
সকালে এক গ্লাস অ্যালোভেরার জুস
সকালে এক গ্লাস অ্যালোভেরার জুস বা ঘৃতকুমারীর রস পান করলে নানাবিধ রোগবালাই থেকে মুক্ত থাকা যায় বলে ভেষজ বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন। তারা বলেন, ভেষজ অ্যালোভেরার রয়েছে অনেক গুণ। দেখা গেছে, কেবল ভিটামিন ডি ছাড়া বাকি সব ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল পাওয়া যায় এই অ্যালোভেরার জুস থেকে। সুস্থ থাকার জন্য তাই নিয়মিত অ্যালোভেরার জুস পানের কোনো বিকল্প নেই। হজমে গণ্ডগোল, কোষ্ঠকাঠিন্য ও পেটে এসিডিটির সমস্যায় সকালে নিয়মিত এক গ্লাস অ্যালোভেরার জুস পান করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। খাদ্যের সাথে যেসব টক্সিন বা দূষিত পদার্থ (একধরনের বিষ) আমাদের শরীরে এসে জমা হয়, সেসব টক্সিন শরীর থকে বের করে দিতেও সাহায্য করে এই অ্যালোভেরার জুস। প্রতিদিন সকালে অ্যালোভেরার জুস পান করলে উল্লিখিত সমস্যা দূর হওয়ার পাশাপাশি রক্তশূন্যতাও দূর করে এবং দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। তেমনি এই প্রাকৃতিক উপাদানটিকে কাজে লাগিয়ে আরও অনেক রোগকেই দূরে রাখা সম্ভব। যেমন ধরুন…
হার্টের ক্ষমতা বাড়ে:
বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে, অ্যালোভেরা জুস খাওয়া মাত্র সারা শরীরে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের প্রভাব বেড়ে যায়, যে কারণে শরীরের প্রতিটি অঙ্গের পাশাপাশি হার্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতেও সময় লাগে না। সেই সঙ্গে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাও হ্রাস পায়। ফলে কোনও ধরনের হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও দূর হয়।
ক্ষতের চিকিৎসায় কাজে আসে:
রোজের ডায়েটে এই প্রকৃতিক উপাদানটিকে জায়গা করে দিলে দেখবেন কখনও শরীরে কোনও চোট-আঘাত লাগলে সেই ক্ষত সারতে সময় লাগবে না। কারণ অ্যালোভেরা জুসে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরে প্রবেশ করা মাত্র এমন খেল দেখায় যে, যে কোনও ধরনের ক্ষত সারতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, ক্ষতের উপরে অ্যালোভেরা জেল লাগালেও কিন্তু সমান উপকার পাওয়া যায়।
নানাবিধ হরমোনের ক্ষরণ ঠিক মতো হয়:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত অ্যালোভেরা জেল খাওয়া শুরু করলে দেহের ভেতরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে, যার প্রভাবে প্রয়োজনীয় হরমোনের ক্ষরণ ঠিক মতো হতে শুরু করে। ফলে হরমেনাল ইমব্যালেন্স হওয়ার মতো সমস্যা ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। প্রসঙ্গত, প্যানক্রিয়াস সংক্রান্ত নানা রোগের চিকিৎসাতেও এই প্রকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়:
বেশ কিছু কেস স্টাডিতে দেখা গেছে, নিয়মিত এই প্রকৃতিক উপদানটি খাওয়া শুরু করলে শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং মিনারেলের ঘাটতি দূর হয়। সেই সঙ্গে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ঘাটতিও দূর হতে থাকে। প্রসঙ্গত, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হল সেই উপাদান, যা আমাদের শরীরকে রোগ মুক্ত রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, অ্যালোভেরা জেলকে যদি তুলসি, করলা অথবা আমলকির রসের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন, তাহলে আরও বেশি উপকার মেলে। সে ক্ষেত্রে ভিতর এবং বাইরে থেকে শরীরের ক্ষমতা তো বাড়েই, সেই সঙ্গে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।
শরীর থেকে টক্সিক উপাদানেরা বেরিয়ে যায়:
প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এই রসটা যদি খেতে পারেন, তাহলে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টর পরিমাণ এত বৃদ্ধি পায় যে দেহের প্রতিটি কোণায় জমতে থাকা টক্সিক উপাদানেরা বেরিয়ে যেতে শুরু করে। প্রসঙ্গত, এই সব টক্সিক উপাদানদের মাত্রা যদি বৃদ্ধি পেতে থাকে, তাহলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গের কর্মক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। ফলে নানাবিধ রোগ ঘারে চেপে বসতে সময়ই নেয় না। তাই বিষয়ে সাবধান থাকাটা জরুরি!
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:
সুস্থভাবে দীর্ঘদিন যদি বাঁচতে চান তাহলে অ্যালোভেরা রস খেতে ভুলবেন না যেন! কারণ নিয়মিত এই প্রকৃতিক উপাদানটি গ্রহণ করলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এতটা শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে সর্দি-কাশি থেকে শুরু করে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে।
হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:
শীত মানেই পিকনিক, সেই সঙ্গে এদিক-সেদিকের খাবার খাওয়া তো রোজের নিয়ম হয়ে দাঁড়ায়েছে। আর এমনটা করতে গিয়ে কি পেটের হাল বেজায় বেহাল হয়ে পরেছে? তাহলে তো আজ থেকেই অ্যালোভেরা জুস খাওয়া শুরু করতে হবে। কারণ এই প্রকৃতিক উপাদানটি শরীরে প্রবেশ করার পর পাচক রসের ক্ষরণ এতটা বাড়িয়ে দেয় যে বদ-হজমের মতো রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে গ্যাস-অম্বল, অ্যাসিডিটি এবং কনস্টিপেশনের মতো সমস্যাও কমতে শুরু করে। এবার বুঝেছেন তো খাদ্যরসিকদের জন্য অ্যালোভেরা রস খাওয়ার প্রয়োজন
লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন বেড়ে যায়:
অনেক নারীই অ্যানিমিয়ায় ভুগছেন। এমন পরিস্থিতিতে অ্যালোভেরা প্লান্টের রস খাওয়ার প্রয়োজন যে বেড়েছে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কারণ এই প্রকৃতিক উপাদানটিতে উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান দেহের ভেতরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে লহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন বাড়তে শুরু করে। ফলে অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমতে সময়ই লাগে না।
দাঁতের ব্যথাও উপশম করতে অ্যালোভেরার জুড়ি নেই:
শুধু শরীরের ব্যথাই নয়, বরং আপনার দাঁতের গোঁড়ায় বা মাড়িতে ব্যথা হলে নির্দিধায় খেয়ে নিন অ্যালোভেরার শরবত। এটি শুধু দাঁতের ব্যথাই উপশম করবে না, বরং আপনার দাঁতে কোনো ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দিবে সহজেই! নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস পান করলে আপনি দাঁতের ক্ষয় প্রতিরোধও করতে পারবেন।
ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করুন অ্যালোভেরার সাহায্যে:
ডায়াবেটিস রোগীরা কমবেশি প্রায় সবাই সবসময়ই দুশ্চিন্তায় থাকেন তাদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা নিয়ে। আর এই দুশ্চিন্তা থেকে বেশ খানিকটা মুক্তি দিতেও অ্যালোভেরার ভূমিকা অনবদ্য। অ্যালোভেরা শরবত রক্তে সুগারের পরিমাণ ঠিক রাখে, সেই সাথে দেহে রক্ত সঞ্চালনও বজায় রাখে সুষ্ঠুভাবে। আপনার ডায়াবেটিস যদি প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়ে, তাহলে নিয়মিতভাবে এই শরবত খেলে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব।
দেখলেন তো- একটি মাত্র গাছের পাতার শরবত থেকে আপনি কতভাবে উপকৃত হতে পারছেন? তাহলে দেরি না করে আজই শুরু করে দিন অ্যালোভেরার শরবত নিয়মিতভাবে পান করা! আপনার সুস্থ ও সুন্দর শরীর-স্বাস্থ্য বজায় রাখতে অবশ্যই অ্যালোভেরার শরবত খেতে থাকুক নিশ্চিন্ত মনে।
রেসিপি ১.
উপকরণ
অ্যালোভেরা পাতা ১ টি, জল ১ গ্লাস, বিট নুন ১ চামচ, গোলমরিচ গুঁড়ো ১/২ চামচ, মধু ৩ চামচ, বরফ প্রয়োজন অনুযায়ী।
প্রণালী
অ্যালোভেরার পাতা থেকে রস বা জেল বার করে নিন। এবার জলের মধ্যে অ্যালোভেরার জেল, মধু, বিট নুন, গোলমরিচ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। বরফ কুচি করে দিন। ব্যাস। আপনার অ্যালোভেরার শরবত রেডি। রোজ সকালে উঠে এক গ্লাস খান। দেখবেন আপনার শরীর মন দুইই সুস্থ থাকছে।
রেসিপি ২.
উপকরণ
অ্যালোভেরা পাতা ১ টি, জল ১/৪ গ্লাস, আপনার পছন্দের ফলের রস ৩/৪ গ্লাস, চিনি ১ ১/২ চামচ, লেবুর রস ১/২, বরফ কুচি প্রয়োজন মতো।
প্রণালী
অ্যালোভেরার পাতা থেকে রস বের করে নিন। তারপর ওই রসটা আর বাকি সব উপকরণ একসাথে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার গ্লাসে ঢেলে নিন। ইচ্ছে হলে ওপরে বরফ কুচিও দিতে পারেন। এবার খেয়ে ফেলুন। দেখবেন খেতে অতটাও কিন্তু খারাপ লাগছে না। আর এদিকে শরবতও খাওয়া হচ্ছে, আর অ্যালোভেরাও খাওয়া হচ্ছে।
রেসিপি ৩.
উপকরণ
অ্যালোভেরা পাতা ১ টা, জল ১ গ্লাস, মধু ৩ চামচ, লেবুর রস ১/২ চামচ, পুদিনা পাতা থেঁতো করা অল্প, জলজিরার প্যাকেট ১ টা, বরফ প্রয়োজন মতো।
প্রণালী
অ্যালোভেরা পাতা থেকে রস বের করে নিন। তারপর ওই রসটা আর জল একসাথে মেশান। এবার ওতে মধু, লেবুর রস, থেঁতো করা পুদিনা পাতা আর জলজিরা দিন। বরফ দিন। এবার খেয়েই দেখুন না। আর মনেই হবে না, অ্যালোভেরার মতো অমন একটা বিস্বাদ জিনিস খাচ্ছেন। রোজ এক গ্লাস করে খান। তারপর দেখবেন অ্যালোভেরার কামাল।
তাহলে জেনে নিলেন অ্যালোভেরা শরবত বানানোর তিনটি সহজ রেসিপি। এবার অ্যালোভেরা শরবত বানিয়ে খান বাড়িতেই। আর সুস্থ থাকুন। দেখবেন আপনার ত্বকেও জেল্লা দিচ্ছে। আর আপনাকে দেখে লোকে চমকে যাচ্ছে।
ত্বকের যত্নে ঘরোয়া অ্যালোভেরার নাইট ক্রিম
সুন্দর আকর্ষণীয় ত্বক কে না চায় বলুন? আকর্ষণীয় মসৃণ ত্বকের জন্য পার্লারে ছুটাছুটি, দামী স্কিন কেয়ার কসমেটিকস কেনা ইত্যাদি কত কিছুই না করি আমরা। কিন্তু এগুলোর মধ্যে অনেক কিছুই আমাদের ত্বকের(Skin) সাথে খাপ খাওয়াতে পারি না আমরা। কোনোটা ত্বকে এলার্জি সৃষ্টি করে আবার কোনোটা যেই উপকারের কথা লেখা থাকে তা পাওয়া যায় না বহুদিন ব্যবহারের পরেও।
ত্বকের জন্য সবচাইতে ভালো হলো প্রাকৃতিক সব উপাদান। প্রকৃতিতেই লুকিয়ে আছে ত্বক এর নানান রকমের সমস্যার সমাধান। একদমই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন এসব প্রাকৃতিক উপাদান আমাদের ত্বক এর কোনো ক্ষতি ছাড়াই ত্বককে করে তুলে কোমল,মসৃণ ও উজ্জ্বল।
ত্বকের কোমলতা বজায় রাখার জন্য প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে বিশেষ যত্নের প্রয়োজন। রাতে ঘুমের এই দীর্ঘ সময়টার আগে ত্বক এর বিশেষ যত্ন নিলে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে ত্বক দেখায় উজ্জ্বল ও মসৃণ। সেই সঙ্গে নিয়মিত রাতের বেলা ত্বক এর যত্ন নিলে ত্বকে সহজে বয়সের ছাপ পড়ে না। সেই সঙ্গে ত্বক এর রুক্ষতা কমে যায় এবং ত্বক হয় দাগমুক্ত।
রাতে ত্বক এর যত্নের জন্য অনেকেই অনেক নামীদামী ব্র্যান্ডের নাইট ক্রিম ব্যবহার করে থাকেন। যারা ত্বকের জন্য প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করতে পছন্দ করেন তারা নামীদামী এসব নাইট ক্রিমের বদলে ব্যবহার করতে পারেন অ্যালোভেরার রস।
অ্যালোভেরা ত্বকের জন্য একটি উপকারী উপাদান। ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করতে, ত্বককে মসৃণ রাখতে, দাগ মুক্ত করতে এবং ত্বকে ব্রণের উপদ্রব কমাতে অ্যালোভেরার(Alovers) তুলনা নেই। বিশেষ করে যাদের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল তারা অন্যান্য কেমিকেল জাতীয় উপাদান ব্যবহার না করে ত্বক এর যত্নে নাইট ক্রিম হিসেবে অ্যালোভেরার ব্যবহার করতে পারেন। নিয়মিত ব্যবহার করতে চাইলে বাড়িতেই লাগিয়ে নিতে পারেন অ্যালোভেরা গাছ। এতে প্রতিদিন তাজা পাতা ব্যবহার করতে পারবেন।
জেনে নিন অ্যালোভেরার রসকে নাইট ক্রিম হিসেবে ব্যবহারের পদ্ধতিটিঃ
⇒ প্রথমে ত্বক ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন।
⇒ এরপর একটি তাজা অ্যালোভেরা পাতার উপরের সবুজ অংশ ছুরি দিয়ে চেঁছে ফেলুন। এবার চামচ দিয়ে ধীরে ধীরে চেঁছে রস সংগ্রহ করে নিন।
⇒ এবার তাজা রসটি একটি তুলার সাহায্যে পুরো মুখে লাগিয়ে নিন।
⇒ অ্যালোভেরার রস শুকিয়ে গেলে এভাবেই ঘুমিয়ে পড়তে পারবেন। সারারাত অ্যালোভেরার রস ত্বকের নানান সমস্যা দূর করতে ভূমিকা রাখবে।
⇒ সকালে ঘুম থেকে উঠে মুখ ধুয়ে ফেললে দেখবেন ত্বক কোমল ও উজ্জ্বল হয়ে আছে।
এভাবে প্রতিদিন ব্যবহারে বেশ দ্রুত ফলাফল পাবেন।
এলোভেরা ফেসিয়ালঃ
জানা কথা এলোভেরা ফেসিয়ালে এলোভেরা জেল ব্যবহার হবে। তবে তার আগে জেনে নিন এলোভেরাতে আপনার অ্যালার্জি নেই তো? এলোভেরা জেলে অক্সিন আর গিবেরেলিন্স নামের ২ টি হরমোন আছে। এই ২টি হরমোন ব্রণের সমস্যা দূর করে, সানবার্ন সারিয়ে দেয়, সেই সঙ্গে বয়সের ছাপও চটপট লুকিয়ে ফেলে। শুষ্ক, তৈলাক্ত বা মিশ্র ত্বকের অধিকারীরা অনায়াসে এই ফেসিয়াল করাতে পারেন।
ফেসওয়াশ বা ক্লিনজিং মিল্ক দিয়ে প্রথমে মুখটি পরিষ্কার করে নিন। স্ক্রাবার দিয়ে ত্বকের সব মরা কোষ তুলে ফেলুন। তারপর ব্র্যান্ডেড কোন মাস্যাজ ক্রিম দিয়ে মাস্যাজ করুন ১০-১৫ মিনিট। এবার এলোভেরা দিয়ে একটি প্যাক বানান। একটি শশার খোসা ছড়িয়ে নিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর ৬ টেবিল চামচ শশার সাথে ৪ টেবিল চামচ এলোভেরা জেল(Elovera jail) নিন। এর সাথে ২ টেবিল চামচ প্লেন দই মিশিয়ে নিন। চোখের চারপাশ বাদে পুরো মুখে প্যাকটি লাগিয়ে ২০ মিনিট রাখুন। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখটি ধুয়ে ফেলুন।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।
