
ক্যান্সার
ব্যায়ামে ক্যান্সার পরাস্ত
আমি একসময় ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে শুধুমাত্র ব্যায়ামে কিভাবে সুস্থ হই, সেই গল্পই বলব আজ। সঠিক স্বাস্থ্যবান হওয়া অভীষ্ট লক্ষ্য নয়, ব্যায়াম হলো স্বাস্থ্য সুরক্ষার অন্যতম উপায় বা পদ্ধতি।
আমার শারীরিক যোগ্যতা অর্জনের প্রচেষ্টা শুরু হয় প্রায় ১০ বছর আগে এবং শুরু থেকে ওটা আমার কাছে ছিল বেনুনাকার কোস্টারের মতো। সর্বপ্রথম আমি কোনো জিম বা ব্যায়ামগারে যোগ দিই। সেখানে আমার করণীয় একটা মাসিক চার্ট দেয়া হয়; সেটি অনুসরণ করে আমাকে ব্যায়াম করতে হবে। একজন প্রশিক্ষক বা গাইড আমাকে প্রশিক্ষণ দিতেন। আমি মেঝেত ব্যায়মা শুরু করি। কিন্তু প্রথম প্রথম আমর খুব ক্লান্তি লাগত। বিরক্ত বোধ হতো। ফলে আমার কাজে যতটা উন্নতি হওয়া প্রয়োজন ছিল, তা হলো না। কারণ, জিমের যন্ত্রপাতির সাথে আমি অভ্যস্ত নই। ওটা করতে খুব ভালো লাগল না। তাই ওটা ছেড়ে কিছু দিন বিরতি নিলাম।
তারপর সেখানকার নানা রকম ব্যায়াম করলাম আমার কাজে বৈচিত্র্যের জন্য। যেমন- ইয়োগা, স্টেপ অ্যারোবিক পিকবক্সিং শুরু করি। কারণ, এগুলো মানসিক উত্তেজনাপূর্ণ ও শরীর উত্তেজন। এসব ব্যায়াম আমার বেশ ভালো লাগত এবং এগুলো আমার জন্য সহায়ক। এসব কাজ শরীরকে বেশ রিল্যাক্স করে। এর পর আমার শারীরিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য ভার উত্তোলন প্রশিক্ষণ শুরু হয়। এটার জন্য আমি অন্য আরেকটি ব্যায়ামেগারে যোগ দেই। সেখানেও আমার জন্য একজন পৃথক প্রশিক্ষক ছিলেন। লক্ষ করি, তিনি আগের চেয়ে একজন পৃথক বৈশিষ্ট্যের মানুষ। এখন আমি জিমের বিভিন্ন যন্ত্রের সাথে পরিচিত হই এবং ব্যবহার শিখি। এখানে খাদ্য ও পুষ্টি সম্পর্কেও পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। কী পরিমাণ প্রোটিন ও ক্যালরি নিতে হবে, কতটুকু নিতে হবে এবং সেগুলো নেয়ার সঠিক সময় কখন, এসব বলে দেয়া হতো।
গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড
medicalbd সাস্থের সকল খবর।
