বেলের পুষ্টি ও ঔষধি গুণ

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  

বেলের পুষ্টি ও ঔষধি গুণ

বেলের পুষ্টি ও ঔষধি গুণ

বেলের পুষ্টি ও ঔষধি গুণ

গরমে ক্লান্তির পর চাই এমন কিছু, যা ঝটপট শরীর ঠান্ডা করতে পারে। এক গ্লাস ঠান্ডা বেলের পানা সারা দিনের ক্লান্তি মুছে শরীরকে চাঙা করে তুলতে যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। একই সঙ্গে অবসাদ ঘুচিয়ে দিতেও কিন্তু বেশ কার্যকর। বাজারে এখন বেল পাবেন। রোদ থেকে এসে তৃষ্ণা মেটাতে শরবত খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদেরা। শরীরের জল কমে গেলে বেলের শরবতের তুলনা হয় না। পুষ্টিগুণের দিক থেকেও এটি অনন্য।

দেহে বিটা ক্যারোটিন, প্রোটিন, রাইবোফ্লাভিন, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি এবং বি 2, থায়ামিন, নিয়াসিন, ক্যারোটিন, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম এবং ফাইবার জাতীয় পুষ্টি পাওয়া যায়। এই শরবত পান করলে বদহজম থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এটি আলগা গতি নিয়ন্ত্রণ করে। শরীরে রক্ত বাড়ায়। বেল একটি অতি উপকরি ফল শরীরের জন্য। চলুন জেনে নেই বেলের পুষ্টি ও ঔষধি গুণ –

বেলের পুষ্টি ও ঔষধি গুণঃ

  • কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে
  • বেল পেট পরিস্কার করে।
  • আলসার উপশমে খুবই কার্যকরী।
  • আর্থ্রারাইটিস কমাতে দারুন কার্যকরি বেল।
  • এনার্জি বাড়াতে বেলের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
  • শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
  • ব্লাড প্রেসার কমায় বেল।
  • ক্যান্সারেও খুব উপকারি বেল।
  • কাঁচা বেল ডায়েরিয়ার জন্য একটি অব্যর্থ ওষুধ।
  • পাকা বেলে আছে অ্যান্টি মাইক্রোবায়াল উপাদান, যা যক্ষ্মা কমাতে সাহায্য করে।
  • দাঁতের স্কার্ভি কমায়।
  • ত্বক ভাল রাখে।
  • বেল রক্ত শুদ্ধ করতে খুব ভালো কাজ দেয়।
  • লিভারের শক্তি বাড়ায় ও লিভার ভালো।
  • কিডনি ভালো রাখতে বেলের গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রয়েছে।
  • ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা প্রতিরোধে।
  • হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
  • চোখের দৃষ্টিশক্তি প্রখর করতে সাহায্য করে।

বেলের পুষ্টিগুণ:

বেলের পুষ্টিগুণ অন্যান্য ফলের চেয়ে অত্যন্ত বেশি। কাঁচা কিংবা পাকা দুইভাবেই বেল খাওয়া যায়। বেলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, এ, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও পটাসিয়ামের মত মূল্যবান পুষ্টি উপাদান রয়েছে। প্রতি ১০০ গ্রাম বেলের শাঁসে পানির পরিমাণ ৫৪.৯৬-৬১.৫ গ্রাম, প্রোটিন ১.৮-২.৬২ গ্রাম, স্নেহ পদার্থ ০.২-০.৩৯ গ্রাম, শর্করা ২৮.১১- ৩১.৮ গ্রাম, ক্যারোটিন ৫৫ মিলি গ্রাম, থায়ামিন ০.১৩ মিলিগ্রাম, রিবোফ্লেবীন ১.১৯ মিলিগ্রাম, এসকরবিক এসিড ৮-৬০ মিলিগ্রাম, নিয়াসিন ১.১ মিলিগ্রাম ও টারটারিক এসিড ২.১১ মিলিগ্রাম।

মেডিকেলবিডি/আরএম/ ২১ জুন, ২০২১

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

fourteen − four =