নবজাতকের স্বাস্থ্য সমস্যা

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
  • 236
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
    236
    Shares

নবজাতকের স্বাস্থ্য সমস্যা

Perinatal Asphyxia (জন্মকালীন সময়ে শ্বাস নিতে না পারা)

মাতৃগভে নাভি ও মায়ের ফুলের (Placenta) মধ্যে সংযোগকারী রশি (umbilical cord) থাকে। শিশুর ফুসফুস অনেকটা নিষ্ক্রিয় থাকে। শিশু মায়ের রক্ত থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে ও কার্বন ডাই অক্সাইড শিশুর রক্ত থেকে মায়ের রক্তে যায়। জন্মের সাথে সাথে শিশু কেঁদে ওঠে। ফুসফুস ফুলে ওঠে। বাহির থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে। মায়ের রক্তের সাথে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়।

হৃৎপিন্ডে দুই অলিন্দের মধ্যে ছিদ্র বন্ধ হয়। হৃৎপিন্ডে দুই অলিন্দের মধ্যে ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায়। এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটলে সমস্যা হয়। শিশু অক্সিজেন পায় না। নীল বর্ণ ধারণ করে।

বিভিন্ন কারণে ও সমস্যার সৃষ্টি হয়ঃ

মায়ের শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন না থাকা। যেমন নিউমোনিয়া, হৃদরোগ, শ্বাসের বিকলতা (Respiratory failure), অ্যানেসথেসিয়া (অপ্সান করার জন্য ওষুধ প্রয়োগ)।

মায়ের রক্তের চাপ কমে যাওয়া। যেমন অ্যানেসথিয়া, Inferior vena cava  (নিম্ন মহাশিয়া), Abdominal Aorta (পেটের মহাধমনি) তে চাপ পড়া।

Delivery – এর সময় ব্যথা বাড়ানোর জন্য বেশি মাত্রায় Oxytocin দেয়া।

Delivery – আগে Uterus থেকে Placenta  পৃথক হওয়া।

নাভিরুজ্জু বা Umbilical Cord  পেঁচানো বা এতে চাপ  পড়া।

মায়ের Eclampsia  বা Delivery – এর তারিখ পার হওয়া।

Delivery হওয়ার পর Asphyxia কারণ

আঘাত, ওষুধ, জন্মগত সমস্যার কারণে জন্মের পর শ্বাস বা অক্সিজেন নিতে পারে না।

সংক্রামন ও রক্তক্ষরণের কারণে শিশুর রক্তচাপ কমে যায়।

শিশু ফুসফুস ও হৃদপিন্ডে সমস্যা হলে।

ফলাফল: Perinatal Asphyxia  বা জন্মকাল শিশুর অক্সিজেনের ঘাটতি হলে অন্যান্য অঙ্গে সমস্যা হওয়ার সাথে মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। পরবর্তী সময়ে হাঁটাচলা, কথা বলা, কানে শোনা, সব কিছুতে সৃষ্টিবন্ধকতা সৃষ্টি এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। শ্বাসবিহীন সময়, ওজন, অন্যান্য রোগের উপস্থিতি ইত্যাদির ওপর ফলাফল নির্ভর করে।

কম ওজনের নবজাতক

নবজাতকের ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে (২.৫ কেজির কম) হলে বিশেষ যত্ন নিতে হয়।

কারণ,

ক) নির্দিষ্ট সময়ের আগে জন্মগ্রহণ করলে বা মায়ের অপুষ্টি, মাতৃগর্ভে শিশুর বৃদ্ধি ঠিকমতো না হলে নির্দিষ্ট সময়ে জন্মগ্রহণ করলেও কম ওজনের শিশুরা জন্মগ্রহণ করে।

খ) মায়ের অসুস্থতা: ০১. Eclampsia  ০২. রক্তক্ষরণ ০৩. অপুষ্টি ০৪. জরায়ুর সমস্যা ০৫. অন্যান্য।

গ) মায়ের বয়স: মায়ের বয়ষ কম বা বেশি হলে কম ওজনের শিশু জন্মগ্রহণের সম্ভবনা বেশি।

ঘ) যজম বা ততোধিক শিশুর ওজন সাধারণত কম থাকে ।

ঙ) মেয়েশিশুর ওজন ছেলেশিশুর চেয়ে কম হয়।

চ) জন্মগত সংক্রমণ বা ত্রুটির কারণে শিশুর ওজন কম হতে পারে।

কম ওজনের শিশুর সমস্যা

তামাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখাঃ  এসব শিশু স্বাভাবিক তাপমাত্রা ধরে রাখতে পারে না। প্রয়োজনে Incubator – এ রাখতে হয়। মা বা অন্যদের পেটের সাথে লাগিয়ে তাপমাত্রা বজায় রাখা যায়।

খাবারঃ খাবার গ্রহণ (দুধ) হজর বা পরিপাক ব্যবস্থা দুর্বল থাকে। শিরার মাধ্যমে বা Ryle`s tube দিয়ে প্রয়োজনে খাবারের ব্যবস্থা করতে হয়।

সংক্রমণ প্রতিরোধঃ  রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় জীবাণু সংক্রমণের আশঙ্কা বেশি। পরিচ্ছন্নতাসহ প্রতিরোধের ব্যবস্থা যতœসহকারে করতে হয়।

ভিটামিন ও আয়রনের ঘাটতিঃ গর্ভকালীন সময় বিশেষ করে শেষের দিকে মায়ের কাছ থেকে ভিটামিন ও আয়রণ শিশুর দেহে জমা হয়। কম ওজনের শিশুদের সেগুলো কম থাকে বিধায় যথাসময়ে এগুলো জোগান দিতে হয়।

RDS (Respiratory Distress Syndrome)ঃ  Surfactants  নামের স্নেহজাতীয় পদাথের অভাবে ফুসফুসের বায়ুথলিগুলো (Alveoli) ফোলাতে পারে না এবং চুপসে যেতে চায় ও শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।

মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণঃ (Intra ventricular hemorrhage)  : কম ওজনের মস্তিষ্কের বিশেষ করে Lateral ventricle  – এ রক্তক্ষরণ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

Retinopathyঃ কম ওজনের শিশুদের চোখের রেটিনা, যা দেখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব শিশুর অক্সিজেন দেয়ার সাথে এই সমস্যার সম্পর্ক রয়েছে।

রক্তশূণ্যঃ এসব শিশুর প্রথম দিকে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে যায়। কয়েক সপ্তাহ পর আয়রনের অভাবে রক্তশূণ্যতা দেখা দেয়।

জন্ডিসঃ কম ওজনের শিশুরা বিলিরুবিনের মাত্রা বেশি থাকাও Kermcterez  হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।

Patent ductus arteriosusঃ পালমোনারি ও মহাধমনির সংযোগকারী ধমনি এসব শিশুর বেলায় দেরিতে বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

নবজতকের জন্ডিস

রক্তের লোহিত কণিকার লাল বর্ণের হিমোগ্লোবিন থেকে হলুদ বর্ণের বিলিরুবিন তৈরি হয়। স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হলে শরীরের বিভিন্ন অংশ যেমন চোখের সাদা অংশ, জিহ্বার নিচের দিকে, হা-পা ইত্যাদি হলুদ বর্ণ দৃশ্যমান হয়। বিভিন্ন কারণে জন্ডিস হয়।  যেমন-

Physiological Jaundice: নবজাতকের শরীরে লোহিত কণিকার পরিমাণ এবং যকৃত বা Liver- এ বিলিরুবিন প্রক্রিয়াকরণ দুর্বল হওয়ার কারণে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে যায়। রোদে রাখলে বা এমনিতেই সেড়ে যায়। কম ওজনের শিশুদেও বেলায় বেশি হয়।

Rh Incompatibility: বেশির ভাগ মানুষের ৮৫% লোহিত কণিকার কোষ প্রাচীর Rh  নামের Antigen  রাসায়নিক যৌগ থাকে। এদেরকে Rh positive  বলা হয়। যাদেও Antigen নেই, তারা Rh negative। Rh negative  দেহে ঢুকলে Antigen বিপরীতে Antibody  (রাসায়নিক যৌগ) তৈরি হয়। পরবর্তী  সময়ে Antibody ও Antigen যোগ হয়ে লোহিত কণিকাকে ধ্বংস করে।

মা যদি Rh negative  হয় তার গর্ভের শিশু Rh positive  হয় তাহলে প্রথম শিশুর বেলায় সমস্যা হয় না। কিন্তু এই শিশুর Rh positive  লোহিত কণিকা মায়ের রক্তে (Rh negative)    প্রবেশ করে, যা সাধারণত Delivery –  এর সময় তখন মায়ের রক্তে Antibody তৈরি হয়।

জন্মের পরপর মাকে যদি Anti-D ইনজেকশন দেয়া হয় তাহলে শিশুর লোহিত কণিকা ধ্বংস হয়ে Antibody তৈরি হতে পারে না।

মায়ের শরীরে যদি Antibody থাকে এবং গর্ভের শিশু Rh Positive হয়, তাহলে শিশুর দেহে মায়ের রক্ত থেকে Antibody ঢোকে এবং শিশুর লোহিত কণিকা ভেঙ্গে যাবে।

(Hemolysis), শিশুর রক্তশূণ্যতা Anemia, জন্ডিস Jaundice, যকৃত, প্লীহা বড় হবে (Hepato-Splenomegaly)। ভাঙনে প্রক্রিয়া তীব্র হলে গর্ভের শিশুরা মারা যেতে পারে। অনেক শিশু স্বাভাবিকভাবে জন্মগ্রহণ করে। সাথে সাথে বা পরবর্তী সময়ে রক্তশূণ্যতা ও জন্ডিস দেখা দিতে পারে।

Hepatitis (যকৃত বা liver প্রদাহ)

যকৃতে প্রদাহের কারণে জন্ডিস দেখা দিতে পারে। মায়ের শরীর থেকে ফুল অতিক্রম করে  কিন্তু ভাইরাস যেমন Hepatitis ই, Cytomegalio Virus, Rubella  যকৃতে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে। ব্যাকটেরিয়া যেমন E-coil সংক্রমণ (Sepsis) ও পরজীবি (Toxoplasmosis) সংক্রমণেও জন্ডিস দেখা দিতে পারে।

Obstructive Jaundice: বড়দের মতো যকৃতে bile বা পিত্তরস প্রবাহ বন্ধ হলে জন্ডিস দেখা দিতে পারে। জন্মগত নালীর ক্রুটির কারণে বাধা সৃষ্টি হয়।

যকৃতের কোষে বিলিরুবিন ঢুকে গ্লুকোরনিক (Glucuronic Acid) এসিডের সাথে যোগ হয়ে কোষ থেকে বের হয়। ত্রুটি বা এনজাইমের অভাবে বাধা সৃষ্টি হয়ে জন্ডিস দেখা দিতে পারে।

জন্ডিসের ফলাফল (Kernicterus)

বিলিরুবিন রক্তে Albumin বা Glucuronic Acid – সাথে যুক্ত থাকে। Albumin যুক্ত বিলিরুবিন মস্তিষ্ক বা মগজে প্রবেশ করে স্নায়ুকোষ ক্ষতিগ্রস্ত করে। বিলিরুবিনের মাত্রা বেশি হলে (২০ মিলিগ্রাম/১০০ মিলিলিটারে) ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি।

পরবর্তী সময়ে এসব শিশু খিঁচুনি, হাঁটাচলা, কথা বলায় সমস্যা হয়। বুদ্ধির মাত্রা কম থাকে। একবার ক্ষতিগ্রস্ত হলে আর ফেরানো যায় না।

 নবজাতকের জন্ডিসে চিকিৎসা:

Physiological jaundice ও অন্যান্য কারণের কম মাত্রার বিলিরুবিন এমনিতেই বা সূর্যের আলোতে কমে যায়।

মাত্রা বেশি হলে বিশেষ ব্যবস্থায় কয়েকটি টিউব লাইটের নিচে রাখা হয়, যাকে  photo therapy বলে।

Bilirubin অধিক মাত্রার হলে পুরো রক্তকে পরিবর্তন করতে হয়, যাকে Exchange Transfusion বলে

জন্ডিসের কারণের ( যেমন Sepsis) চিকিৎসা করা।

নবজাতকের জীবাণু সংক্রমণ:

ক. মাতৃগর্ভে সংক্রমণ: এ সময় বিভিন্ন শিশু বিভিন্ন জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে ভাইরাস (Hepatitis ই, Cytomegalic Virus, Rubella, Herpes, simplex) ব্যকটেরিয়া  যেমন সিফিলিসের, যক্ষ্মার জীবাণু)

প্রসবকালীন ও পরবর্তী সময়ে সংক্রমণ:

ক. এ সময় Gram Negative ব্যাকটেরিয়া ( যেমন E.coli, Klebsiella) দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে।

খ. Gonococci ব্যাকটেরিয়া চোখে আক্রান্ত হতে পারে।

গ. Candida Albicans নামে ফাঙ্গাস দ্বারা সংক্রিমত হতে পারে।

ঘ. অপরিচ্ছন্ন নাভি কাটার দরুন Tetanus জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে।

ঙ. এক সপ্তাহ পর সংক্রমণ সাধারণ  Staphylococci অবস্থা থেকে হয়। যেমন Stanly

ফলাফল:

জীবাণু সংক্রমণ তীব্রতা, রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা, সংক্রমণের সময় যথাযথ ব্যবস্থা ইত্যাদিও ওপর রোগের প্রকৃতি ও ফলাফল নির্ভও করে। গর্ভকালীন মায়ের Rubella হলে সেই ভাইরাস শিশুর চোখে ছানি, হৃদপিণ্ড অন্যান্য অঙ্গে সমস্যা হতে পারে।

Tetanus জীবাণু সংক্রামণ Tetanus হতে পারে। Gonococci জীবাণু দ্বারা চোখে Conjunctives হতে পারে। মাতৃগর্ভে সিফিলিস ও যক্ষ্মার জীবাণু দ্বারা বিভিন্ন অঙ্গে সংক্রমণ হতে পারে।

প্রসবের পরবর্তী সময়ে ব্যাকটেরিয়া দ্বারা ডায়রিয়া (Diarrhea) নিউমোনিয়া (Pneumonia), মেনিনজাইটিস (Meningitis), Septicemia সহ নাভিতে Umbilical Sepsis,  Skin ও soft tissue infection হতে পারে।

নবজাতকের আঘাত:

  • ছোট হতে বড় এর মাথা থেকে পা পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে ও অঙ্গে নবজাতক আঘাত পেতে পারে, বিশিষ করে কষ্টকর প্রসবের সময়।
  • ত্বক সামান্য ছিঁড়ে যাওয়া (Abrasions) সামান্য রক্ত জমাট বাঁধা (Ecchymosis) ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির দ্বারা যেমন (Forceps blade) হতে পারে।
  • মাথায় চাপ পড়ার কারণে মাথার উপরিভাগে তরল পদার্থ জমা হয়ে ফুলে ওঠে। (Caput Succedaneum) বা রক্ত জমাট বাঁধতে পারে (Cephal hematoma)
  • মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ (Intracranial hemorrhage) সময়ের আগে (prematurity) কম ওজনের শিশু (Low birth weight) জন্মেও পওে শ্বাস নিতে না পারা ফলে রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ কম (Anoxia) থাকে। এরা আঘাত পেলে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের আশঙ্কা বেড়ে যায়।
  • Fracture জন্মেও সময় বিভিন্ন হাড় ভাঙতে পারে, যেমন মাথার খুলি (Skull) গলার (Clavicle) হাতের (Humerus) পায়ের (Femur)।
  • স্নায়ুতে আঘাত: মুখের (Facial nerve) বগলের (Brachial Plexus) গলায় (Phrenic nerve), হাতের (Radial nerve) প্রসবের সময় চাপে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
  • পেটের ভেতরে যকৃত, এডরেনাল গ্রন্থি কিডনি আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

জন্মগত সমস্যা

  • নবজাতক শিশু জন্মগত সমস্যা নিয়ে জন্মগ্রহণ করতে কিছু ত্রুটি আকৃতিগত (Anatomical) ঠোঁট (Hare Lip) তালু কাটা (Cleft palate) কোনো অঙ্গ  আংশিক বা পুরোটা নেই বা বিকৃত বা অতিরিক্ত যেমন আঙুল, পায়ের পাতা বাঁকা থাকা (Club foot) ।
  • কিছু সমস্যা ক্রমোসোমের কারণে, (Down`s syndrome, Turner syndrome, Turner syndrome)
  • কিছু বিপাকে (Metabolism)
  • Congenital Hypothyroidism
  • Phenyl ketonuria
  • Congenial Adreno genital syndrome

আরও পড়ুনঃ যেসব সমস্যায় সাধারণত ওষুধের প্রয়োজন নেই।

গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

7 + 19 =

x

Check Also

পুরুষের বন্ধ্যাত্ব রোগে চিকিৎসা

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন153         153Sharesযেসব পুরুষ বন্ধ্যত্বের সমস্যায় ভোগেন তাদের অন্তত ...

১৪ দিনে ১০ কেজি ওজন কমান

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন266         266Sharesঅনেকে অনেক ধরনের পন্থাও গ্রহন করেন ওজন ...

ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টার উদ্বোধন হল ঢাকা মেডিকেল কলেজে

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন52         52Shares ছবিঃ মেডিভয়েজ নতুন সরকারের নিয়োগপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ ...

শিশু ওয়ার্ড না থাকায় আক্রান্ত শিশুদের মহিলা ওয়ার্ডে রেখে চলছে চিকিৎসা

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন60         60Shares জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহঃ ঝিনাইদহ জেলার ...

তত্বাবধায়কের প্রচেষ্ঠায় পাল্টে গেছে নওগাঁ সদর হাসপাতালের চিত্র !

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন49         49Sharesজি,এম মিঠন, নওগাঁ: নওগাঁ সদর হাসপাতালে লেগেছে ...

কাঁচা কলার যত গুণ

পোস্ট টি ভালো লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন21         21Sharesডা. শিব্বির আহমেদ: পেটের অসুখে উপকার পাওয়া ...