
তরমুজের চিকিৎসা গুন
তরমুজের চিকিৎসা গুনঃ
গ্রীষ্মের প্রখর তাপদাহের সময় তরমুজ একটি তৃষ্ণা মেটাতে সুমিষ্ট ফল। তৃষ্ণা মেটাতে এমন ফল আর নেই। গ্রীষ্মের শুরুতে শহরে, গঞ্জে, হাটবাজারে তুমুজের স্তুূপ দেখা যায়। বাংলাদেশের প্রায় সব জেলাতেই তরমুজ চাষ হয়।
গ্রীষ্মের ঘামের সাথে শরীর থেকে যে পানি বেরিয়ে যায়, তা পূরণে তরমুজ উপাদেয়। তরমুজের রসের সাথে সামান্য মধু বা লেবুর রস মিশিয়ে বা বরফকুচি দিলে তা অত্যন্ত সুস্বাদু পানীয় হয়। গ্রীষ্মে ত্বক স্বাভাবিক রাখতে তরমুজ অদ্বিতীয়। তরমুজ পোড়া ত্বককে সজীব করে আর্দ্রতা জোগায়। প্রচন্ড জ্বরের সময় ঠান্ডা তরমুজ বা তরমুজের শরবত খাওয়ালে তাপ কমে যায়। তরমুজ খেলে উচ্চ রক্তচাপ কমে আসে। হৃৎপিন্ড সুস্থ থাকে। তরমুজ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে,কিডনী ভালো রাখে এবং হজমে সাহায্য করে। তরমুজ খেলে রক্তপিত্ত ভালো হয়। এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি ও খনিজ লবণ। মুখের ত্বকে কোনো দাগ হলে তরমুজের টুকরো ঘষলে উঠে যায়। ব্রণ হলে তার ওপরে তরমুজের রস লাগালে ভালো হায়্ যাদের মুখভর্তি ব্রণ তারা সারা মুখে তরমুজের রস লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে উপকার হয়। ১৫ দিন লাগাতে হবে।
প্রতি ১০০ গ্রাম পরিমাণ তরমুজে পাওয়া যায় –
- ক্যালোরি ৩০ (ক্যালরি)।
- পরিপূর্ণ চর্বি ০ গ্রাম
- পলিউস্যাচুরেটেড ফ্যাট ০.১ গ্রাম
- কোলেস্টেরল ০ মিলিগ্রাম
- সোডিয়াম ১ মিলিগ্রাম
- পটাসিয়াম ১১২ মিলিগ্রাম
- মোট কার্বোহাইড্রেট ১২ গ্রাম
- খাদ্যতালিকাগত ফাইবার ০.৬ গ্রাম
- চিনি ৬ গ্রাম
- প্রোটিন ০.৬ গ্রাম
- ভিটামিন এ ১৭% ভিটামিন সি ২০%
- ক্যালসিয়াম ০% আয়রন ২%
- ভিটামিন ডি ০% ভিটামিন বি -৫%
- ভিটামিন বি ১২- ০% ম্যাগনেসিয়াম ৩%
তরমুজ ক্লান্তি দূর করে, পুষ্টি আনে, হৃদরোগ ভালো করে, টাইফয়েড জ্বরে উপকারী প্রস্রাবসল্পতা ও জ্বালাপোড়া সারায়। আসুন, স্বপ্লসময়ের পুষ্টিসমৃদ্ধ বহু উপকারী তরমুজ খাই।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।
