কোলন ক্যান্সার রোধে সচেতন হোন

কোলন ক্যান্সার রোধে সচেতন হোন

কোলন অর্থাৎ বৃহদান্ত্রে ক্যান্সার একটি সাধারন ক্যান্সার।বাংলাদেশে যদিও এর সুনির্দিষ্ট কোন পরিসংখ্যান নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের পরিসংখ্যান মতে, এটি নারী-পরুষের ক্যান্সার মৃত্যুর দ্বিতীয় কারন। এর কোন  পরিসংখ্যান না থাকলেও দ্রুতই তা বাংলাদেশে অন্যতম মৃত্যু ঝুঁকিতে পরিণত হচ্ছে। তাই সবাই কে সচেতন হতে হবে এখনই।

কোলন ক্যান্সারের লক্ষনগুলো কী কী?

কোলন ক্যান্সার সাধারণত ৪০ উপরে ব্যক্তিদেরই হয়।রোগীদের সাধারণত পেট ব্যথা, ক্ষুদামন্দ, পেট ফাঁপা ফাঁপা লাগা, ওজন কমে যাওয়া, রক্তশূন্যতা ইত্যাদি হয়। কালো পায়খানা হতে পারে বা মলের সঙ্গে রক্ত বা রক্ত ও আম মিশ্রিত পায়খানা হতে পারে। মলত্যাগের পরও মনে হতে পারে ভালোভাবে মলত্যাগ হয়নি,আবার টয়লেটে যেতে হবে। এছাড়া রোগ ছড়িয়ে পড়লে আরও অনেক সমস্যা হতে পারে। যেমন ক্যান্সার রোগ নির্ণয়ের সর্বোত্তম পরীক্ষা হচ্ছে কোলনস্কোপি। বর্তমানে আমরা অতি সহজেই কোলনস্কোপি করতে পারি। রেকটাম অর্থাৎ কোলনের নিচের অংশে টিউমার হলে কোলনস্কোপির প্রয়োজন হয় না। এ ব্যপারে সিগময়ডোস্কোপি নামক অপেক্ষাকৃত সহজ পরীক্ষা করা যায়। কোলনস্কোপি/সিগময়ডোস্কোপি মাধ্যমে সরাসরি টিউমার দেখা যায়। সেখান থেকে টিস্যু নিয়ে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া যায় ক্যান্সার কিনা। তারপর অন্যান্য পরীক্ষার মাধ্যমে নির্ণয় করা হয় চিকিৎসার ধরন। কোলন ক্যান্সার ভালো হওয়ার একমাত্র চিকিৎসা হচ্ছে অপারেশন। অপারেশনের মাধ্যমে ক্যান্সার আক্রান্ত অংশ এবং এর
আশপাশ ফেলে দেওয়া হয়। এর সঙ্গে ক্যান্সরের অবস্থা ভেদে যুক্ত করা হয় কোমোথেরাপি ও রেডিও থেরাপি। আমাদের দেশে ডাক্তার কোনো রোগীকে ক্যান্সারে আক্রান্ত বললে সবাই মনে করে সব শেষ হয়ে গেল। বাস্তবে তা নয়। বর্তমানে কোলন ক্যান্সারের খুব ভালো চিকিৎসা আছে। শর্ত একটি হচ্ছে, প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয়। উপরে উল্লিখিত লক্ষনগুলো দেখা দিলেই একজন কোলোরেক্টাল সার্জনের শরণাপন্ন হতে হবে।

আরও পড়ুনঃ পেট ব্যথা লক্ষন অবহেলার বিষয় নয়।

অধ্যপক ডা: এসএমএ এরফান
বাংলাদেশের পাইয়োনিয়ার কোলোরেকটাল সার্জন
চেম্বার:জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ হসপিটাল
৫৫,সাতমসজিদ রোড,জিগাতলা বাসষ্ট্যান্ড,ধানমন্ডি,ঢাকা
মোবাইল: ০১৬২৬৫৫৫৫১১,০১৮৬৫৫৫৫৫১১

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*