লিভার নষ্ট হয়ে যাওয়ার পিছনে অনেকগুলো কারণ থাকে। কিন্তু সেই কারণগুলো নিয়ে আলোচনা করার আগে আমাদের লিভার সম্বন্ধে দু’চার কথা জানা দরকার ।
যকৃত বা লিভার দেহের বৃহত্তম গ্রন্থি। আমাদের শরীরের ডানদিকে লিভার বা যকৃৎ অবস্থিত। সেখানে পিত্তরস তৈরি হয়। লিভার থেকে নিঃসৃত পিত্তরস ফ্যাট হজম ও শোষণ করতে সাহায্য করে।
আমরা সারাদিন যেসব খাবার খাই বিপাকক্রিয়ার মাধ্যমে লিভার সেসব খাদ্যকে ভেঙে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অনুতে পরিণত করে শক্তি উৎপাদন করে। কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট, প্রোটিন ভিটামিন জাতীয় খাবার থেকে শক্তি উৎপাদান করাই লিভারের কাজ। খাবারের মধ্যে যে সমস্ত অবাঞ্চিত পদার্থ থাকে যেমন- জীবাণু, টক্সিন বের করে দিতে লিভার সহায়ক ভূমিকা নেয়। দূষিত জল, জীবাণুর হাত থেকে শরীরকে সুস্থ রাখতে লিভার অন্যতম ভূমিকা গ্রহণ করে। লিভার রক্তে শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে।
লিভারের আকৃতি ও আকার
লিভার পিঙ্গলবর্ণের একটি লম্বাটে, পিরামিড আকারের ৬ ইঞ্চি মতো চওড়া এবং ১২ ইঞ্চি লম্বা অঙ্গ। তবে লিভার বেড়ে যেতে পারে নানা রোগের কারণে। লিভারের স্বাভাবিক ওজন ১২০০ থেকে ১৪০০ গ্রাম।
লিভারের অসুখ
জলবাহিত কারণেই লিভারের অসুখ সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকে। তাছাড়া রক্তবাহিত এবং ভাইরাস ঘটিত কারণেও লিভারে সংক্রমণ হতে দেখা যায়। এছাড়া খাদ্যের কারণে কিংবা অনিয়মিতভাবে খাবার গ্রহণের কারণে লিভারের সমস্যা তৈরি হতে পারে।
আর লিভার ড্যামেজ বা লিভারের ক্রিয়া বিঘ্নিত করে লিভারকে ক্ষতিগ্রস্ত করার ফিছনে সব থেকে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় হেপাটাইটিস। হেপাটাইটিস এ,বি,সি,ডি,ই মূলত পাঁচ প্রকার ভাইরাস।
বাকি অংশ পড়ুন পরবর্তী পর্বে।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।

