যে কোনো সুষম খাদ্য পরিকল্পনার জন্য একটি খাদ্য নির্দেশিকা প্রয়োজন। স্বাস্থ্যকর খাবার থেকে পাওয়া যাবে শরীরের চাহিদা মাফিক সব পুষ্টি উপকরণ। হৃদরোগ ও অন্যান্য রোগের ঝুঁকিও কমে। অনেকে ইউএসডিএ খাদ্য নির্দেশিকা ‘মাই পিরামিড’ ব্যবহার করেন সুষম খাদ্যের জন্য। ডায়াবেটিস রোগীরাও ‘মাই পিরামিডের’ সাহায্য নিতে পারেন এবং পুষ্টিবিদের পরামর্শে এতে কিছু পরিবর্তন এনে কাজে লাগাতে পারেন।
সাধারণ নিয়মাবলী:
০১. তিন বেলার খাবার ৫-৬ বার ভাগ করে খাবেন।
০২. মাটির নিচে হয় এমন সবজি কম খাবেন (কুচ, ওল, আলু, মুলা, গাজর, শালগম, ওলকপি, বিটকপি, শাক, আলু, মাটিআলু, মাটির উপরের সবজি খাওয়া যাবে)।
০৩. মিষ্টি কুমড়া কম খাবেন।
০৪. কামড়ে খেতে হয় এমন ফল খাওয়া যাবে (আপেল-নাসপাতি, অধেক, বরই ৫-৬ টা, ছোট কলা ০১ বড় অর্ধেক, আমড়া, )
০৫. পেয়ারা, কামরাঙা, জলপাই, জামরুল, কাচা শসা ইচ্ছে মতো। রসালো ফল(কমলা, আঙ্গুর, আনার, আনারস, লিচু, আমম, কাঁঠাল, তরুমুজ, পাকা বেল, পেঁপে, জাম্বুরা) কম খাবেন।
০৬. চিনি/গুড়া দিয়ে তৈরি মিষ্টি জাতীয় খাবার খাবেন না।
০৭. চর্বি জাতীয় খাবার (গরু/ খাসীর মাংস, চিংড়ি মাছ, মগজ, কলিজা, নারকেল, ডিমের কুসুম) কম খাবেন।
০৮. প্রতিদিন ৩০ মিনিট মধ্যম গতিতে হাঁটবেন সপ্তাহে ০৫ দিন।
০৯. প্রতিমাসে অন্তত ১ বার রক্তের সুগার পরীক্ষা করবেন।
১০. সম্ভব হলে বাড়ীতে গ্লুকোমিটার দিয়ে সপ্তাহে অথবা ০১ দিন ০৪ বার (খালি পেটে, নাস্তা, দুপুরের খাবার ও রাতের খাবারের ২ ঘন্টা পরে) রক্তের সুগার পরীক্ষা করে লিখে রাখবেন এবং পরবর্তীতে ভিজিটে রিপোর্ট নিয়ে দেখা করবেন।
খাবারের উদাহরণ:
১. সকালের নাস্তা(৮.০-৯.০০টা)
. হাতে বানোনো রুটি ২/৩টা
. সব্জি ইচ্ছে মতো
. ডিমের সাদা অংশ ১টা
. চিনি ছাড়া চা
২. বেলা (১০.০০-১১.০০টা)
. ১টা রুটি+সব্জি অথবা ১ কাপ মুড়ি অথবা ১ কাপ চিড়া ভিজানো
. মিষ্টি ছাড়া বিস্কুট ২/৩টা
. সাখে যে কোন ১টি ফল
৩. দুপুরের (২.০০-৩.০০টা)
. ভাত (মাঝারী সাইজের) ২/৩ কাপ
. সব্জি ইচ্ছে মতো
. ডাল ১ কাপ
. মাছ/মাংস ২ টুকরো
৪. বিকালের নাস্তা (৫.০০-৬.০০টা)
. মুড়ি ১কাপ+দুধ ১ কাপ (স্বর ছাড়া) অথবা বিস্কুট চিনি ছাড়া ৩/৫ টা
. ফল ১ টা
৫. রাতের খাবার(৮.৩০- ৯.০০টা)
. হাতে বানানো রুটি ২/৩টা
. সব্জি ইচ্ছে মতো
. ডাল ১ কাপ
. মাছ/মাংস ২ টুকরো
medicalbd সাস্থের সকল খবর।

