আইবিএস এর ন্যাচারাল চিকিৎসা

আইবিএস এর ন্যাচারাল চিকিৎসা

আইবিএস হলো কতগুলো লক্ষণ ও উপসর্গের সমষ্ঠি, যা সুনির্দিষ্ঠ রোগ নির্দেশ করে না। এটি পরিপাকতন্ত্রের কার্যক্রমের সমস্যা। এটি এমন রোগ বিশেষ, যার সাথে যুক্ত থাকে মানসিক ও শারীরিক ভীতি। আইবিএসের অন্যতম বৈশিষ্ঠ্য হলো তলপেটে ব্যথা, উদরাময় বা কোষ্ঠকাঠিন্য বা উভয়টি। সাধারণত ২০-৪০ বছরের লোকদের বেশি হয়। পুরুষের তুলনায় এ রোগ মহিলাদের বেশি হয়।

কারণ :

  • মানসিক ও সামাজিক সমস্যা।
  •  পৌস্টিকনালীর স্বাভাবিক গতির পরিবর্তন।
  •  পৌস্টিকনালীর অভ্যন্তরীণ সমস্যা।
  •  অনিয়মিত খাওয়া-দাওয়া।
  •  অীধক রাত্রি জাগরণ।
  •  বেশি মসলাযুক্ত খাবার খাওয়া ইত্যাদি।

 

লক্ষণ বা উপসর্গ:

  • পেটে ব্যথা হয়।
  •  ব্যথা হঠাৎ বা নির্দিষ্ঠ সময় পর পর দেখা যায়।
  •  কখনো কখনো খাবার খাওয়ার পর ব্যথা বাড়ে এবং তীব্র আকার ধারণ করে থাকে ।
  •  খাবার বা আহারের পর পায়খানা ধরে।
  •  পাতলা পায়খানা সকালে হয়।
  •  কখনো কখনো পায়খানা ছোট ছোট পি-ের মতো বা দড়ির মতো হয়।
  •  অনেক সময় পায়খানা হওয়ার পরও কিছু মল আবদ্ধ আছে বলে মনে হয়।
  •  পেট ফোলা থাকে।
  •  বমি বমি ভাব থাকে।
  •  অরুচি থাকে।
  •  আহারের পর পেট ভার ভার মনে হয়।
  • বদহজম হয়।

প্রতিকার :

  •  নিয়মিত খাবার গ্রহণ করতে হবে।
  •  অধিক মসলাযুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে।
  •  দুশ্চিন্তামুক্ত জীবন কাটানোর চেষ্ঠা করতে হবে।
  • বাসিপচা ও ভাজাপোড়া খাবার পরিহার করতে হবে।

চিকিৎসা :

ক্যাপসুল কোলমিন্ট, জওয়ারিশ মুস্তগি, জওয়ারিশ কমুনি কবির, মাজুন সঙ্গদানা মুরগ, সফুফে মুইয়া, সফুফে ইন্দেমালী।
উল্লেখিত ওষুধের মধ্যে এক বা একাধিক ওষুধ যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করতে হবে।

 

 

গণ সচেতনতায় ডিপিআরসি হসপিটাল লিমিটেড

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*