কন্ঠনালীর ক্যান্সার প্রতিরোধে করনীয়

কন্ঠনালীর ক্যান্সার প্রতিরোধে করনীয়

আমাদের দেশে গলার ক্যান্সার বা কন্ঠনালীর ক্যান্সারের প্রকোপ অনেক বেশি। গলার স্বর পরিবর্তনের পনের দিনের মধ্যে ভালো না হলে, চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া দরকার। রোগীর ইতিহাস, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরিক্ষা করে প্রথমিকপর্যায়ে ক্যান্সার নির্ণয় করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গলার ক্যান্সার বা কন্ঠনালীর ক্যান্সারকে মোটেও অবহেলা করা উচিত নায়। কারণ কন্ঠনালীর ক্যান্সার প্রাথমকি পর্যায়ে নির্ণয় করে চিকিৎসা করলে সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যায় এবং এ রোগের সব ধরণের চিকিৎসা করলে সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যায় এবং এ রোগের সব ধরণের চিকিৎসা যেমন- সার্জারী, কেমোথেরাপী ও রেডিওথেরাপী আমাদের দেশে বিদ্যমান। কিভাবে কন্ঠকে সুস্থ এবং সুন্দর রাখা যায় পানি ভোকাল কর্ডকে আদ্র রাখে এবং আদ্র ভোকাল কর্ড শুষ্ক ভোকাল কর্ড থেকে বেশি ব্যবহার করা যায়।

প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করবেন, কমপক্ষে দুই থেকে তিন লিটার পানি পান করতে হবে। খেলা শুরুর পূর্বে যেমন প্রস্তুতি দরকার তেমন বক্তৃতার পূর্বে ভোকাল কর্ডের একইভাবে হালকা ব্যায়াম করা উচিত। প্রস্ততি ছাড়া কোন কাজে নামা উচিত নয়। প্র্যাক্টিস করলে ভোকাল কর্ডের কন্ঠের মান ও উপস্থাপনা সুন্দর হয়। কথা বলা বা গান গাওয়ার মাঝখানে দীর্ঘ শ্বাস-প্রশ্বাস নিলে, কথা বলা, গান গাওয়াকে সুন্দর করে এবং ভোকাল কর্ডের অবসাদ হয় না। বক্তব্য বা উপস্থাপনা বা বড় সমাবেশে বক্তৃতা দেয়ার সময় মাইক্রোফোন ব্যবহার করা উচিত। দিনের একটা নির্দিষ্ট সময়ে কন্ঠনালীর অবসাদ দূর করে এবং শক্তি ফিরিয়ে দেয়। নিজের কন্ঠকে শুনুন এবং যদি কোন রকমের উপসর্গ থাকে বা পরিবর্তন লক্ষ্য করেন তাহলে যতাযথ যত্ন নিন। যদি দুই সপ্তাহের বেশী স্বর পরিবর্তন লক্ষনীয় হয়, তাহলে নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এমন কিছু করবেন না যা কন্ঠনালীর ক্ষতি হয়।

ধূমপান, এলকোহল পান, অতিরিক্ত গরম পানীয় পান করা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ধূমপান কন্ঠনালীল ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। ইহা ছাড়াও ধূমপান কন্ঠনালীর প্রদাহ করে। জোরে জোরে বা পরিবর্তিত স্বরে কথা বলা উচিত নয়। জোরে কথা বললে বা কন্ঠনালীর অপব্যবহার করলে কন্ঠনালীতে সুক্ষ আঘাত হতে পারে। দূর হতে কাউকে ডাকতে হলে তাহ তালি বা শীষ বা হাত নেড়ে অথবা লাইটের মাধ্যমে দৃষ্টি আকর্ষন করা যায়। বড় খেলা উপভেঅগ করার সময় পছন্দের দলকে সাপোর্ট করার জন্য জোরে চিৎকার না করে পতাকা উড়ান বা ব্যানার লিখেন।

এসিডিটি হতে পারে এমন কিছু খাবেন না। তাই মাথা উঁচু করে ঘুমাবেন, হালকা ঢিলেঢালা পোশাক পরিধান করে ধুমাবেন, টাইট কাপড় পরে ঘুমানো যাবে না। খাবারের সাথে সাথে ঘুমানো বা ক্যাফেই যুক্ত খাবার গ্রহণ করা বাদ দিতে হবে।

গাড়ীতে ভ্রমণ, ট্রেনে যাতায়ত, অবসর সমেয় কন্ঠনালীকে বিশ্রাম দিন। এমন কোন কাজ করা যাবে না যাতে ভোকাল কর্ডে চাপ পরে। দীর্ঘ সময় মোবাইল ফোনে কথা বলবেন না। অপ্রয়োজনীয় ফোন ধরা হতে বিরত থাকুন।

আরও পড়ুনঃ ভোকাল কর্ড বা কণ্ঠ্য স্বর অপব্যবহারের কারণ সমূহ।

গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*