সামুদ্রিক মাছ কারা খাবেন!

সামুদ্রিক মাছ কারা খাবেন! 

সামুদ্রিক মাছ কারা খাবেনঃ

মাছ খাওয়া ভালো একথা নতুন করে বলার নেই তবে সামুদ্রিক ও টিনজাত মাছ হিসাব করে খাওয়াই উত্তম। বিশেষ করে মহিলা যারা সন্তানসম্ভবা, স্তন্যদানকারী অথবা ভবিষ্যতে মা হতে ইচ্ছুক। শিশুরা বিশেষ করে ১২ বছরের নিচে কিশোর-কিশোরী সবার সাথে এ সাবধানবানী প্রযোজ্য। সামুদ্রিক মাছের মধ্যে যেগুলো দীর্ঘজীবী তারা বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ নিজদেহে প্রচুর জমা রাখতে পারে। এছাড়া টিনজাত মাছের ক্ষতিকারক পরিক্লোরিনেটেড বাইকিনাইলস (পিসিবিস) গর্ভসঞ্চারণ বয়সী মহিলাদের জন্য হুমকি স্বরুপ। অন্যদিকে মাছের প্রোটিন ও ওমগো থ্রি ফ্যাটি এসিড গর্ভস্থ শিশুর মানসিক বৃদ্ধির সহায়ক। এসব বিবেচনা করে মায়েদের জন্য সপ্তাহে ৮৫ গ্রামের বেশী সামুদ্রিক মাছ না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য। তবে হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এর কোন বাঁধাধরা নিয়ম নেই।

অতিমাত্রায় পারদ শরীরের জন্য বিষাক্ত। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে মস্তিষ্ক, হৃদযন্ত্র, বৃক্ক, ফুসফুস ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। সোর্ডফিস বা তলোয়ার মাছ, হাঙর, সাদা স্যামন, সার্ডিনস ইত্যাদি মাছে প্রচুর পরিমাণে থাকে এই ধাতু। তবে স্বাভাবিক মাত্রায় এই মাছগুলো খেলে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা খুঁজে পায়নি গবেষকরা। বেশির ভাগ মানুষের কাছেই মাছ খাওয়া একটি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। তবে পারদ সমৃদ্ধ খাওয়ার প্রভাব সম্পর্কে প্রশ্ন থেকেই যায়।

গবেষণায় জানা যায়, যাদের বাৎসরিক পারদ গ্রহণের পরিমাণ কম তাদের তুলনায় এদের ‘এএলএস’য়ে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা দ্বিগুণ। মাছ খাওয়ার স্বাস্থ্যগুন সম্পর্কে নেতিবাচক কোনো প্রভাব ইঙ্গিত না করলেও কোন মাছ খাবেন সে বিষয়ে সতর্ক হতে হবে। প্রচুর পারদ থাকে এমন মাছ খেতে হবে রয়েসয়ে।

আরও পড়ুনঃ ইসলামের আবির্ভাব ও চিকিৎসা শাস্ত্র।

গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড

One comment

  1. সামুদ্রিক মাছ সবাই খেতে পছন্দ করে না। সবাই খেতে চাইলেও সবাই ক্ষেতে পারে না। সামুদ্রিক প্রাণী সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*