যান্টিবায়োটিকের ডোজ পরিমাপ করার জন্য কিডনির কার্যকারিতা পরীক্ষা করে দেখা প্রয়োজন।

ঘন ঘন ইনফেকশনের চিকিৎসা বারবার ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনকে ২ ভাগে ভাগ করা যায়- ১. রিলান্স ২. রি-ইনফেকশন

রিলান্স

রিলান্স যাতে ইনফেকশনের জীবাণু থেকেই যায়। ওষুধের প্রতি জীবাণুর রেজিস্ট্যান্স অথবা অপ্রতুল চিকিৎসার ফলে কয়েক দিনের মধ্যে একই জাতীয় এবং একই সিরোটাইপের জীবাণুর আবির্ভাব হয়।

রি-ইনফেকশন

এটা সাধারণত নতুন জীবাণু দ্বারা সংগঠিত হয় এবং অনির্দিষ্ট সময় পরে হয়। রিলান্স এবং রি-ইনফেকশন দুটোই ওপরের এবং নিচের ইনফেকশন হতে পারে। সিঙ্গেল ডোজ চিকিৎসার ফলে রিলান্স তা যথার্থ অ্যান্টিবায়োটিক দ্বারা দুই সপ্তাহ ধরে চিকিৎসা করানো দরকার। রি-ইনফেকশনের প্রতিরোধ ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে ৫০ মিলিগ্রাম নাইট্রোফুরানটয়েন বা ১০০ মিলিগ্রাম টাইমিথোপ্রিম রাতে সেবন করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এ ধরনের সময়কাল ছয় মাস থেকে দুই বছর হয়ে থাকে।

কিডনিতে প্রদাহ থেকে ক্রনিক রেনাল ফেইলিউর ধীর গতিতে কিডনি অকেজোর একটি অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। প্রাপ্তবয়স্ক মহিলা এবং শৈশবে ও বৃদ্ধ বয়সে পুরুষেরা এই রোগে বেশি আক্রান্ত হন। প্রাথমিক পর্যায়ে এই রোগ নির্ণয় করেও যথাযথ চিকিৎসাব্যবস্থার মাধ্যমে এই রোগ হতে এবং  -এর প্রবণতা কমানো সম্ভব।

আরও পড়ুনঃ কিডনির পাথর থেকে সুরক্ষার পাঁচ উপায়।

গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

18 − nine =