
ডায়াবেটিসের ঝুঁকিতে
আপনি কি ডায়াবেটিসের ঝুঁকিতে আছেন ?
অতিরিক্ত ক্ষুধা বা তৃষ্ণা, ওজন কমা , দৃষ্ঠিশক্তি হ্রাস প্রভৃতি উপসর্গ সাধারণত ডায়বেটিসের লক্ষণ। কিন্তু লক্ষণগুলো সব সময় নাও থাকতে পারে। প্রতি ২জন ডায়াবেটিস রোগীর মধ্যে ১ জন জানেন না যে তিনি এ রোগে আক্রান্ত। অনেক ক্ষেত্রে চোখের জটিলতা, হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনি জটিলতা, পায়ে পঁচন, খোস-পাচড়া প্রভৃতি জটিলতা নিয়ে ডায়াবেটিস শনাক্ত হয়।
সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় তাই ডায়াবেটিসের চিকিৎসা ও জটিলতা প্রতিরোধের অন্যতম পূর্বশর্ত। তাই ডায়বেটিসের কোনো লক্ষণ না থাকলেও যারা ঝুঁকিতে রয়েছেনতাদের নিয়মিত ডায়াবেটিস পরীক্ষা করানো উচিত।
কারা ঝুঁকিপূর্ন ?
- বয়স ৪৫ বা তার বেশি
- স্থূল ব্যক্তি
- রক্ত-সম্পর্কীয় নিকটাত্মীয়য়ের ডায়াবেটিস থাকলে
- শারীরিক পরিশ্রমের ঘাটতি
- গর্ভকালীন ডায়াবেটিস বা অধিক ওজনের সন্তান প্রসবের পূর্ব ইতিহাস পলিস্টিক ওভারি সিনড্রম
- উচ্চরক্তচাপ, স্ট্রোক বা হৃদরোগ
- রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বেশি এবং এইচডিএলের মাত্রা কম থাকলে
তাছাড়া গর্ভবতী নারীদের সময়মতো ডায়বেটিস নিণয় না হলে, বেশি ওজনের শিশু জন্মদান, অকালগর্ভপাত, মৃত সন্তান প্রসব, প্রসব-পরবর্তী শিশু মৃত্যু, জন্মগত ত্রুটি বা প্রসব-পরবর্তী মা ও সন্তানের বিভিন্ন জটিলতা দেখা দেয়। শিশুদের সাধারণত টাইপ-১ ডায়াবেটিস বেশি দেখা যায়। তাবে ১৮ বছরের নিচেও টাইপ-২ ডায়অবেটিস থাকার আশঙ্কা তাকে। তাই স্থুলকায় বাচ্চা এবং সেই সাথে রক্তসম্পর্কীয় নিকট আত্মীয়ের ডায়বেটিস বা মায়ের গর্ভকারীন ডায়াবেটিসের ইতিহাস থাকলে অথবা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্টের উপসর্গ যেমন-ঘাড়ের কালো দাগ, উচ্চরক্তচাপ, পলিস্টিক ওভারি সিনড্রম প্রভৃতি থাকলে ১০ বছরের বয়সের পর যেকোনো শিশুর ডায়াবেটিস পরীক্ষা করা উচিত।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।
