ভিব্রিও ব্যাক্টেরিয়া খুব পরিচিত নয়, কিন্তু ভয়ংকর

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  • 101
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
    101
    Shares

ভিব্রিও ব্যাক্টেরিয়া খুব পরিচিত নয়, কিন্তু ভয়ংকর

এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে এ্যারন ই. গ্লট (E.Glatt) বলেন, এই জীবাণু (Bacterium)  প্রাণঘাতী চর্ম-সংক্রমণ (Deadly Skin infection) অথবা পাকন্ত্রিক (Gastrointestinal) সমস্যা ডেকে আনতে পারে। বিশেষ করে যাদের আপোসিত অনাক্রম্য পদ্ধতি (Compromised Immune system) অথবা লিভারে রোগ রয়েছে।

এই রোগে আক্রান্ত হলে ৫০% ক্ষেত্রেই মৃত্যু ঘটে। ভিব্রিও ব্যাক্টেরিয়া (Vibrio Bacteria) গরম উপকূলীয় পানিতে বাস করে এবং মানব দেহের কোনো কাটা-ছেঁড়া বা জখমের মাধ্যমে। কেউ খাবার গ্রহণের সময় এই ব্যাক্টেরিয়া গিলে ফেললেও তা দেহে প্রবেশ করতে পারে। কাঁচা অথবা স্বপ্ল সময় রান্না করা (Raw or Under cook)  খোলজাতীয় মাছ (যেমন: শামুক, চিংড়ি, কাঁকড়া) খেলে এমন হতে পারে।

সম্প্রতি বাংলাদেশের পরিবেশ পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক কর্মশালায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস ও সমুদ্রবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট হতে ‘কর্ণফুলীর পানি ও মাটিতে ক্ষতিকর সালমোনেলা ও ভিব্রিও ব্যাকটেরিয়া উপস্থিতি’ শিরোনামে একটি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করে।

‘স্পেটিয়াল অ্যান্ড টেম্পরাল ভেরিয়েশন অব ই.কলাই ইন ওয়াটার অ্যান্ড সয়েল অব কর্ণফুলী’ শীর্ষক গবেষণা প্রবন্ধটিতে উল্লেখ করা হয়, কর্ণফুলীর পানির চেয়ে মাটিতে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ই.কলাইয়ের পরিমাণ দুই থেকে তিন গুণ বেশি। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ই.কলাইয়ের পরিমাণও বৃদ্ধি পায়।

ই.কলাইয়ের পাশাপাশি নদীর পানি ও মাটিতে ক্ষতিকর ভিব্রিও কলেরা, সালমোনেলা, স্ট্রেপটোকক্কাস ও স্টেফাইলোকক্কাস ব্যাকটেরিয়া পাওয়া গেছে। নদীর পানি ও মাটি অ্যাগার মিডিয়ায় কালচার করে এ পাঁচ ধরনের জীবাণুর সন্ধান পান তাঁরা।

কর্ণফুলীর তীরের বাসিন্দারা এর পানি ও মাটি ব্যবহার করেন। এর ফলে নীরবে তাঁদের শরীরে প্রবেশ করছে জীবাণু। ক্ষতিকর এসব জীবাণু ডায়রিয়া, টায়ফয়েড, কলেরা ও নিউমোনিয়ার মতো রোগে সৃষ্টি করে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, নদীর পানিতে সালমোনেলা বা ই.কলাই ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া গেলেই দূষণ ঘটছে ধরে নিতে হবে। এ দুটি ব্যাক্টেরিয়া মারত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। এ ছাড়া স্ট্রেপটোকক্কাস ও স্টেফাইলোকক্কাস ও পাওয়া গেছে গ্রহণযোগ্য মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি।

আরও পড়ুনঃ নিদ্রা ও স্বপ্নের মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা।

গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

thirteen + eighteen =