মৃগীরোগ কি ও কেন হয় এবং এর চিকিৎসা কি?

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  

মৃগীরোগ

মৃগীরোগ কী?

মস্তিষ্কের স্নায়ূকোষ থেকে হঠাৎ অতিরিক্ত ও বারবার বিদ্যুৎ প্রবাহের ফলে মস্তিষ্কের ক্ষণিক গোলযোগ এবং তৎসহ সচরাচর চেতনার বিঘ্ন সৃষ্টি করাকে মৃগীরোগ বলে। মৃগীরোগে সাধারণত খিঁচুনি হয়ে থাকে; তবে খিঁচুনি ছাড়াও মৃগীরোগ হতে পারে। এ রোগটি অতি প্রাচীন রোগ এবং প্রাচীনকাল থেকে পৃথিবীর সর্বত্রই বিদ্যমান। ইংরেজীতে একে ‘এপিলেপসি’ বলে এবং এ শব্দটি গ্রিক ভাষা ‘এপিলেপসিয়া’ থেকে এসেছে, যার শাব্দিক অর্থ হচ্ছে ঘটনাচক্রে বা অনিবার্যভাবে পড়ে যাওয়া।

এ রোগে আক্রমণের বা খিঁচুনি স্থায়ীকাল কত?

মৃগীরোগের স্থায়ীকাল কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিট, তবে সাধারণত দুই মিনিটের বেশি নয়, কিন্তু সাইকোমোটর টেসপুরাল লুব বা কমপ্লেক্স পারশিয়াল এপিলেপসি, যার মধ্যে কোনো খিঁচুনি নেই । শুধু আচরণগত সমস্যা, তার স্থায়ীকাল তুলনামূলক কয়েক ঘন্টা পর্যন্ত।
কতজনের এবং কাদের এ রোগ হয়?

শতকরা দু-একজনের এ রোগ হয়ে থাকে। সব বয়সে এটি হতে পারে, যেমন নবজাতক থেকে বৃদ্ধলোক পর্যন্ত। সাধারণত পুরুষ ও মহিলাদের সমানভাবে দেখা দেয়। সব পেশার এবং গ্রাম ও শহরে যে কারো এ রোগ হতে পারে।

স্বাস্থ্য বিষয়ক যেকোন তথ্য জানতে আমাদের মেসেজ করুন

মৃগীরোগের কারণ কী?

বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এর কারণ জানা সম্ভব হয়নি। তবে সাধারণত যে কারণগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে, সেগুলো হলো প্রসবকালীন নবজাত শিশুর অসুবিধা বা জটিলতা, মস্কিষ্কের প্রদাহ, শরীরে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনিসিয়াম ও পাইরডক্সিনের অভাব, মাদকদ্রব্য প্রত্যাহারজনিত কারণ, মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে গোলযোগজনিত ব্যাধি যাকে সংক্ষেপে সিভিডি বলে ইত্যাদি অন্যতম।

মৃগীরোগ কত প্রকার ও কী কী?

মৃগীরোগ সম্পর্কীয় আন্তর্জাতিক লিগ ১৯৮১ সালে এ রোগের সর্বজন গৃহীত একটি শ্রেণীবিন্যাস প্রণয়ন করেছে। তবে সাধারণভাবে এবং সংক্ষিপ্তভাবে বলা যায়,

০১. টনিক ক্লনিক বা গ্রান্ডমল এটিপলেপসি

০২. পেটিটমল এটি এবসেন্স সিজার, সাইওক্লনিক ও একাইনেটিক ও তিনটির সম্মিলিতকে বুঝায়

০৩. কমপ্লেক্স পারশিয়াল বা সাইকোমোটর বা টেমপুরাল লুব এপিলেপসি

০৪. সিমপাল পারশিয়াল

০৫. শিশুদের খিঁচুনি বা ইনফ্যান্টাইল স্পাজম ইত্যাদি অন্যতম।

তাছাড়াও মাঝে মধ্যে ঘটে এমন মৃগীরোগও আছে যেমন- টিভি বা কোন দৃশ্য দেখার সময় ফটোসাইওক্লনিক, গান শোনার সময় মিউজিকুজেনিক, পড়াশোনা করার সময় রিডিং এপিলেসপি, ঘুম থেকে জাগ্রতকালের সময় স্প্লিপিং এপিলেপসি মহিলাদের মাসিক ঋতৃ¯্রাবের সময় কোটামেনিয়াল এপিলেপসি ইত্যাদি উল্লেখ্যযোগ্য।

এ রোগের লক্ষণগুলো কী?

মৃগীরোগের লক্ষণগুলো এর শ্রেণীবিন্যাস অনুসারে ভিন্নতর হয়ে থাকে। যেমন

ক) গ্রান্ডমল বা টনিক ক্লনিক এপিলেপসির লক্ষণগুলো কয়েকটি ধঅপে প্রকাশ পেয়ে থাকে

০১. পূর্ব সূচনারূপ উপসগৃ (গড়্রান্ডমাল স্টেজ): কয়েক ঘন্টা এমনকি কয়েক দিন আগ থেকে রোগরি মেজাজের পরিবর্তন দেখা দেয়। এ সময় কোনো কোনো রোগী রোগের উপস্থিতি আসন্নপ্রায় বলে বুঝতে পারে।

০২. অলৌকিক আভা রোগী বুঝতে পারে যে, এখনই খিঁচুনি বা রোগের আক্রমণ শুরু হবে এবং সাথে সাথে পেটের ভেতর অদ্ভুদ অনুভূতি অনুভব হয়। এ অবস্থা অর্থ্যাৎ ‘অরা স্টেজ’ গ্রান্ডমল মৃগীরোগীর তুলনায় সাইকো মোটর মৃগীরোগীতে বেশি দেখা দেয়।

০৩. অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মাংসপেশির অস্বাভাবিক অবস্থা (টনিক স্টেজ): এ অবস্থায় রোগী হঠাৎ অবচেতন হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। দেহের মাংসপেশি সঙ্কুচিত হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণে সহায়ক মাংসপেশির হঠাৎ সঙ্কোচনের ফলে প্রবল বেগে শ্বাসনালী দিয়ে বাতাস বেরোনোর সময় জোর ক্রন্দনের শব্দ হয়। এ ধাপটি ২০-৩০ সেকেন্ড থাকে।

০৪. খিঁচুনি অবস্থা (ক্লনিক ফেজ): রোগী শুয়ে প্রচন্ডভাবে খিঁচতে থাকে। জিহ্বা বা চোয়ালের খিঁচুনির জন্য এবং প্রবল নাড়াচড়ার জন্য মুখে ফেনা দেখা দেয়। তাছাড়া, এ অবস্থায় দাঁত দ্বারা জিহ্বা কেটেও যায়। প্রবল খিঁচুনির জন্য রোগী প্র¯্রাব করে দিতে পারে। এর স্থায়ীকাল প্রায় ৩০ সেকেন্ডের মতো।

০৫. শরীর-মান শিথিল অবস্থা খিঁচুন থেমে যায় এবং রোগী অচেতন অবস্থায় কিংবা ঘুমানো অবস্থায় থাকে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অদ্ভুদ আচরণও করে থাকে। একে স্বয়ংক্রিয় আচরণ বলে। এ অবস্থা কয়েক মিনিট থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত থাকতে পারে। জ্ঞান ফেরার পরও রোগীর চেতনার গোলমাল কিছুক্ষণের জন্য বিদ্যমান থাকতে পারে এবং পরে মাথাধরা ও খারাপ লাগা ইত্যাদির অভিযোগ করতে পারে।

খ) সাইকোমেটির বা কমপ্লেক্স পারশিয়াল মৃগীরোগের লক্ষণগুলো হলো মানসিক।  স্নায়ু ও মাংসপেশির রোগের লক্ষণগুলোর সমষ্টি। যেমন মানসিক লক্ষণগুলো হলো রোগীর চেতনা আচ্ছন্ন থাকা, অলৌকিক আভা তৎসহ গন্ধাগত অনীক প্রত্যক্ষণ (হ্যালুসিনেশন) উদাহরণস্বরূপ ‘রাবার পোড়া গন্ধ’ পাওয়া। তা ছাড়া শ্রবণগত, দৃষ্টিগত ও স্বাদগত অলীক প্রত্যক্ষণও হতে পারে। আবার পরিচিত কাউকে অপরিচিত এবং অপরিচিত কাউকে পরিচিত মনে হতে পারে।

প্রকৃত জিনিসকে ছোট বড় দেখতে পারে। স্নায়ু ও মাংসপেশির লক্ষণগুলো হলো হঠাৎ এবং জোরের সাথে মিলিত দুই ঠোঁট আলাদা করার শব্দ অর্থ্যাৎ ঠোঁট দিয়ে চুক চুক শব্দ করা, খামাখা ঢোক গেলা, উদ্দেশ্যবিহীন হাঁটাচলা করা। স্বত:স্ফূর্ত ক্রিয়াকলাপ যেমন- গাড়ি চালানোর সময় অভিনয় করা, অন্যের পরিধানের কাপড় টানতে থাকা, কোনো বিশেষ ধরণের কাজের ভান করা, ক্ষিপ্ত হওয়া বা অসামাজিক কাজ করা ইত্যাদি।

এ অবস্থঅয় স্থায়ীকাল কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘন্টা। রোগের আক্রমণ শেষ হলে রোগী আগের অভিজ্ঞাতা কিছু বলতে পারে না । মনে রাখতে হবে, এ ধরণের মৃগীরোগের খিঁচুনি হয় না এবং রোগী মাটিতে লুটিয়ে পড়বে না। সবাই ধারণা করবে, রোগীর মানসিক ব্যাধি আছে। যেমন

০১. অতি সচরাচর যেগুলো হয় তা হলো- অতি ক্ষণস্থায়ী চেতনা লোপ পাওয়া এবং তৎসহ স্থিরদৃষ্টিতে খামাখা সামনের দিকে তাকিয়ে থাকা, চোকের পাতা কাঁপানো, কোনো কিছুর চিবানো মতো ধীরে ধীরে মুখ নাড়া, আস্তে করে হস্তদ্বয় বাঁকানো ইত্যাদি। এমন অবস্থা ১০-১৫ সেকেন্ড থাকে বলে রোগী বা অন্যরা বুঝতে পারে না যে, এটি একটি রোগ বা সমস্যা। এ অবস্থাকে এবসেন্স মৃগীরোগ বলে এবং এটা শিশু বয়সে শুরু হয় এবং কিশোর বয়স পর্যন্ত থাকে। তারপর কোনো কোনো ক্ষেত্রে এমনিতেই ভালো হয়ে যেতে পারে। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এটি গ্রান্ডমল মৃগীরোগে রূপান্তরিত হয়ে যায়।

০২. কম লক্ষণগুলো হতো অতি ক্ষণস্থায়ী চেতনার লোপের সাথে হস্তদ্বয়ের পেশির হঠাৎ ঝাঁকুনি।

০৩. আরো কম লক্ষণ হলো- হটাৎ পড়া এবং সাথে সাথে জ্ঞান ফিরে পাওয়া এবং নিজে নিজে উঠে যাওয়া

ঘ) সিম্পল মৃগীরোগের লক্ষণ হচ্ছে- রোগীর চেতনা ঠিক থাকে। তবে যেকোন এক হাতের একটি আঙুলের মাংসপেশি সংকোচন হয়ে কাঁপানো এবং তা ধীরে ধীরে হাত তারপর বাহ তারপর মুখমন্ডল, অতপর পুরো শরীরের অর্ধাংশ এমনকি সমস্ত শরীরে তা দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে যোতে পারে।

তাই এক ‘জ্যাকসনিয়াম সার্চ’ও বলে। তা ছাড়া, বিকৃত স্পর্শ অনুভূতি বা অনূভূতির বিলোপ, ঝিম ধরানো ভাব অনুভব করা, স্মৃতির বিলোপ বা বিকৃতি, অস্বাভাবিক প্রত্যক্ষণ শ্রুতিগত ও দৃষ্টিগত অলীক অত্যক্ষণ ইত্যাদি হয়ে থাকে।

মৃগীরোগের খিঁচুনি ও হিস্টেরিয়া রোগের খিঁচুনির মধ্যে পার্থক্য কী?
কোনো রোগীর খিঁচুনি দেখা দিলে চট করে বলা ঠিক নয় যে মৃগীরোগে আক্রান্ত হয়েছে অথবা হিস্টিরিয়া রোগ দেখা দিয়েছে। উভয়ের খিঁচুনির মধ্যে পার্থক্য লক্ষণীয়।

মৃগীরোগের চিকিৎসা কী?

যেহেতু সবাই এ রোগ সমন্ধে ভ্রান্ত ধারণা পোষণ করে এবং একে সামাজিক কলঙ্ক হিসেবেও দেখে। সুতরাং এর চিকিৎসায় ঔষধের সাথে রোগীকে মনোচিকিৎসা ও সামাজিক সমর্থন ও দিতে হবে। সামাজিক প্রত্যাখান এর জন্য রোগী সামাজিক প্রতিবন্ধী হয়ে পড়ে। তাই এ রোগ ও এর খিঁচুনি সমন্ধে শুধু যুক্তির সাথে ব্যাখ্যা দিলেই সামাজিক প্রত্যাখান বন্ধ হতে হবে। রোগকে অন্যদের মতো সাধারণত স্কুলে লেখাপড়ার সুযোগ দিতে হবে।

বাধা নিষেধ যতটুকু সম্ভব কম করতে হবে। পিতামাতা ও অন্যান্য কর্তৃক অতি সুরক্ষিত মনোভা হিসেবে রোগীর ওপর কড়া নজর রাখা ক্ষতির কারণ হয়ে থাকে। তবে ফিট বা খিঁচুনি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত সাইকেল চালানো, পানিতে সাঁতরানো, একা একা শহরে বড় রাস্তায় হাঁটাচলা, কোনো যন্ত্রপাতি বা কারখানায় কাজ করা, গাড়ি চালানো ইত্যাদি করা ঠিক হবে না।

ফিট বা খিঁচুনির সময় রোগীকে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরিত করে মুখের ভেতর শক্ত জিনিস হাতের কাছে বা পাওয়া যাবে অথবা কাপড় পেঁচিয়ে ড়ির মতো শক্ত করে দুই চোয়ালের মাঝে ঢুকাতে হবে, যাতে দাঁত দিয়ে জিহ্বা না কাটে। শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যাঘাত হচ্ছে কি না তা দেখতে হবে এবং শরীরের কাপড়চোপড় আলগা করে দিতে হবে।

মৃগী রোগের অত্যাধুনিক ঔষধ বেরিয়েছে। দীঘৃ দিন ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ঔষধ নিয়মিত সেবন করতে হয়। সর্বশেষ খিঁচুনি থেকে চার বছর পর্যন্ত ঔষধ নিয়মিত খাওয়া, অবস্থায় একনাগাড়ে চার বছর খিঁচুনি বা ফিট না হলে তখন ঔষধ ধীরে ধীরে কমিয়ে এন আরো তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে ঔষধ শেষ করে আনতে হবে।

খিঁচুনির সময় রোগীকে নাকে জুতা শোঁকনো হয় এবং হাতে লোহার দন্ড রাখা হয় এর কারণ কী?

এটি একটি ভ্রান্ত সামাজিক বিশ্বাস। ধারণা করা হয়ে, এতে রোগী আরোগ্য লাভ করবে। আসল ব্যাপারটি হচ্ছে, যেহেতু এ রোগের খিঁচুনির স্থায়ীকাল সংক্ষিপ্ত। সুতরাং এমনিতে রোগী আপনা আপনি সুস্থ হয়ে ওঠে। অতএব, নি:সন্দেহে এটি একটি অমানবিক ও কুসংস্কার কাজ এবং এ থেকে বিরত থাকতে হবে।

মৃগীরোগীকে ড্রাইভিং লাইসেন্স দেয়া কি ঠিক হবে?

আমাদের দেশে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রে এ রকম কোনো স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা নেই। আসলে এটি থাকা খুবই জরুরি। কেননা গাড়ি চলানো অবস্থায় যদি রোগটি দেখা দেয়, হোক না সেটি খিঁচুবিহীন মৃগীরোগ, তাহলেও সড়ক দূর্ঘটনা বেশি হওয়ার পেছনে ড্রাইভারের মাদকাসক্ত যতটুকু দায়ী, ততটুকু মৃগীরোগীজনিত বরণও দায়ী। সুতরাং ব্রিটেনের মতো আইন করে এ ব্যাপারে একটি বিজ্ঞান সম্মত নিয়ম চালু করা দরকার।

সচরাচর পার্থক্যগুলো-

মৃগীরোগের খিঁচুনি

০১. মৃগীরোগের খিঁচুনি যেকোন বয়সে হয় এবং পুরুষ ও মহিলা উভয়ের হয়।

০২. রোগী যখন একা থাকে তখন খিঁচুনি দেখা দিতে পারে এবং যেখানে সেখানে এ রোগ আক্রমণ করতে পারে।

০৩. রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় খিঁচুনি উঠতে পারে।

০৪. খিঁচুনির জন্য দাঁত দ্বারা জিহ্বা কাটা এবং মাটিতে লুটিয়ে পড়ার জন্য শরীরে আঘাত বা কাটার দাগ থাকবে।

০৫. খিঁচুনির স্থায়িত্ব ক্ষণস্থায়ী

০৬. খিঁচুনির সময় প্র¯্রাব বা পায়খানা করে দিতে পারে।

০৭. খিঁচুনি অবস্থায় ডাকলে শুনবে না।

০৮. খিঁচুনির একটি নির্দিষ্ট ধারাবাহিকতা থাকবে।

০৯. খিঁচুনির আগে ও পরে অসুস্থতার ছাপ দেখা দেবে।

হিস্টিরিয়া খিঁচুনি

০১. হিস্টিরিয়া খিঁচুনি শুধু কিশোরী ও যুবতীদের বেশি হয় এবং ছেলেদের কম হয়।

০২. একা অবস্থায় কখনো খিঁচুনি হবে না। সব সময় অন্যের সামনেই হবে। কারণ, অন্যের দৃষ্টি আকর্ষণই হলো উদ্দেশ্য।

০৩. কখনো হবে না

০৪. কখনো জিহ্বা কাটবে না। এবং মাটিতে পড়লেও শরীরের কোথাও আঘাত বা কাটবে না- সতর্ক অবস্থায় সে মাটিতে পড়বে।

০৫. দীর্ঘস্থায়ী

০৬. কখনো তা করবে না।

০৭. ডাকলে শুনবে

০৮. ধারাবাহিকতা থাকবে না।

০৯. কখনো না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

7 + 3 =