স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বলা হয়েছে রাজধানীর ১৯টি এলাকা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া বিস্তারের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা হতে পরিচালিত একটি জরিপের ফলাফলের ভিত্তিতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করা হয়। গত মঙ্গলবার এই জরিপের ফল প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গুর বিস্তার প্রতিরোধে ঢাকার সিটির দুই সিটি করপোরেশন সহ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট শাখাগুলোকে শীঘ্রই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো হলো ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) বনানী, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, গাবতলী, মগবাজার, মালিবাগ, মিরপুর-১, মহাখালী ডিওএইচএস, নাখালপাড়া, পূর্ব শেওড়াপাড়া, টোলারবাগ ও উত্তরার ৯ নম্বর সেক্টর। আর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে ধানমন্ডি ১, এলিফ্যান্ট রোড, গুলবাগ, কলাবাগান, মেরাদিয়া, মিন্টো রোড ও বেইলি রোড এবং শান্তিনগর।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক সানিয়া তাহমিনা বলেন, ‘এই শুষ্ক মৌসুমে এডিস মশার অস্তিত্ব সেভাবে থাকার কথা নয়। এটা তাদের প্রজনন মৌসুমও নয়। কিন্তু এই এলাকাগুলোতে স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেশি এডিস মশার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এগুলোর প্রজনন প্রক্রিয়াও নজরে এসেছে। বর্ষা মৌসুম এলে স্বাভাবিকভাবেই এর প্রকোপ বাড়বে।’
আরও বলেন, ‘এখন যে মশাগুলো উৎপাত করছে, সেগুলো কিউলেক্স মশা। এগুলো সাধারণত মারাত্মক কোনো রোগ ছড়ায় না। তবে জরিপে মৌসুম ছাড়াই এডিস মশা বিচরণের যে চিত্র আমরা পেয়েছি, তা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।’
গত মৌসুমে মার্চ-এপ্রিল মাস থেকেই ঢাকার ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়ে চিকুনগুনিয়া। চলতি বছরে গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শহরজুড়ে বেড়েছে মশার দাপট। যা মানুষের মনে ফিরিয়ে এনেছে চিকুনগুনিয়ার আতঙ্ক।
কর্মকর্তারা বলেন, জরিপ প্রতিবেদনে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত এলাকাগুলোতে এখন থেকেই সিটি করপোরেশনের মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম অধিকতর জোরদার করার সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তোলার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।

