কী কী করবেন:
১. প্রচুর পরিমাণে নিয়মিত ব্যায়াম করুন। নিয়মিত খোলা হাওয়ায় ঘোরাফেরা করুন। এতে ঘুম ভালো আসবে।
২. খাওয়া- দাওয়া শেষে, শুতে যাওয়ার ঠিক আগে এক কাপ গরম দুধ খেয়ে দেখুন।
৩. শোয়ার ঠিক পরে ঘুম না এল সোজা হয়ে শুয়ে পড়ুন। দু হাত দু পাশে মেলে দিন। শরীরটা এলিয়ে দিন। খুব ধীরে, গভীর নিঃশ্বাস-প্রঃশ্বাস নিন। এবারে ১০৭ থেকে ধীরে ধীরে ১০৭ অবধি উল্টো গুণুন। যতবার ভুল হবে আবার প্রথম থেকে গোনা শুরু করুন।
৪. রাতে খুব বেশি খাবার খাবেন না।বেশি ধুমপান করবেন না। রাতে শোয়ার আগে সিগারেট দেশলাই হাতের বাইবে রাখুন। যাতে বিছানা থেকে হাত বাড়িয়ে নিতে না পারেন।
৫. শোয়ার ঘরের জানালাগুলো খুলে দিন, যাতে ভালোভাবে হাওয়া চলাচল করতে পারে।
৬. শোয়ার আগে কোনও দুশ্চিন্তা মাথায় ঢুকলে, পরদিন সকালে দেখা যাবে না ভেবে বাড়ির সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মানুষটির সঙ্গে কথা বলুন দেখুন।
৭. ক্লান্ত লাগলেই শুয়ে পড়ার চেষ্ঠা করুন। চেষ্ঠা করে বেশিক্ষণ জেগে থাকলে ঘুম চলে যাওয়ার সম্ভবনা আসে। অতিরিক্ত ক্লান্ত হয়ে পড়লে ঘুম আসতে চায় না।
৮. বিছানায় শুয়ে কোনরকম শারীরিক অসুবিধে বা অস্বস্থি হলে অসুবিধের কারণটি থেকে মুক্ত হওয়ার চেষ্ঠা করুন।
কী কী করবেন না:
১. ঘুমোতে যাওয়ার আগে চা-কফি ইত্যাদি খাবেন না। এগুলো স্নায়ু উজ্জীবিত করে, ঘুম আসার অসুবিধে ঘটায়।
২. যদি ডাক্তার কোনও ঘুমের ওষুধ দেন তাহলে সেটা বিছানার পাশে রাখবেন না। ঘুম না হলে অতিষ্ট হয়ে আপনি অতিরিক্ত ওষুধ খেয়ে ফেলতে পারেন।
৩. অন্য কোথাও গেলে কোনও লোকের ঘুমের ওষুধ কখনও ব্যবহার করবেন না।
৪. খুব আঁটসাঁট পোশাক-আশাক পরবেন না।
আরও পড়ুনঃ ধূমপান পরিত্যাগে যে চিকিৎসা কার্যকর।
medicalbd সাস্থের সকল খবর।

