
প্রসব পরবর্তী ব্যায়াম
সন্তান জন্মদানের পরবর্তী সময়ে মায়ের শরীরের কিছু মাংশ পেশী এবং লিগামেন্ট ঢিলা হয়ে যায়, যা প্রসব পরবর্তী ব্যায়ামের মাধ্যমে দ্রুত আগের পর্যায়ে ফিরিয়ে আনা যায়, এবং একই সাথে এটি মায়ের মানসিক স্বাস্থ্যও ভালো রাখে।
কখন করা যাবে?
নরমাল ডেলিভারির ক্ষেত্রে প্রসব পরবর্তী যে কোন সময়, এবং সিজারিয়ানের ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে সার্জারির দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে হালকা (আ্যাবডমিনাল ব্রিদিং, কিগেলস এক্সারসাইজ ইত্যাদি) এক্সারসাইজ করা যাবে। এক্ষেত্রে ভারি এক্সারসাইজ ছয় সপ্তাহ পর থেকে তিন মাসের মধ্যে শুরু করা যাবে।

উপকারিতা:
# প্রেগনেন্সির আগের বডি-সেপ দ্রুত ফিরে পাওয়া যায়।
# পেটের মাংশ-পেশী সবল হবে।
# প্রেগনেন্সি সময়ের বাড়তি ওজন কমাতে সাহায্য করে।
# Perineal muscle শক্ত বা মজবুত করে, যা urinary incontinence বা প্রসাব ধরে রাখার সমস্যা এবং জরায়ু নিচে নামা প্রতিরোধ করে।
# এবং physical ও mental wellbeing এর কারনে অতি তাড়াতাড়ি আরোগ্য লাভ করা যায়।

সতর্কতা: ব্যায়ামকালীন সময়ে মাসিকের রাস্তা দিয়ে অনেক বেশি রক্ত দেখা দিলে কিংবা পেটে ব্যাথা হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
কিছু সাধারণ ব্যায়ামের ছবি যুক্ত করা হল, যা সন্তান জন্মানোর পরই শুরু করা যায়।
ডা: নুসরাত জাহান
সহযোগী অধ্যাপক (অবস গাইনী)
চেম্বার: ডিপিআরসি হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক ল্যাব,
(১২/১, রিং-রোড, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭)
সিরিয়ালের জন্য ফোনঃ- +8801997702001, +8801997702002,
09666774411, 029101369, 0258154875
medicalbd সাস্থের সকল খবর।
