মহানবীর (সা:) সেই চিকিৎসা বিধান সম্পর্কে অনেকগুলো গ্রন্থ রচিত হয়েছে। হাদীসের শ্রেষ্টতম গ্রন্থ বুখারীতে ‘তিব্বুন নবী’ শীর্ষক ৮০টি পরিচ্ছেদে রয়েছে। এ হাদীসগুলো পর্যবেক্ষন করলে দেখা যায় অধিকাংশই রোগ নিরাময়ের জন্য; নিবারণের বব্যস্থ্যা খুবই কম। তা সত্ত্বে চিকিৎসা বিজ্ঞানকে বিশ্বনবী (সা) যে গুরুত্ব প্রদান করছেনে তার ফল সূদুর প্রসারী হয়েছে। (Prof. Brown) বলেছেন, নবী মুহাম্মদ (সা) চিকিৎসা বিজ্ঞানকে ধর্মের সাথে যুক্ত করে দিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য-(Prophet Mohammad is a traditionally Familiar to all muslims is said to have linked medicine in importance with theology.) রোগ নিরাময়ের ব্যবস্থা হিসেবে মাহনবী (সা) মোটামুটি ৫টি পদ্ধতি
ব্যবহারের উল্লেখ করেছেন :
১. হাজামত বা রক্তমোক্ষণ পদ্ধতি;(যেটি বর্তমানে হিজমা/cupping থেরাপি নামে পরিচিত)
২. লোলুদ বা মুখ দিয়ে ওষুধ ব্যবহার;
৩. সা’উত বা নাক দিয়ে ওষুধ ব্যবহার;
৪. মাসী’ঈ বা পেটের বিশোধনের জন্য ওষুধ ব্যবহার;
৫. কাওয়াই তথা লোহা পুড়িয়ে ছ্যাকা দেওয়া।
আর ঔষধ হিসেবে তিনি ব্যবহার করেছেন-১. মধু: ২. কালজিরা; ৩. সামুদ্রিক কুন্তা বা বুড়; ৪. মেহেদী; ৫. খেজুর; ৬. জলপাই; ৭. কাকরোল; ৮. মক্কার সোনামুখী গাছ; ৯. মান্না’ ব্যাঙের ছাতার মত এক প্রকার উদ্ভিদ; ১০. ঘৃতকুমারী (মুসব্বর); ১১. এন্টেমনী; ১২. মৌরী; ১৩. মাদুরের পোড়া ছাই; ১৪. উটের দুধ প্রভৃতি।
সাধারণত জ্বর, মাথাধরা, চোখ উঠা, কুষ্ট, প্লুরিসি ইত্যাদি রোগের ঔষধ হিসেবে উক্ত জিনিগুলো ব্যবহৃত হয়েছে। আরবী চিকিৎসা শাস্ত্রে মহানবীর ব্যবহৃত কিছু শব্দ নতুন সংযোজিত হয়েছে, যেমন- জুজাম (Tubercular Leprosy) ; জুতুল জানব (Pleurisy); কুস্তা,উদাহিন্দি, ইছমিদ, শিওনিজ, ইত্যাদি।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।

