
ক্যান্সার পরাস্ত
ব্যায়ামে ক্যান্সার পরাস্ত করলেন কিভাবে জানুন (দ্বিতীয় খন্ড)
গত বছর মার্চ পর্যন্ত সব কিছু সঠিকভাবে চলে। হঠাৎ ধরা পড়ে আমি সার্ভিক্যাল ক্যান্সারে আক্রান্ত। এ রোগ ধরা পড়ায় আমার সব কার্যক্রম থেমে গেল। চিকিৎসা করাতে হবে। সার্জারি হলো এর একমাত্র চিকিৎসা।অবশেষে সফল সার্জারি হলো, কিন্তু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলো। সার্জারির পর কোনো কোনো রোগীর এটা হয়। খুসঢ়য ঘড়ফবৎ বা লাসিকা গ্রন্থি কেটে ফেলে দিলে খুসঢ়যবফবসধ হয়। এটার দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা করাতে হয়। এটা হলে টিসুর নির্যাস বাড়ে এবং পায়ে জ্বালা–যন্ত্রণা ও ব্যথা হয়। আমি আমার ডান পা ভাঁজ করতে পারি না। পায়ের ওপর পা রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ে।
জুলাই থেকে আমার ডান পা সম্পূর্ণ ব্যান্ডেস করে রাখতে হয়। শুধূ ডান পা নয়, বাম পাও ব্যান্ডেজ করা হয়। এভাবেই এক মাস চলে। সারা দিন পায়ে মোজা পরে থাকতে হয়। রাতেও পায়ে ব্যান্ডেজ রাখতে হয়। কী যন্ত্রণা। এ জন্য আমি শুধু শারীরিক নয়, মানসিকভাবেও বিপর্যস্ত হয়ে পড়ি। কিন্তু আমার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইচ্ছা আমাকে শক্তি জোগায়। শুরু হয় থেরাপি দেয়া। থেরাপি দেয়ার ফলে আমার পায়ের ব্যাথা ও জ্বালা–যন্ত্রণা কমে গেল। আমি আরেক জিমে গিয়ে ঘরের ভেতরে করা যায়, এমন ব্যায়াম শুরু করি।
সেখানে কার্ডিও ব্যায়ামের সাথে পাওয়ার ইওগা শুরু করি প্রশিক্ষকের নির্দেশ মোতবেক। এর ফলে আমার পায়ের নমনীয়তা ফিরে আসে। আমি নিজে নিজেই আমার পা ব্যান্ডেজ করতে সক্ষম হই। এর আগে এ কাজ করত আমার পরিবারের লোকেরা। আমি আশা করছি, শিগগিরই আমি ভার উত্তোলন করতে সক্ষম হব।
প্রবাদ আছে, হয় ব্যবহার করো, না হয় ত্যাগ করো, ‘স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল’। ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আগে যদি আমি জিমে না যেতাম বা স্বাস্থ্য সচেতন না হতাম, তাহলে আমার অবস্থা অত্যন্ত করুণ বা শোচনীয় হতো।
জীবনের যত বিনিয়োগ ব্যবস্থা আছে, তার মধ্যে স্বাস্থ্যেও জন্য বিনিয়োগ সর্বশ্রেষ্ঠ। এর উদাহর আমি। আমাদের সবারই স্বাস্থ্য সচেতন হওয়া উচিত। অন্যথায় রোগ–শোক নিয়ে বেঁচে থাকা নিরর্থক।
গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড
medicalbd সাস্থের সকল খবর।
