কোমরের মেদ কমাতে একটি সহজ কৌশল

কোমরের মেদ কমাতে একটি সহজ কৌশল

শরীরের অন্য অংশের মেদের চেয়ে পেটের মেদ একটু আলাদা। আমরা জানি, শরীরের অন্য অংশের মেদ সাধারণত চামড়ার নিচে জমে থাকে। তবে পেটের মেদ লিভার, কিডনি ও অন্যান্য অভ্যন্তরীণ অঙ্গের সাথে লেগে জমে থাকে, যা অনেক সময় প্রাণঘাতি হয়ে দেখা দিতে পারে। হার্টের সমস্যা থেকে শুরু করে ডায়াবেটিস ও অন্যান্য সমস্যার জোরালো সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া যায়।

আমরা অনেকেই পেটের মেদ কমানোর জন্য বেলি স্ট্রোক (Belly Stroke) অর্থাৎ পেটের মাংশ পেশীর ব্যায়াম করে থাকি। এর ফলে পেটের মাংশ পেশীর টোন (Tone) বা আকৃতি সুন্দর হলেও পেটের মেদ কমাতে তা খুব একটা কাজে দেয় না। পেটের মেদ কমাতে হলে প্রয়োজন শারীরিক ব্যায়াম।

মনে রাখবেন, ৩০ থেকে ৪০ মিনিট হালকা জগিং (Jogging) বা জোরে হাটার পর রক্তে চলমান ফ্যাট শেষ হয়ে দেহে সঞ্চিত ফ্যাট (Stored Fat) ভাঙতে থাকে। তাই এই ৩০ বা ৪০ মিনিটের পর আপনি যদি ১০ বা ১৫ মিনিট ও জগিং বা জোরে হাঁটতে পারেন, তাহলেই প্রতিদিন একটু একটু করে আপনার জমানো চর্বি (Stored Fat) কমতে থাকবে।

শুধু ব্যায়াম করলেই অনেক সময় মেদ কমবে না, এর জন্য আপনাকে খাবার গ্রহণে সতর্ক হতে হবে। খাবারে প্রচুর পরিমাণে আঁশ (Fiber) জাতীয় খাদ্য যেমন শাক সবজি রাখুন। চর্বি জাতীয় খাবার কম খান। ফাস্ট ফুড খাওয়া বন্ধ করতে হবে।

সম্প্রতি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি রাতে ঘুমাতে যাবার আগে যদি একজন ব্যক্তি মাত্র ১০ মিনিট আস্তে আস্তে হাঁটেন, তবে তার দেহে যে হরমন (Hormone) ও এঞ্জাইম (Enzyme) নিস্রিত হয়, তাতে সারা দিনে খাবারের সাথে গ্রহণ করা সমস্ত অতিরিক্ত চর্বি রক্ত থেকে পরিস্রুত হয়ে যায় এবং দেহে জমতে পারে না। কেবল এই ১০ মিনিট হাঁটার কারণে যে পরিমাণ চর্বি জমতে বাধা পায়, তা যদি আমরা ব্যায়াম এর মাধ্যমে কমাতে চাই, তার জন্য আমাদের ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা জোরে দৌঁড়াতে হত!

তাই নিয়ম মেনে পরিমিত ব্যায়াম করে গেলে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করলে ও লাইফস্টাইল পাল্টে পেটের মেদই শুধু নয়, সারা দেহের মেদ কমিয়ে কাঙ্ক্ষিত ফিগার পেতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ ত্বকের যত্নে কিছু টিপস।

গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*